জীবিকার তাগিদে ব্যাংক থেকে ঋণ ও ধার করা অর্থে প্রায় দুই বছর আগে মালদ্বীপে পাড়ি জমিয়েছিলেন রবিন মোল্লা। স্বপ্ন ছিল, কঠোর পরিশ্রম করে পরিবারের ঋণ পরিশোধের পর নিজের একটি বাড়ি তৈরি করে বিয়ে করবেন। কিন্তু মালদ্বীপে এক ভয়াবহ গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে নিভে গেল তার সে স্বপ্ন।
দুর্ঘটনায় নিহত রবিন মোল্লা ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার খোদেজাবাগ ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মোল্লা বাড়ির বাসিন্দা। তিনি মো. সিরাজ মোল্লা ও আরজু বেগমের ছেলে।
স্বজনরা জানান, প্রতিদিনের মতো শুক্রবার রাতে কাজ শেষে মালদ্বীপে নিজের কক্ষে খাবার খেয়ে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন রবিন। এরপর ঘুমিয়ে পড়েন। রাত প্রায় দুইটার দিকে তার কক্ষে থাকা গ্যাস সিলিন্ডারটি বিস্ফোরিত হয়। এতে রবিন মোল্লাসহ ওই ঘরে থাকা আরও চারজন ঘটনাস্থলেই নিহত হন।
প্রতিবেশী ও স্বজনরা জানান, ব্যাংক ঋণ ও ধার করা টাকায় মালদ্বীপে গিয়েছিলেন রবিন। নানা টানাপোড়েনের মধ্য দিয়ে চলছিল তার পরিবার। ঋণের টাকা পরিশোধ করে দেশে ফিরে একটি পাকা ঘর তুলবেন, বিয়ে করবেন—এই ছিল তার একমাত্র স্বপ্ন। কিন্তু মর্মান্তিক এ দুর্ঘটনায় শেষ হয়ে গেল সব স্বপ্ন।
রবিনের মৃত্যুর খবর শুনে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বাড়িতে স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে পুরো পরিবেশ।
নিহতের পরিবারের সদস্যরা দ্রুত সময়ের মধ্যে রবিন মোল্লার মরদেহ দেশে এনে তাদের কাছে হস্তান্তরের জন্য সরকারের সহযোগিতা কামনা করেছেন।
স্বজনরা জানান, শনিবার মরদেহ দেশে আনার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র মালদ্বীপ থেকে পাঠানো হয়েছে। সরকারের সহযোগিতা পেলে দ্রুত মরদেহ দেশে আনা সম্ভব হবে বলে তারা আশা করছেন।
চরফ্যাশন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর বাদশা বলেন, ‘ঘটনাটি বিদেশে ঘটেছে। জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।’

রোববার, ১৫ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ মার্চ ২০২৬
জীবিকার তাগিদে ব্যাংক থেকে ঋণ ও ধার করা অর্থে প্রায় দুই বছর আগে মালদ্বীপে পাড়ি জমিয়েছিলেন রবিন মোল্লা। স্বপ্ন ছিল, কঠোর পরিশ্রম করে পরিবারের ঋণ পরিশোধের পর নিজের একটি বাড়ি তৈরি করে বিয়ে করবেন। কিন্তু মালদ্বীপে এক ভয়াবহ গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে নিভে গেল তার সে স্বপ্ন।
দুর্ঘটনায় নিহত রবিন মোল্লা ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার খোদেজাবাগ ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মোল্লা বাড়ির বাসিন্দা। তিনি মো. সিরাজ মোল্লা ও আরজু বেগমের ছেলে।
স্বজনরা জানান, প্রতিদিনের মতো শুক্রবার রাতে কাজ শেষে মালদ্বীপে নিজের কক্ষে খাবার খেয়ে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন রবিন। এরপর ঘুমিয়ে পড়েন। রাত প্রায় দুইটার দিকে তার কক্ষে থাকা গ্যাস সিলিন্ডারটি বিস্ফোরিত হয়। এতে রবিন মোল্লাসহ ওই ঘরে থাকা আরও চারজন ঘটনাস্থলেই নিহত হন।
প্রতিবেশী ও স্বজনরা জানান, ব্যাংক ঋণ ও ধার করা টাকায় মালদ্বীপে গিয়েছিলেন রবিন। নানা টানাপোড়েনের মধ্য দিয়ে চলছিল তার পরিবার। ঋণের টাকা পরিশোধ করে দেশে ফিরে একটি পাকা ঘর তুলবেন, বিয়ে করবেন—এই ছিল তার একমাত্র স্বপ্ন। কিন্তু মর্মান্তিক এ দুর্ঘটনায় শেষ হয়ে গেল সব স্বপ্ন।
রবিনের মৃত্যুর খবর শুনে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বাড়িতে স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে পুরো পরিবেশ।
নিহতের পরিবারের সদস্যরা দ্রুত সময়ের মধ্যে রবিন মোল্লার মরদেহ দেশে এনে তাদের কাছে হস্তান্তরের জন্য সরকারের সহযোগিতা কামনা করেছেন।
স্বজনরা জানান, শনিবার মরদেহ দেশে আনার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র মালদ্বীপ থেকে পাঠানো হয়েছে। সরকারের সহযোগিতা পেলে দ্রুত মরদেহ দেশে আনা সম্ভব হবে বলে তারা আশা করছেন।
চরফ্যাশন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর বাদশা বলেন, ‘ঘটনাটি বিদেশে ঘটেছে। জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।’

আপনার মতামত লিখুন