সারাদেশে জ্বালানি তেল বিক্রির ওপর আরোপিত রেশনিং বা সীমাবদ্ধতা তুলে নিয়েছে সরকার। আজ রোববার থেকে গ্রাহকরা তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী যেকোনো পরিমাণ জ্বালানি তেল কিনতে পারবেন।
সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ
প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত সরকারের এই সিদ্ধান্তের কথা আনুষ্ঠানিকভাবে
ঘোষণা করেন।
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ
নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হওয়ায় গত ৬ মার্চ থেকে দেশে তেল বিক্রিতে সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছিল।
এর ফলে ফিলিং স্টেশনগুলোতে দীর্ঘ লাইন এবং সাধারণ মানুষের ভোগান্তি তৈরি হয়। সামনে
ঈদযাত্রা এবং বর্তমানে সেচ মৌসুম চলায় ডিজেলের ব্যাপক চাহিদার কথা বিবেচনা
করে সরকার এই রেশনিং তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, “আজ থেকে জ্বালানি তেল বিক্রিতে আর কোনো
রেশনিং থাকছে না। সবাই চাহিদামতো তেল কিনতে পারবেন। সংকট মোকাবিলায় বন্ধুরাষ্ট্রসহ
বিভিন্ন দেশের সঙ্গে আলোচনা চলছে।”
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) সূত্রে জানা গেছে,
চলতি মাসে জ্বালানি তেল নিয়ে মোট ১৮টি জাহাজ আসার কথা রয়েছে। এর মধ্যে:
বর্তমানে মজুতের পরিমাণ:
প্রতিমন্ত্রী জানান, আগামী জুন মাস পর্যন্ত পরিশোধিত জ্বালানি
কেনার চুক্তি থাকলেও সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলো অনেক সময় সংকটে পড়ে। তাই সরাসরি সরকারি
পর্যায়ে (জিটুজি) বা উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে তেল কেনার প্রস্তুতি রাখা হয়েছে। বিশেষ
করে অতিরিক্ত জ্বালানি সরবরাহের জন্য ইতিমধ্যে ভারতকে চিঠি দেওয়া হয়েছে।

সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ মার্চ ২০২৬
সারাদেশে জ্বালানি তেল বিক্রির ওপর আরোপিত রেশনিং বা সীমাবদ্ধতা তুলে নিয়েছে সরকার। আজ রোববার থেকে গ্রাহকরা তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী যেকোনো পরিমাণ জ্বালানি তেল কিনতে পারবেন।
সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ
প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত সরকারের এই সিদ্ধান্তের কথা আনুষ্ঠানিকভাবে
ঘোষণা করেন।
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ
নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হওয়ায় গত ৬ মার্চ থেকে দেশে তেল বিক্রিতে সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছিল।
এর ফলে ফিলিং স্টেশনগুলোতে দীর্ঘ লাইন এবং সাধারণ মানুষের ভোগান্তি তৈরি হয়। সামনে
ঈদযাত্রা এবং বর্তমানে সেচ মৌসুম চলায় ডিজেলের ব্যাপক চাহিদার কথা বিবেচনা
করে সরকার এই রেশনিং তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, “আজ থেকে জ্বালানি তেল বিক্রিতে আর কোনো
রেশনিং থাকছে না। সবাই চাহিদামতো তেল কিনতে পারবেন। সংকট মোকাবিলায় বন্ধুরাষ্ট্রসহ
বিভিন্ন দেশের সঙ্গে আলোচনা চলছে।”
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) সূত্রে জানা গেছে,
চলতি মাসে জ্বালানি তেল নিয়ে মোট ১৮টি জাহাজ আসার কথা রয়েছে। এর মধ্যে:
বর্তমানে মজুতের পরিমাণ:
প্রতিমন্ত্রী জানান, আগামী জুন মাস পর্যন্ত পরিশোধিত জ্বালানি
কেনার চুক্তি থাকলেও সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলো অনেক সময় সংকটে পড়ে। তাই সরাসরি সরকারি
পর্যায়ে (জিটুজি) বা উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে তেল কেনার প্রস্তুতি রাখা হয়েছে। বিশেষ
করে অতিরিক্ত জ্বালানি সরবরাহের জন্য ইতিমধ্যে ভারতকে চিঠি দেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন