জাতীয় সংসদ অধিবেশনে স্কুল ভর্তিতে লটারি পদ্ধতির তীব্র সমালোচনা করেছেন কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ। তাঁর প্রশ্নের পরিপ্রেক্ষিতে বর্তমান ভর্তি পদ্ধতি বাতিলের স্পষ্ট আভাস দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
রোববার
বেলা ১১টায় স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন
আহমদের সভাপতিত্বে শুরু হওয়া সংসদ
অধিবেশনে এই আলোচনা হয়।
সংসদ
সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ লটারি পদ্ধতির বিরোধিতা করে বলেন, বর্তমানে
প্রাথমিক শিক্ষায় মেধার পরিবর্তে লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হচ্ছে। এর
ফলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষার মান উল্লেখযোগ্য হারে
কমে গেছে।
মানসম্মত
প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত না হওয়ায় উচ্চশিক্ষার
ক্ষেত্রেও যোগ্য ও মেধাবী শিক্ষার্থী
পাওয়া যাচ্ছে না বলে তিনি
ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
তিনি
প্রশ্ন তোলেন, এভাবে লটারির মাধ্যমে ভর্তি করিয়ে মেধাকে আর কতদিন দমিয়ে
রাখা হবে। পাশাপাশি দেশে
প্রচলিত তিন ধারার শিক্ষা
ব্যবস্থার বৈষম্য নিয়েও তিনি উদ্বেগ প্রকাশ
করেন।
হাসনাত
আবদুল্লাহর প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম
এহছানুল হক মিলন বলেন,
বিগত সরকারের প্রবর্তিত লটারি সিস্টেম মোটেও যুক্তিসঙ্গত নয়। বিশেষ করে
ঢাকা ও বড় শহরগুলোতে
প্রাথমিক স্তরে ভর্তির জটিলতা নিরসনের নামে এই পদ্ধতি
চালু করা হয়েছিল। গ্রামীণ
জনপদে ভর্তি নিয়ে তেমন প্রতিযোগিতা
না থাকলেও শহরাঞ্চলে এটি বড় সমস্যা
হয়ে দাঁড়িয়েছে।
মন্ত্রী
আরও জানান, বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থায় ভর্তি প্রক্রিয়া কীভাবে পরিচালিত হবে তা নিয়ে
সরকার নতুন করে ভাবছে।
আগামী ২০২৭ সালের জানুয়ারি
সেশনের ভর্তি প্রক্রিয়ার আগে অভিভাবকসহ সংশ্লিষ্ট
সকল স্টেকহোল্ডারদের নিয়ে সেমিনার ও
সিম্পোজিয়াম করা হবে। সেখানে
সংসদ সদস্যদের অভিমত ও জনমত যাচাই
করে লটারি পদ্ধতির বিকল্প বা নতুন কোনো
পদ্ধতি চালুর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
শিক্ষামন্ত্রী
আশা প্রকাশ করেন, দেশের সামগ্রিক শিক্ষার মানোন্নয়নে এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি
সংসদে বিস্তারিত আলোচনার প্রয়োজন রয়েছে।

সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ মার্চ ২০২৬
জাতীয় সংসদ অধিবেশনে স্কুল ভর্তিতে লটারি পদ্ধতির তীব্র সমালোচনা করেছেন কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ। তাঁর প্রশ্নের পরিপ্রেক্ষিতে বর্তমান ভর্তি পদ্ধতি বাতিলের স্পষ্ট আভাস দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
রোববার
বেলা ১১টায় স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন
আহমদের সভাপতিত্বে শুরু হওয়া সংসদ
অধিবেশনে এই আলোচনা হয়।
সংসদ
সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ লটারি পদ্ধতির বিরোধিতা করে বলেন, বর্তমানে
প্রাথমিক শিক্ষায় মেধার পরিবর্তে লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হচ্ছে। এর
ফলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষার মান উল্লেখযোগ্য হারে
কমে গেছে।
মানসম্মত
প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত না হওয়ায় উচ্চশিক্ষার
ক্ষেত্রেও যোগ্য ও মেধাবী শিক্ষার্থী
পাওয়া যাচ্ছে না বলে তিনি
ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
তিনি
প্রশ্ন তোলেন, এভাবে লটারির মাধ্যমে ভর্তি করিয়ে মেধাকে আর কতদিন দমিয়ে
রাখা হবে। পাশাপাশি দেশে
প্রচলিত তিন ধারার শিক্ষা
ব্যবস্থার বৈষম্য নিয়েও তিনি উদ্বেগ প্রকাশ
করেন।
হাসনাত
আবদুল্লাহর প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম
এহছানুল হক মিলন বলেন,
বিগত সরকারের প্রবর্তিত লটারি সিস্টেম মোটেও যুক্তিসঙ্গত নয়। বিশেষ করে
ঢাকা ও বড় শহরগুলোতে
প্রাথমিক স্তরে ভর্তির জটিলতা নিরসনের নামে এই পদ্ধতি
চালু করা হয়েছিল। গ্রামীণ
জনপদে ভর্তি নিয়ে তেমন প্রতিযোগিতা
না থাকলেও শহরাঞ্চলে এটি বড় সমস্যা
হয়ে দাঁড়িয়েছে।
মন্ত্রী
আরও জানান, বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থায় ভর্তি প্রক্রিয়া কীভাবে পরিচালিত হবে তা নিয়ে
সরকার নতুন করে ভাবছে।
আগামী ২০২৭ সালের জানুয়ারি
সেশনের ভর্তি প্রক্রিয়ার আগে অভিভাবকসহ সংশ্লিষ্ট
সকল স্টেকহোল্ডারদের নিয়ে সেমিনার ও
সিম্পোজিয়াম করা হবে। সেখানে
সংসদ সদস্যদের অভিমত ও জনমত যাচাই
করে লটারি পদ্ধতির বিকল্প বা নতুন কোনো
পদ্ধতি চালুর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
শিক্ষামন্ত্রী
আশা প্রকাশ করেন, দেশের সামগ্রিক শিক্ষার মানোন্নয়নে এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি
সংসদে বিস্তারিত আলোচনার প্রয়োজন রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন