ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের দ্বিতীয় দিনে আজ এক উত্তপ্ত বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। সংসদ নির্বাচনের ফল ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদে’র সভা কেন আহ্বান করা হয়নি, সে বিষয়ে সরকারের কাছে ব্যাখ্যা চেয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।
রোববার (১৫ মার্চ) অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশের মাধ্যমে
আসা ‘জুলাই সনদ’ ও ‘গণভোট’ আদেশের প্রসঙ্গ টেনে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “সংবিধানের
৭২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শক্রমে যেভাবে সংসদ অধিবেশন আহ্বান করা হয়েছে,
ঠিক সেভাবেই নির্বাচনের ৩০ দিনের মধ্যে সংবিধান সংস্কার পরিষদের সভা ডাকার কথা ছিল।
কিন্তু নির্ধারিত সময় পার হলেও তা করা হয়নি। কেন এই বিলম্ব, তা দেশবাসীকে জানানো প্রয়োজন।”
জামায়াত আমিরের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন
আহমদ আইনি ও সাংবিধানিক সীমাবদ্ধতার কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, সংবিধান পরিবর্তন করার কোনো অধ্যাদেশ রাষ্ট্রপতি
জারি করতে পারেন না। তাই জুলাই সনদ বাস্তবায়নের আদেশটি আদৌ আইন কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন
রয়েছে। সংবিধানে নেই এমন কোনো বিষয়ে আর্টিকেল ৭২ অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী পরামর্শ দিতে
পারেন না। সংবিধান সংস্কার পরিষদ ও গণভোটের কিছু বিষয় বর্তমানে আদালতে চ্যালেঞ্জ করা
হয়েছে। সংসদ এমন কোনো আইন পাস করতে চায় না, যা পরে আইনি জটিলতায় পড়ে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও যোগ করেন, “জুলাই সনদ একটি রাজনৈতিক
সমঝোতার দলিল এবং এর ওপর জনগণের মতামত নিতেই গণভোট হয়েছিল। তবে গণভোটের প্রক্রিয়া নিয়েও
প্রশ্ন আছে। সামগ্রিকভাবে এই বিষয়টি আগে সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে আসতে হবে। সংবিধান
একে ধারণ করলেই কেবল তা নিয়ে আলোচনা সম্ভব।”

সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ মার্চ ২০২৬
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের দ্বিতীয় দিনে আজ এক উত্তপ্ত বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। সংসদ নির্বাচনের ফল ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদে’র সভা কেন আহ্বান করা হয়নি, সে বিষয়ে সরকারের কাছে ব্যাখ্যা চেয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।
রোববার (১৫ মার্চ) অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশের মাধ্যমে
আসা ‘জুলাই সনদ’ ও ‘গণভোট’ আদেশের প্রসঙ্গ টেনে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “সংবিধানের
৭২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শক্রমে যেভাবে সংসদ অধিবেশন আহ্বান করা হয়েছে,
ঠিক সেভাবেই নির্বাচনের ৩০ দিনের মধ্যে সংবিধান সংস্কার পরিষদের সভা ডাকার কথা ছিল।
কিন্তু নির্ধারিত সময় পার হলেও তা করা হয়নি। কেন এই বিলম্ব, তা দেশবাসীকে জানানো প্রয়োজন।”
জামায়াত আমিরের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন
আহমদ আইনি ও সাংবিধানিক সীমাবদ্ধতার কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, সংবিধান পরিবর্তন করার কোনো অধ্যাদেশ রাষ্ট্রপতি
জারি করতে পারেন না। তাই জুলাই সনদ বাস্তবায়নের আদেশটি আদৌ আইন কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন
রয়েছে। সংবিধানে নেই এমন কোনো বিষয়ে আর্টিকেল ৭২ অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী পরামর্শ দিতে
পারেন না। সংবিধান সংস্কার পরিষদ ও গণভোটের কিছু বিষয় বর্তমানে আদালতে চ্যালেঞ্জ করা
হয়েছে। সংসদ এমন কোনো আইন পাস করতে চায় না, যা পরে আইনি জটিলতায় পড়ে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও যোগ করেন, “জুলাই সনদ একটি রাজনৈতিক
সমঝোতার দলিল এবং এর ওপর জনগণের মতামত নিতেই গণভোট হয়েছিল। তবে গণভোটের প্রক্রিয়া নিয়েও
প্রশ্ন আছে। সামগ্রিকভাবে এই বিষয়টি আগে সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে আসতে হবে। সংবিধান
একে ধারণ করলেই কেবল তা নিয়ে আলোচনা সম্ভব।”

আপনার মতামত লিখুন