সুন্দরবনের বাঘের আক্রমণে স্বামী হারানো নারীদের জন্য বিশেষ ‘বাঘ বিধবা’ ভাতা চালুর দাবি উঠেছে জাতীয় সংসদে।
রোববার
জাতীয় সংসদ অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর
পর্বে সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ
সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম
এই দাবি উত্থাপন করেন।
স্পিকার
মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন
আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই অধিবেশনে সমাজকল্যাণ
প্রতিমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে তিনি উপকূলীয়
অঞ্চলের এ সব অসহায় নারীদের
অধিকার ও সুযোগ-সুবিধার
কথা তুলে ধরেন।
সংসদ
সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম
তার বক্তব্যে বলেন, উপকূলীয় এলাকার প্রায় ৩০ থেকে ৪০
শতাংশ মানুষ সুন্দরবনের ওপর নির্ভর করে
জীবিকা নির্বাহ করেন। বন থেকে সম্পদ
আহরণের মাধ্যমে তারা যেমন উপকৃত
হন, তেমনি সরকারও বিপুল পরিমাণ রাজস্ব পেয়ে থাকে। তবে
জীবিকার সন্ধানে বনে গিয়ে অনেক
সময় পুরুষরা বাঘের আক্রমণের শিকার হন। পরিবারের একমাত্র
উপার্জনক্ষম ব্যক্তিকে হারিয়ে তাদের স্ত্রীরা চরম সংকটে পড়েন,
যারা স্থানীয়ভাবে ‘বাঘ বিধবা’ হিসেবে
পরিচিত। এই নারীদের জীবনসংগ্রাম
অত্যন্ত মানবেতর।
অধিবেশনে
তিনি আরও জানান, অতীতে
বাঘ-বিধবা ও তাদের সন্তানদের
জন্য বিশেষ প্রতিষ্ঠান তৈরির একটি পরিকল্পনা নেওয়া
হয়েছিল। সেই সময়ে জমি
অধিগ্রহণসহ প্রাথমিক কিছু কাজ সম্পন্ন
হলেও পরবর্তী সময়ে সেই প্রকল্প
আর আলোর মুখ দেখেনি।
বাঘ বিধবাদের সন্তানদের পড়াশোনা ও তাদের কর্মসংস্থানের
সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে সেই পরিকল্পনাটি পুনরায়
সক্রিয় করা অত্যন্ত জরুরি।
গাজী
নজরুল ইসলাম বর্তমান সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রীর কাছে উপকূলীয় অঞ্চলের
এই অসহায় নারীদের জন্য আলাদা ভাতার
ব্যবস্থা করার অনুরোধ জানান।
একইসঙ্গে
ঝুলে থাকা সেই প্রতিষ্ঠানটি
নির্মাণের কাজ দ্রুত বাস্তবায়ন
করার দাবি তুলে ধরেন,
যাতে বাঘ-বিধবা ও
তাদের পরিবার স্থায়ীভাবে মাথা গোঁজার ঠাঁই
এবং জীবনধারণের সঠিক পথ খুঁজে
পায়।

সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ মার্চ ২০২৬
সুন্দরবনের বাঘের আক্রমণে স্বামী হারানো নারীদের জন্য বিশেষ ‘বাঘ বিধবা’ ভাতা চালুর দাবি উঠেছে জাতীয় সংসদে।
রোববার
জাতীয় সংসদ অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর
পর্বে সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ
সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম
এই দাবি উত্থাপন করেন।
স্পিকার
মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন
আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই অধিবেশনে সমাজকল্যাণ
প্রতিমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে তিনি উপকূলীয়
অঞ্চলের এ সব অসহায় নারীদের
অধিকার ও সুযোগ-সুবিধার
কথা তুলে ধরেন।
সংসদ
সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম
তার বক্তব্যে বলেন, উপকূলীয় এলাকার প্রায় ৩০ থেকে ৪০
শতাংশ মানুষ সুন্দরবনের ওপর নির্ভর করে
জীবিকা নির্বাহ করেন। বন থেকে সম্পদ
আহরণের মাধ্যমে তারা যেমন উপকৃত
হন, তেমনি সরকারও বিপুল পরিমাণ রাজস্ব পেয়ে থাকে। তবে
জীবিকার সন্ধানে বনে গিয়ে অনেক
সময় পুরুষরা বাঘের আক্রমণের শিকার হন। পরিবারের একমাত্র
উপার্জনক্ষম ব্যক্তিকে হারিয়ে তাদের স্ত্রীরা চরম সংকটে পড়েন,
যারা স্থানীয়ভাবে ‘বাঘ বিধবা’ হিসেবে
পরিচিত। এই নারীদের জীবনসংগ্রাম
অত্যন্ত মানবেতর।
অধিবেশনে
তিনি আরও জানান, অতীতে
বাঘ-বিধবা ও তাদের সন্তানদের
জন্য বিশেষ প্রতিষ্ঠান তৈরির একটি পরিকল্পনা নেওয়া
হয়েছিল। সেই সময়ে জমি
অধিগ্রহণসহ প্রাথমিক কিছু কাজ সম্পন্ন
হলেও পরবর্তী সময়ে সেই প্রকল্প
আর আলোর মুখ দেখেনি।
বাঘ বিধবাদের সন্তানদের পড়াশোনা ও তাদের কর্মসংস্থানের
সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে সেই পরিকল্পনাটি পুনরায়
সক্রিয় করা অত্যন্ত জরুরি।
গাজী
নজরুল ইসলাম বর্তমান সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রীর কাছে উপকূলীয় অঞ্চলের
এই অসহায় নারীদের জন্য আলাদা ভাতার
ব্যবস্থা করার অনুরোধ জানান।
একইসঙ্গে
ঝুলে থাকা সেই প্রতিষ্ঠানটি
নির্মাণের কাজ দ্রুত বাস্তবায়ন
করার দাবি তুলে ধরেন,
যাতে বাঘ-বিধবা ও
তাদের পরিবার স্থায়ীভাবে মাথা গোঁজার ঠাঁই
এবং জীবনধারণের সঠিক পথ খুঁজে
পায়।

আপনার মতামত লিখুন