জাতীয় সংসদে আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে সরকারি ভাতাপ্রাপ্তদের তথ্য যাচাই ও তদন্তের জোরালো দাবি জানানো হয়েছে।
রোববার
জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে কুষ্টিয়া-১ আসনের সংসদ
সদস্য রেজা আহমেদ এই
দাবি উত্থাপন করেন।
তিনি
অভিযোগ করেন, গত ফ্যাসিস্ট সরকারের
আমলে শুধুমাত্র আওয়ামী লীগ সমর্থিত পরিবারগুলোই
সরকারের নানা সুযোগ-সুবিধা
ও ভাতা পেয়েছে।
অন্যদিকে,
প্রকৃত দুস্থ ও যোগ্য হওয়া
সত্ত্বেও রাজনৈতিক ভিন্নমতের কারণে অনেক পরিবার এ
সব সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়েছে।
অধিবেশনে
সংসদ সদস্য রেজা আহমেদ বলেন,
বিগত সময়ে সরকারি ভাতা
বিতরণে চরম অনিয়ম ও
রাজনীতিকরণ করা হয়েছে। ২০০৮
সালে বিএনপি সমর্থিত জনপ্রতিনিধিরা নির্বাচিত হলেও আওয়ামী লীগ
সরকার তাদের মাধ্যমে ভাতা বিতরণে বাধা
সৃষ্টি করেছিল। পরিবর্তে তৎকালীন সংসদ সদস্যরা দলীয়
নেতাকর্মীদের ব্যবহার করে নিজেদের অনুসারীদের
মাঝে এ সব সুবিধা বণ্টন
করেছেন।
এই পরিস্থিতিতে অতীতে প্রকৃত দুস্থরা ভাতা পেয়েছে কি
না তা তদন্ত করার
পাশাপাশি ভবিষ্যতে ভাতার পরিমাণ বাড়ানো হবে কি না,
সে বিষয়ে তিনি সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রীর
দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
জবাবে
সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন পুতুল স্বীকার করেন, ভাতা বিতরণ পর্যায়ে
নানা অনিয়ম ও অর্থ লেনদেনের
অভিযোগ সরকারের কাছেও এসেছে, যা একটি বড়
ধরনের দুর্নীতি।
তিনি
সংসদকে আশ্বস্ত করে বলেন, যারা
প্রকৃতপক্ষে ভাতার যোগ্য, তারাই এখন থেকে এই
সুবিধা পাবেন। পুরো তালিকাটি পুনরায়
যাচাই-বাছাই বা 'রিশাফলিং' করার
উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে যাতে স্বচ্ছতা নিশ্চিত
করা যায়।
প্রতিমন্ত্রী
আরও জানান, সরকার বর্তমানে সব সুবিধাভোগীকে একটি
সমন্বিত ব্যবস্থার আওতায় আনতে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি চালু করেছে। দেশের
বর্তমান ভঙ্গুর অর্থনৈতিক অবস্থা কাটিয়ে উঠে সাধারণ মানুষকে
শক্তিশালী অবস্থানে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যেই
সরকার কাজ করছে।
স্বচ্ছতার
ভিত্তিতে প্রকৃত অভাবী মানুষের কাছে সরকারি সুবিধা
পৌঁছে দিতে সরকার বদ্ধপরিকর
বলে তিনি অধিবেশনে উল্লেখ
করেন।

সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ মার্চ ২০২৬
জাতীয় সংসদে আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে সরকারি ভাতাপ্রাপ্তদের তথ্য যাচাই ও তদন্তের জোরালো দাবি জানানো হয়েছে।
রোববার
জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে কুষ্টিয়া-১ আসনের সংসদ
সদস্য রেজা আহমেদ এই
দাবি উত্থাপন করেন।
তিনি
অভিযোগ করেন, গত ফ্যাসিস্ট সরকারের
আমলে শুধুমাত্র আওয়ামী লীগ সমর্থিত পরিবারগুলোই
সরকারের নানা সুযোগ-সুবিধা
ও ভাতা পেয়েছে।
অন্যদিকে,
প্রকৃত দুস্থ ও যোগ্য হওয়া
সত্ত্বেও রাজনৈতিক ভিন্নমতের কারণে অনেক পরিবার এ
সব সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়েছে।
অধিবেশনে
সংসদ সদস্য রেজা আহমেদ বলেন,
বিগত সময়ে সরকারি ভাতা
বিতরণে চরম অনিয়ম ও
রাজনীতিকরণ করা হয়েছে। ২০০৮
সালে বিএনপি সমর্থিত জনপ্রতিনিধিরা নির্বাচিত হলেও আওয়ামী লীগ
সরকার তাদের মাধ্যমে ভাতা বিতরণে বাধা
সৃষ্টি করেছিল। পরিবর্তে তৎকালীন সংসদ সদস্যরা দলীয়
নেতাকর্মীদের ব্যবহার করে নিজেদের অনুসারীদের
মাঝে এ সব সুবিধা বণ্টন
করেছেন।
এই পরিস্থিতিতে অতীতে প্রকৃত দুস্থরা ভাতা পেয়েছে কি
না তা তদন্ত করার
পাশাপাশি ভবিষ্যতে ভাতার পরিমাণ বাড়ানো হবে কি না,
সে বিষয়ে তিনি সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রীর
দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
জবাবে
সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন পুতুল স্বীকার করেন, ভাতা বিতরণ পর্যায়ে
নানা অনিয়ম ও অর্থ লেনদেনের
অভিযোগ সরকারের কাছেও এসেছে, যা একটি বড়
ধরনের দুর্নীতি।
তিনি
সংসদকে আশ্বস্ত করে বলেন, যারা
প্রকৃতপক্ষে ভাতার যোগ্য, তারাই এখন থেকে এই
সুবিধা পাবেন। পুরো তালিকাটি পুনরায়
যাচাই-বাছাই বা 'রিশাফলিং' করার
উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে যাতে স্বচ্ছতা নিশ্চিত
করা যায়।
প্রতিমন্ত্রী
আরও জানান, সরকার বর্তমানে সব সুবিধাভোগীকে একটি
সমন্বিত ব্যবস্থার আওতায় আনতে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি চালু করেছে। দেশের
বর্তমান ভঙ্গুর অর্থনৈতিক অবস্থা কাটিয়ে উঠে সাধারণ মানুষকে
শক্তিশালী অবস্থানে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যেই
সরকার কাজ করছে।
স্বচ্ছতার
ভিত্তিতে প্রকৃত অভাবী মানুষের কাছে সরকারি সুবিধা
পৌঁছে দিতে সরকার বদ্ধপরিকর
বলে তিনি অধিবেশনে উল্লেখ
করেন।

আপনার মতামত লিখুন