মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়ার পর প্রথম কার্যদিবসেই এক ‘ব্যতিক্রমী নজির’ স্থাপন করেছেন নবনিযুক্ত মন্ত্রী আহমেদ আযম খান।
রোববার
রাজধানীর পরিবহন পুল ভবনে নিজ
দপ্তরে প্রথমবার আসার পর কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তাকে ফুল দিয়ে
বরণ করে নিতে চাইলে
তিনি তা ‘বিনয়ের’ সঙ্গে
ফিরিয়ে দেন।
মন্ত্রণালয়ের
পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে,
‘আড়ম্বরপূর্ণ আনুষ্ঠানিকতা’ এড়িয়ে চলতেই তিনি এই সিদ্ধান্ত
নিয়েছেন।
দায়িত্ব
গ্রহণের প্রথম দিনেই কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় যোগ দেন
মন্ত্রী। এ সময় তিনি ফুল গ্রহণ
না করার কারণ ব্যাখ্যা
করে বলেন, প্রধানমন্ত্রী চান না আনুষ্ঠানিকতার
নামে কোনো ধরনের অপ্রয়োজনীয়
অর্থ ব্যয় করা হোক।
তিনি
বিভিন্ন সমীক্ষার তথ্য উল্লেখ করে
জানান, দেশে শুধুমাত্র আনুষ্ঠানিকতার
পেছনে বছরে প্রায় ১৮
কোটি টাকার ফুল ব্যবহৃত হয়,
যা আদতে একটি বিলাসী
ও অপ্রয়োজনীয় ব্যয়।
সরকারি
অর্থ সাশ্রয় এবং কার্যকর দৃষ্টান্ত
স্থাপনের লক্ষ্যেই তিনি এমন সিদ্ধান্ত
নিয়েছেন বলে কর্মকর্তাদের আশ্বস্ত
করেন।
মতবিনিময়
সভায় আহমেদ আযম খান আরও
বলেন, মুক্তিযুদ্ধ বাংলাদেশের হাজার বছরের ইতিহাসে সবচেয়ে গৌরবময় এবং শ্রেষ্ঠ অর্জন।
এটি কেবল একটি ঐতিহাসিক
ঘটনা নয়, বরং জাতির
আত্মপরিচয়ের প্রতীক। তাই মুক্তিযুদ্ধের চেতনা
ও আদর্শকে সমুন্নত রেখেই এই মন্ত্রণালয়ের যাবতীয়
কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।
তিনি
অভিজ্ঞ কর্মকর্তাদের সহযোগিতা নিয়ে মন্ত্রণালয়ের কাজের
গতি আরও ত্বরান্বিত করার
প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
উল্লেখ্য,
সাবেক মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন
আহমদ (বীর বিক্রম) স্পিকার
হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার পর গত ১২
মার্চ টাঙ্গাইল-৮ আসনের সংসদ
সদস্য আহমেদ আযম খান নতুন
মন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন।
রোববার
দপ্তরে যোগদানের সময় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক
মন্ত্রণালয়ের সচিব ইসরাত চৌধুরীসহ
ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় কর্মকর্তারা নতুন মন্ত্রীকে মন্ত্রণালয়ের
কাজ বাস্তবায়নে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন।

সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ মার্চ ২০২৬
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়ার পর প্রথম কার্যদিবসেই এক ‘ব্যতিক্রমী নজির’ স্থাপন করেছেন নবনিযুক্ত মন্ত্রী আহমেদ আযম খান।
রোববার
রাজধানীর পরিবহন পুল ভবনে নিজ
দপ্তরে প্রথমবার আসার পর কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তাকে ফুল দিয়ে
বরণ করে নিতে চাইলে
তিনি তা ‘বিনয়ের’ সঙ্গে
ফিরিয়ে দেন।
মন্ত্রণালয়ের
পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে,
‘আড়ম্বরপূর্ণ আনুষ্ঠানিকতা’ এড়িয়ে চলতেই তিনি এই সিদ্ধান্ত
নিয়েছেন।
দায়িত্ব
গ্রহণের প্রথম দিনেই কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় যোগ দেন
মন্ত্রী। এ সময় তিনি ফুল গ্রহণ
না করার কারণ ব্যাখ্যা
করে বলেন, প্রধানমন্ত্রী চান না আনুষ্ঠানিকতার
নামে কোনো ধরনের অপ্রয়োজনীয়
অর্থ ব্যয় করা হোক।
তিনি
বিভিন্ন সমীক্ষার তথ্য উল্লেখ করে
জানান, দেশে শুধুমাত্র আনুষ্ঠানিকতার
পেছনে বছরে প্রায় ১৮
কোটি টাকার ফুল ব্যবহৃত হয়,
যা আদতে একটি বিলাসী
ও অপ্রয়োজনীয় ব্যয়।
সরকারি
অর্থ সাশ্রয় এবং কার্যকর দৃষ্টান্ত
স্থাপনের লক্ষ্যেই তিনি এমন সিদ্ধান্ত
নিয়েছেন বলে কর্মকর্তাদের আশ্বস্ত
করেন।
মতবিনিময়
সভায় আহমেদ আযম খান আরও
বলেন, মুক্তিযুদ্ধ বাংলাদেশের হাজার বছরের ইতিহাসে সবচেয়ে গৌরবময় এবং শ্রেষ্ঠ অর্জন।
এটি কেবল একটি ঐতিহাসিক
ঘটনা নয়, বরং জাতির
আত্মপরিচয়ের প্রতীক। তাই মুক্তিযুদ্ধের চেতনা
ও আদর্শকে সমুন্নত রেখেই এই মন্ত্রণালয়ের যাবতীয়
কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।
তিনি
অভিজ্ঞ কর্মকর্তাদের সহযোগিতা নিয়ে মন্ত্রণালয়ের কাজের
গতি আরও ত্বরান্বিত করার
প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
উল্লেখ্য,
সাবেক মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন
আহমদ (বীর বিক্রম) স্পিকার
হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার পর গত ১২
মার্চ টাঙ্গাইল-৮ আসনের সংসদ
সদস্য আহমেদ আযম খান নতুন
মন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন।
রোববার
দপ্তরে যোগদানের সময় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক
মন্ত্রণালয়ের সচিব ইসরাত চৌধুরীসহ
ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় কর্মকর্তারা নতুন মন্ত্রীকে মন্ত্রণালয়ের
কাজ বাস্তবায়নে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন।

আপনার মতামত লিখুন