মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে আজ মুখোমুখি হচ্ছে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান। প্রথম ম্যাচে নাহিদ রানার গতির ঝড়ে দাপুটে জয় পেলেও দ্বিতীয় ম্যাচে ব্যাটিং বিপর্যয়ে বড় হার দেখেছে টাইগাররা।
ফলে
তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ এখন ১-১
সমতায়। আজ দুপুর ২টা
১৫ মিনিটে শুরু হতে যাওয়া
এই ম্যাচটি তাই দুদলের জন্যই
ট্রফি জয়ের লড়াই। তবে
বাংলাদেশের জন্য এই ম্যাচের
গুরুত্ব কেবল সিরিজ জয়ের
মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই; বরং র্যাঙ্কিংয়ের
হিসাব-নিকাশেও আজকের দিনটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
বাংলাদেশি
ক্রিকেট সমর্থকদের জন্য আশার কথা
হলো হোম কন্ডিশনে সিরিজ
নির্ধারণী ম্যাচে টাইগারদের ঘুরে দাঁড়ানোর দারুণ
রেকর্ড রয়েছে।
২০১৫
সাল পরবর্তী পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়,
বাংলাদেশ অন্তত ছয়টি দ্বিপাক্ষিক সিরিজ
জিতেছে যেখানে তারা দ্বিতীয় ম্যাচে
পরাজিত হয়েছিল। এমনকি সর্বশেষ ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজেও দ্বিতীয় ম্যাচে হারের ধাক্কা সামলে শেষ ম্যাচে ট্রফি
নিজেদের করে নিয়েছিল মিরাজরা।
মিরপুরের চেনা উইকেটে সেই
ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ঘটিয়ে সিরিজ নিজেদের করে নিতে বদ্ধপরিকর
টিম বাংলাদেশ।
ম্যাচটির
ফলাফলের ওপর নির্ভর করছে
২০২৭ বিশ্বকাপে সরাসরি অংশগ্রহণের সমীকরণ। বর্তমানে ৭৬ রেটিং পয়েন্ট
নিয়ে আইসিসি ওয়ানডে র্যাঙ্কিংয়ের ১০ নম্বরে অবস্থান
করছে বাংলাদেশ। আজ পাকিস্তানকে হারাতে
পারলে আরও ৩ রেটিং
পয়েন্ট যোগ হবে টাইগারদের
ঝুলিতে, যার ফলে আফগানিস্তানকে
টপকে র্যাঙ্কিংয়ের ৯ নম্বরে উঠে
আসবে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।
আগামী
বছরের মার্চের মধ্যে শীর্ষ আটে থাকতে পারলে
কোনো বাছাইপর্ব ছাড়াই সরাসরি বিশ্বকাপের মূল পর্বে খেলার
সুযোগ পাবে বাংলাদেশ, যা
আজকের ম্যাচটিকে আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ
করে তুলেছে।
গত ম্যাচের গ্লানি ভুলে আজ ব্যাটসম্যানদের
বাড়তি দায়িত্ব নিতে হবে। স্পিন
কোচ মুশতাক আহমেদ ও অধিনায়ক মেহেদী
হাসান মিরাজ উভয়েই স্বীকার করেছেন যে, দ্বিতীয় ওয়ানডেতে
ব্যাটিংয়ের দুর্বলতা ও শট সিলেকশনের
ভুলেই পরাজয় নিশ্চিত হয়েছিল।
বিশেষ
করে টপ অর্ডার ও
মিডল অর্ডারকে আজ ইনিংস মেরামতের
পাশাপাশি রানের গতি সচল রাখতে
হবে। ২৪৩ রানের লক্ষ্য
তাড়া করতে নেমে দায়িত্বজ্ঞানহীন
ব্যাটিংয়ের যে মহড়া গত
ম্যাচে দেখা গেছে, তা
থেকে শিক্ষা নিয়ে আজ ঘুরে
দাঁড়াতে চায় স্বাগতিকরা।
গুরুত্বপূর্ণ
এই লড়াইয়ে বাংলাদেশের একাদশে বেশ কিছু পরিবর্তনের
আভাস পাওয়া যাচ্ছে। ওপেনিং বা মিডল অর্ডারকে
শক্তিশালী করতে আজ একাদশে
ফিরতে পারেন সৌম্য সরকার। সেক্ষেত্রে গত ম্যাচে প্রত্যাশা
পূরণে ব্যর্থ হওয়া আফিফ হোসেন
বাদ পড়তে পারেন।
অন্যদিকে
পেস আক্রমণে বৈচিত্র্য আনতে তাসকিন আহমেদের
পরিবর্তে ফেরানো হতে পারে শরিফুল
ইসলামকে। সব মিলিয়ে একটি
ভারসাম্যপূর্ণ দল নিয়ে ট্রফি
জয়ের মিশনে মাঠে নামছে চন্ডিকা
হাথুরুসিংহের শিষ্যরা।

সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ মার্চ ২০২৬
মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে আজ মুখোমুখি হচ্ছে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান। প্রথম ম্যাচে নাহিদ রানার গতির ঝড়ে দাপুটে জয় পেলেও দ্বিতীয় ম্যাচে ব্যাটিং বিপর্যয়ে বড় হার দেখেছে টাইগাররা।
ফলে
তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ এখন ১-১
সমতায়। আজ দুপুর ২টা
১৫ মিনিটে শুরু হতে যাওয়া
এই ম্যাচটি তাই দুদলের জন্যই
ট্রফি জয়ের লড়াই। তবে
বাংলাদেশের জন্য এই ম্যাচের
গুরুত্ব কেবল সিরিজ জয়ের
মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই; বরং র্যাঙ্কিংয়ের
হিসাব-নিকাশেও আজকের দিনটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
বাংলাদেশি
ক্রিকেট সমর্থকদের জন্য আশার কথা
হলো হোম কন্ডিশনে সিরিজ
নির্ধারণী ম্যাচে টাইগারদের ঘুরে দাঁড়ানোর দারুণ
রেকর্ড রয়েছে।
২০১৫
সাল পরবর্তী পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়,
বাংলাদেশ অন্তত ছয়টি দ্বিপাক্ষিক সিরিজ
জিতেছে যেখানে তারা দ্বিতীয় ম্যাচে
পরাজিত হয়েছিল। এমনকি সর্বশেষ ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজেও দ্বিতীয় ম্যাচে হারের ধাক্কা সামলে শেষ ম্যাচে ট্রফি
নিজেদের করে নিয়েছিল মিরাজরা।
মিরপুরের চেনা উইকেটে সেই
ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ঘটিয়ে সিরিজ নিজেদের করে নিতে বদ্ধপরিকর
টিম বাংলাদেশ।
ম্যাচটির
ফলাফলের ওপর নির্ভর করছে
২০২৭ বিশ্বকাপে সরাসরি অংশগ্রহণের সমীকরণ। বর্তমানে ৭৬ রেটিং পয়েন্ট
নিয়ে আইসিসি ওয়ানডে র্যাঙ্কিংয়ের ১০ নম্বরে অবস্থান
করছে বাংলাদেশ। আজ পাকিস্তানকে হারাতে
পারলে আরও ৩ রেটিং
পয়েন্ট যোগ হবে টাইগারদের
ঝুলিতে, যার ফলে আফগানিস্তানকে
টপকে র্যাঙ্কিংয়ের ৯ নম্বরে উঠে
আসবে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।
আগামী
বছরের মার্চের মধ্যে শীর্ষ আটে থাকতে পারলে
কোনো বাছাইপর্ব ছাড়াই সরাসরি বিশ্বকাপের মূল পর্বে খেলার
সুযোগ পাবে বাংলাদেশ, যা
আজকের ম্যাচটিকে আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ
করে তুলেছে।
গত ম্যাচের গ্লানি ভুলে আজ ব্যাটসম্যানদের
বাড়তি দায়িত্ব নিতে হবে। স্পিন
কোচ মুশতাক আহমেদ ও অধিনায়ক মেহেদী
হাসান মিরাজ উভয়েই স্বীকার করেছেন যে, দ্বিতীয় ওয়ানডেতে
ব্যাটিংয়ের দুর্বলতা ও শট সিলেকশনের
ভুলেই পরাজয় নিশ্চিত হয়েছিল।
বিশেষ
করে টপ অর্ডার ও
মিডল অর্ডারকে আজ ইনিংস মেরামতের
পাশাপাশি রানের গতি সচল রাখতে
হবে। ২৪৩ রানের লক্ষ্য
তাড়া করতে নেমে দায়িত্বজ্ঞানহীন
ব্যাটিংয়ের যে মহড়া গত
ম্যাচে দেখা গেছে, তা
থেকে শিক্ষা নিয়ে আজ ঘুরে
দাঁড়াতে চায় স্বাগতিকরা।
গুরুত্বপূর্ণ
এই লড়াইয়ে বাংলাদেশের একাদশে বেশ কিছু পরিবর্তনের
আভাস পাওয়া যাচ্ছে। ওপেনিং বা মিডল অর্ডারকে
শক্তিশালী করতে আজ একাদশে
ফিরতে পারেন সৌম্য সরকার। সেক্ষেত্রে গত ম্যাচে প্রত্যাশা
পূরণে ব্যর্থ হওয়া আফিফ হোসেন
বাদ পড়তে পারেন।
অন্যদিকে
পেস আক্রমণে বৈচিত্র্য আনতে তাসকিন আহমেদের
পরিবর্তে ফেরানো হতে পারে শরিফুল
ইসলামকে। সব মিলিয়ে একটি
ভারসাম্যপূর্ণ দল নিয়ে ট্রফি
জয়ের মিশনে মাঠে নামছে চন্ডিকা
হাথুরুসিংহের শিষ্যরা।

আপনার মতামত লিখুন