রাষ্ট্র কোনো আবেগ বা ইমোশন দিয়ে চলে না, বরং সংবিধান ও আইনি
প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই রাষ্ট্রকে এগিয়ে নিতে হয় বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ও সরকারি দলের সংসদ সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ।
রোববার (১৫ মার্চ) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ অধিবেশনে পয়েন্ট অব
অর্ডারে দাঁড়িয়ে বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের বক্তব্যের সমালোচনা করে তিনি
এসব কথা বলেন।
জুলাই জাতীয় সনদ বা সংবিধান সংস্কারের বিষয়ে বিরোধী দলের
দাবির প্রেক্ষিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির
অধ্যাদেশের মাধ্যমে সংবিধান পরিবর্তন করার কোনো সুযোগ নেই। যে ‘আরোপিত আদেশের’ কথা
বলা হচ্ছে, তা নিয়ে গভীর আইনি প্রশ্ন রয়েছে।”
তিনি আরও যোগ করেন, “জনরায়কে অবশ্যই সম্মান দিতে হবে, তবে
তা হতে হবে সাংবিধানিক উপায়ে। কোনো অবৈধ আদেশের মাধ্যমে সংবিধান সংশোধন করা যায় কি
না, সেটি একটি বড় সাংবিধানিক প্রশ্ন।”
বর্তমান অধিবেশনে কাজের চাপ উল্লেখ করে সালাহউদ্দিন আহমদ
বলেন: এই অধিবেশনে ১৩৩টি অধ্যাদেশ নিষ্পত্তির বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এই মুহূর্তে
সংবিধান সংশোধনী বিল আনা কঠিন। তবে আগামী বাজেট অধিবেশনে কার্য উপদেষ্টা কমিটির সিদ্ধান্ত
অনুযায়ী সংবিধান সংশোধনের জন্য কমিটি গঠন এবং বিল উত্থাপন করা যেতে পারে।
রাষ্ট্রপতির ভাষণের সময় বিরোধী দলের সংসদ থেকে চলে যাওয়ার
প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “রাষ্ট্রপতি সংবিধানের ৭৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ভাষণ
দিয়েছেন। আমাদের বিরোধী দলীয় বন্ধুরা সেই ভাষণ শুনতে চাননি, তারা চলে গেছেন। অথচ এখন
সেই ভাষণের ওপর আলোচনার জন্য তারা ৫০ ঘণ্টা সময় বরাদ্দ চেয়েছেন। আমরা একে স্বাগত জানাই
এবং সংখ্যানুপাতে সময় বরাদ্দ করব।”
সবশেষে তিনি আলোচনার আহ্বান জানিয়ে বলেন, “জুলাই জাতীয় সনদ
একটি ঐতিহাসিক রাজনৈতিক সমঝোতার দলিল। আমরা এর প্রতিটি শব্দের প্রতি দায়বদ্ধ। আসুন
আমরা কার্য উপদেষ্টা কমিটিতে বসে আলোচনার মাধ্যমে বিল উত্থাপনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিই।”

সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ মার্চ ২০২৬
রাষ্ট্র কোনো আবেগ বা ইমোশন দিয়ে চলে না, বরং সংবিধান ও আইনি
প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই রাষ্ট্রকে এগিয়ে নিতে হয় বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ও সরকারি দলের সংসদ সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ।
রোববার (১৫ মার্চ) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ অধিবেশনে পয়েন্ট অব
অর্ডারে দাঁড়িয়ে বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের বক্তব্যের সমালোচনা করে তিনি
এসব কথা বলেন।
জুলাই জাতীয় সনদ বা সংবিধান সংস্কারের বিষয়ে বিরোধী দলের
দাবির প্রেক্ষিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির
অধ্যাদেশের মাধ্যমে সংবিধান পরিবর্তন করার কোনো সুযোগ নেই। যে ‘আরোপিত আদেশের’ কথা
বলা হচ্ছে, তা নিয়ে গভীর আইনি প্রশ্ন রয়েছে।”
তিনি আরও যোগ করেন, “জনরায়কে অবশ্যই সম্মান দিতে হবে, তবে
তা হতে হবে সাংবিধানিক উপায়ে। কোনো অবৈধ আদেশের মাধ্যমে সংবিধান সংশোধন করা যায় কি
না, সেটি একটি বড় সাংবিধানিক প্রশ্ন।”
বর্তমান অধিবেশনে কাজের চাপ উল্লেখ করে সালাহউদ্দিন আহমদ
বলেন: এই অধিবেশনে ১৩৩টি অধ্যাদেশ নিষ্পত্তির বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এই মুহূর্তে
সংবিধান সংশোধনী বিল আনা কঠিন। তবে আগামী বাজেট অধিবেশনে কার্য উপদেষ্টা কমিটির সিদ্ধান্ত
অনুযায়ী সংবিধান সংশোধনের জন্য কমিটি গঠন এবং বিল উত্থাপন করা যেতে পারে।
রাষ্ট্রপতির ভাষণের সময় বিরোধী দলের সংসদ থেকে চলে যাওয়ার
প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “রাষ্ট্রপতি সংবিধানের ৭৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ভাষণ
দিয়েছেন। আমাদের বিরোধী দলীয় বন্ধুরা সেই ভাষণ শুনতে চাননি, তারা চলে গেছেন। অথচ এখন
সেই ভাষণের ওপর আলোচনার জন্য তারা ৫০ ঘণ্টা সময় বরাদ্দ চেয়েছেন। আমরা একে স্বাগত জানাই
এবং সংখ্যানুপাতে সময় বরাদ্দ করব।”
সবশেষে তিনি আলোচনার আহ্বান জানিয়ে বলেন, “জুলাই জাতীয় সনদ
একটি ঐতিহাসিক রাজনৈতিক সমঝোতার দলিল। আমরা এর প্রতিটি শব্দের প্রতি দায়বদ্ধ। আসুন
আমরা কার্য উপদেষ্টা কমিটিতে বসে আলোচনার মাধ্যমে বিল উত্থাপনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিই।”

আপনার মতামত লিখুন