সংবিধানে বহুল আলোচিত নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বহাল করে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করা হয়েছে। আজ রোববার (১৫ মার্চ) সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে ৭৪ পৃষ্ঠার এই রায়টি আপলোড করা হয়।
তৎকালীন প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের লেখা
এই রায়ে দেশের নির্বাচনী ব্যবস্থায় এক ঐতিহাসিক পরিবর্তন নিশ্চিত করা হয়েছে।
পূর্ণাঙ্গ রায়ে আপিল বিভাগ উল্লেখ করেছেন যে, চতুর্দশ
জাতীয় সংসদ নির্বাচন থেকেই এই নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা কার্যকর হবে।
তবে আইনজীবীরা জানিয়েছেন, বর্তমান সংসদ চাইলে এই ব্যবস্থার প্রয়োজনীয় সংযোজন কিংবা
বিয়োজন করার ক্ষমতা রাখে।
রায় প্রকাশের পর বিএনপির আইনজীবী রুহুল কুদ্দুস কাজল
বলেন, "এই রায় কোনো নির্দিষ্ট দলের নয়, বরং পুরো জাতির জন্য একটি মাইলফলক।"
তিনি আরও অভিযোগ করেন, সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হক রাজনৈতিক ফায়দা লুটতেই
তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা বাতিল করে দেশের গণতন্ত্র ধ্বংস করেছিলেন।
সাবেক প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে ৭
বিচারপতির পূর্ণাঙ্গ আপিল বেঞ্চ এই ঐতিহাসিক রায় প্রদান করেন। বেঞ্চের অন্য সদস্যরা
হলেন: বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম, বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী, বিচারপতি মো. রেজাউল
হক, বিচারপতি এস এম ইমদাদুল হক, বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি ফারাহ মাহবুব।

সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ মার্চ ২০২৬
সংবিধানে বহুল আলোচিত নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বহাল করে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করা হয়েছে। আজ রোববার (১৫ মার্চ) সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে ৭৪ পৃষ্ঠার এই রায়টি আপলোড করা হয়।
তৎকালীন প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের লেখা
এই রায়ে দেশের নির্বাচনী ব্যবস্থায় এক ঐতিহাসিক পরিবর্তন নিশ্চিত করা হয়েছে।
পূর্ণাঙ্গ রায়ে আপিল বিভাগ উল্লেখ করেছেন যে, চতুর্দশ
জাতীয় সংসদ নির্বাচন থেকেই এই নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা কার্যকর হবে।
তবে আইনজীবীরা জানিয়েছেন, বর্তমান সংসদ চাইলে এই ব্যবস্থার প্রয়োজনীয় সংযোজন কিংবা
বিয়োজন করার ক্ষমতা রাখে।
রায় প্রকাশের পর বিএনপির আইনজীবী রুহুল কুদ্দুস কাজল
বলেন, "এই রায় কোনো নির্দিষ্ট দলের নয়, বরং পুরো জাতির জন্য একটি মাইলফলক।"
তিনি আরও অভিযোগ করেন, সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হক রাজনৈতিক ফায়দা লুটতেই
তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা বাতিল করে দেশের গণতন্ত্র ধ্বংস করেছিলেন।
সাবেক প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে ৭
বিচারপতির পূর্ণাঙ্গ আপিল বেঞ্চ এই ঐতিহাসিক রায় প্রদান করেন। বেঞ্চের অন্য সদস্যরা
হলেন: বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম, বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী, বিচারপতি মো. রেজাউল
হক, বিচারপতি এস এম ইমদাদুল হক, বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি ফারাহ মাহবুব।

আপনার মতামত লিখুন