সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী পর্যটন এলাকা বারেক টিলায় প্রকাশ্যে রাষ্ট্রের গাছ কেটে নেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক একটি ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, দিনের বেলায় প্রকাশ্যে গাছ কেটে ঠেলাগাড়িতে করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এর আগেও এমন ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
বারেক টিলা শুধু একটি স্থানীয় পাহাড়ি টিলা নয়, এটি উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সম্ভাবনাময় একটি পর্যটন এলাকা। প্রায় ৩৬৫ একর জায়গাজুড়ে বিস্তৃত এই স্থানে একসময় গাছপালা, পাখি ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের সমৃদ্ধ উপস্থিতি ছিল। কিন্তু গত এক যুগে সেখানে অবাধে গাছ কাটা, টিলার ভেতরে ঘরবাড়ি নির্মাণ এবং অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার পরিবেশের ওপর বড় চাপ তৈরি করেছে। এর ফলে টিলার প্রাকৃতিক ভারসাম্য ও জীববৈচিত্র্য ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
প্রকাশ্যে গাছ কাটার মতো ঘটনা কীভাবে দীর্ঘদিন ধরে চলতে পারে সেটা একটা প্রশ্ন। সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও বন বিভাগের ভ‚মিকা এখানে প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়ে। নিয়মিত তদারকি, আইন প্রয়োগ এবং অবৈধ কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হলে এই পরিস্থিতির উদ্ভব হওয়ার কথা নয়।
বারেক টিলার পরিবেশ রক্ষা করা জরুরি। কারণ এটি শুধু একটি প্রাকৃতিক সম্পদ নয়, সম্ভাবনাময় পর্যটন কেন্দ্রও বটে। গাছ কাটা ও অবৈধ স্থাপনা বন্ধে দ্রুত দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেয়া প্রয়োজন।

সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ মার্চ ২০২৬
সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী পর্যটন এলাকা বারেক টিলায় প্রকাশ্যে রাষ্ট্রের গাছ কেটে নেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক একটি ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, দিনের বেলায় প্রকাশ্যে গাছ কেটে ঠেলাগাড়িতে করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এর আগেও এমন ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
বারেক টিলা শুধু একটি স্থানীয় পাহাড়ি টিলা নয়, এটি উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সম্ভাবনাময় একটি পর্যটন এলাকা। প্রায় ৩৬৫ একর জায়গাজুড়ে বিস্তৃত এই স্থানে একসময় গাছপালা, পাখি ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের সমৃদ্ধ উপস্থিতি ছিল। কিন্তু গত এক যুগে সেখানে অবাধে গাছ কাটা, টিলার ভেতরে ঘরবাড়ি নির্মাণ এবং অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার পরিবেশের ওপর বড় চাপ তৈরি করেছে। এর ফলে টিলার প্রাকৃতিক ভারসাম্য ও জীববৈচিত্র্য ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
প্রকাশ্যে গাছ কাটার মতো ঘটনা কীভাবে দীর্ঘদিন ধরে চলতে পারে সেটা একটা প্রশ্ন। সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও বন বিভাগের ভ‚মিকা এখানে প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়ে। নিয়মিত তদারকি, আইন প্রয়োগ এবং অবৈধ কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হলে এই পরিস্থিতির উদ্ভব হওয়ার কথা নয়।
বারেক টিলার পরিবেশ রক্ষা করা জরুরি। কারণ এটি শুধু একটি প্রাকৃতিক সম্পদ নয়, সম্ভাবনাময় পর্যটন কেন্দ্রও বটে। গাছ কাটা ও অবৈধ স্থাপনা বন্ধে দ্রুত দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেয়া প্রয়োজন।

আপনার মতামত লিখুন