উপজেলার আবাইপুর ইউনিয়নের কৃপালপুর ব্লকের ছয়টি গ্রামে প্রি-পাইলটিং পর্যায়ে এ তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। যে সব গ্রামে এ কার্যক্রম শুরু হয়েছে সেগুলো হলো—পাচপাখিয়া, কৃপালপুর, যুগনী, বাগনী, চরবাগনী ও পদ্মনগর। এসব এলাকার কৃষকদের তথ্য সংগ্রহে মাঠে কাজ করছেন উপজেলা কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা।
শৈলকুপা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আরিফুজ্জামান বলেন, চলতি মাসের মধ্যে কৃষকদের তথ্য সংগ্রহ শেষ করতে হবে। এরপর ৭ এপ্রিলের মধ্যে কার্ড তৈরির কাজ সম্পন্ন করা হবে। পহেলা বৈশাখে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আনুষ্ঠানিকভাবে এ কৃষি কার্ড বিতরণ করবেন বলে জানান তিনি।
প্রাথমিকভাবে এ উপজেলায় এক হাজার ৮৪০ জন কৃষক এ কার্ড পাবেন বলে জানানো হয়েছে। ভবিষ্যতে এ সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে জানান ওই কৃষি কর্মকর্তা।

সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ মার্চ ২০২৬
উপজেলার আবাইপুর ইউনিয়নের কৃপালপুর ব্লকের ছয়টি গ্রামে প্রি-পাইলটিং পর্যায়ে এ তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। যে সব গ্রামে এ কার্যক্রম শুরু হয়েছে সেগুলো হলো—পাচপাখিয়া, কৃপালপুর, যুগনী, বাগনী, চরবাগনী ও পদ্মনগর। এসব এলাকার কৃষকদের তথ্য সংগ্রহে মাঠে কাজ করছেন উপজেলা কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা।
শৈলকুপা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আরিফুজ্জামান বলেন, চলতি মাসের মধ্যে কৃষকদের তথ্য সংগ্রহ শেষ করতে হবে। এরপর ৭ এপ্রিলের মধ্যে কার্ড তৈরির কাজ সম্পন্ন করা হবে। পহেলা বৈশাখে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আনুষ্ঠানিকভাবে এ কৃষি কার্ড বিতরণ করবেন বলে জানান তিনি।
প্রাথমিকভাবে এ উপজেলায় এক হাজার ৮৪০ জন কৃষক এ কার্ড পাবেন বলে জানানো হয়েছে। ভবিষ্যতে এ সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে জানান ওই কৃষি কর্মকর্তা।

আপনার মতামত লিখুন