এলাকাবাসী জানায়, রাতের দিকে শেখ সোহাগ সড়কের পাশে অবস্থান করছিলেন। এ সময় দুটি মোটরসাইকেলে করে আসা কয়েকজন দুর্বৃত্ত তাকে লক্ষ্য করে পরপর তিনটি গুলি ছোড়ে। গুলিবিদ্ধ হয়ে তিনি ঘটনাস্থলেই লুটিয়ে পড়েন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে মোল্লাহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত শেখ সোহাগ মোল্লাহাট উপজেলার সদর ইউনিয়নের উদয়পুর উত্তরকান্দি গ্রামের বাসিন্দা। তিনি এলাকায় শ্রমিক লীগের সক্রিয় নেতা হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
এর আগে গত ৭ মার্চ শেখ সোহাগের মোল্লাহাট বাজারে থাকা টিনের দোকানের কর্মচারী নুর ইসলাম (২৭) দুর্বৃত্তদের গুলিতে গুরুতর আহত হন। তাকে লক্ষ্য করে তিনটি গুলি ছোড়া হয় বলে জানা গেছে। নুর ইসলামের বাড়ি উপজেলার কুলিয়া গ্রামে। বর্তমানে তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
এক সপ্তাহের ব্যবধানে একই এলাকায় পরপর দুই দফা গুলির ঘটনায় একজন নিহত ও একজন আহত হওয়ার ঘটনায় পুরো মোল্লাহাট উপজেলায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
এ বিষয়ে মোল্লাহাট থানার ওসি কাজী রমজানুল হক বলেন, 'শেখ সোহাগকে গুলি করার খবর পেয়ে আমরা রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান শুরু হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ব্যবসায়িক দ্বন্দ্বের কারণেই এ হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে।'

সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ মার্চ ২০২৬
এলাকাবাসী জানায়, রাতের দিকে শেখ সোহাগ সড়কের পাশে অবস্থান করছিলেন। এ সময় দুটি মোটরসাইকেলে করে আসা কয়েকজন দুর্বৃত্ত তাকে লক্ষ্য করে পরপর তিনটি গুলি ছোড়ে। গুলিবিদ্ধ হয়ে তিনি ঘটনাস্থলেই লুটিয়ে পড়েন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে মোল্লাহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত শেখ সোহাগ মোল্লাহাট উপজেলার সদর ইউনিয়নের উদয়পুর উত্তরকান্দি গ্রামের বাসিন্দা। তিনি এলাকায় শ্রমিক লীগের সক্রিয় নেতা হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
এর আগে গত ৭ মার্চ শেখ সোহাগের মোল্লাহাট বাজারে থাকা টিনের দোকানের কর্মচারী নুর ইসলাম (২৭) দুর্বৃত্তদের গুলিতে গুরুতর আহত হন। তাকে লক্ষ্য করে তিনটি গুলি ছোড়া হয় বলে জানা গেছে। নুর ইসলামের বাড়ি উপজেলার কুলিয়া গ্রামে। বর্তমানে তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
এক সপ্তাহের ব্যবধানে একই এলাকায় পরপর দুই দফা গুলির ঘটনায় একজন নিহত ও একজন আহত হওয়ার ঘটনায় পুরো মোল্লাহাট উপজেলায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
এ বিষয়ে মোল্লাহাট থানার ওসি কাজী রমজানুল হক বলেন, 'শেখ সোহাগকে গুলি করার খবর পেয়ে আমরা রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান শুরু হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ব্যবসায়িক দ্বন্দ্বের কারণেই এ হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে।'

আপনার মতামত লিখুন