সংবাদ | বাংলা নিউজ পোর্টাল - সর্বশেষ খবর, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন

নিরাপদ হোক ঢাকা-বরিশাল-কুয়াকাটা মহাসড়ক


জুবাইয়া বিন্তে কবির
জুবাইয়া বিন্তে কবির
প্রকাশ : ১৫ মার্চ ২০২৬

নিরাপদ হোক ঢাকা-বরিশাল-কুয়াকাটা মহাসড়ক
ঢাকা-বরিশাল-কুয়াকাটা মহাসড়ক

ঈদ বাঙালির জীবনে আনন্দ, ভালোবাসা এবং পারিবারিক মিলনের এক অনন্য উৎসব। সারা বছর জীবিকার তাগিদে শহরের ব্যস্ত জীবনে ছুটে চলা মানুষগুলো ঈদের সময়টুকুর জন্যই অপেক্ষা করে। এই সময়েই তারা ফিরে যেতে চায় শৈশবের সেই পরিচিত গ্রামে, মা-বাবার স্নেহমাখা ছায়ায়, আপনজনদের সান্নিধ্যে। তাই ঈদযাত্রা কেবল একটি ভ্রমণ নয়; এটি আবেগ, স্মৃতি এবং পারিবারিক বন্ধনের এক গভীর প্রতীক। কিন্তু যখন সেই আনন্দময় যাত্রা আতঙ্কের রূপ নেয়, যখন প্রতিটি মুহূর্তে মনে হয় এই বুঝি দুর্ঘটনা ঘটল, তখন সেই যাত্রা আর আনন্দের থাকে না; হয়ে ওঠে অনিশ্চয়তা ও ভয়ের প্রতীক। দক্ষিণাঞ্চলের কোটি মানুষের কাছে ঢাকা-বরিশাল-কুয়াকাটা মহাসড়ক আজ অনেকটা তেমনই এক বাস্তবতার নাম। প্রতি ঈদেই এই সড়ক ধরে হাজার হাজার মানুষ ঘরে ফেরেন, কিন্তু তাদের অনেকের মনে আনন্দের চেয়ে উদ্বেগই বেশি কাজ করে - এই পথ কি নিরাপদ?

দক্ষিণাঞ্চলের প্রাণরেখা: ঢাকা থেকে ফরিদপুরের ভাঙ্গা হয়ে মাদারীপুর, বরিশাল এবং পর্যটন নগরী কুয়াকাটা পর্যন্ত বিস্তৃত এই মহাসড়ক দক্ষিণাঞ্চলের কোটি মানুষের জীবন ও অর্থনীতির প্রধান অবলম্বন। বরিশাল, পটুয়াখালী, বরগুনা, ভোলা, ঝালকাঠি ও পিরোজপুর এই ছয়টি জেলার মানুষ রাজধানীর সঙ্গে যোগাযোগের জন্য প্রধানত এই সড়কের ওপর নির্ভরশীল। পাশাপাশি মাদারীপুর, শরীয়তপুর ও গোপালগঞ্জের বিশাল জনগোষ্ঠীরও প্রধান যাতায়াতপথ এটি। অর্থনৈতিক দিক থেকেও এই মহাসড়কের গুরুত্ব অপরিসীম। দক্ষিণাঞ্চল দেশের অন্যতম কৃষি উৎপাদন অঞ্চল। এখানকার ধান, মাছ, সবজি এবং অন্য কৃষিপণ্য প্রতিদিন এই সড়কপথেই রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পরিবহন করা হয়। একই সঙ্গে কুয়াকাটা দেশের অন্যতম সম্ভাবনাময় পর্যটনকেন্দ্র। ফলে পর্যটন শিল্পের বিকাশেও এই সড়কের ভ‚মিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

পদ্মা সেতুর সুফল, কিন্তু অসম্পূর্ণ প্রস্তুতি: পদ্মা সেতু চালুর মাধ্যমে দক্ষিণাঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থায় এক ঐতিহাসিক পরিবর্তন এসেছে। বহু বছরের স্বপ্ন বাস্তবায়িত হয়েছে। এই সেতু দেশের অর্থনীতির নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিয়েছে।

কিন্তু পদ্মা সেতুর পূর্ণ সুফল পেতে হলে সংযোগ মহাসড়কগুলোকে আধুনিক ও নিরাপদ করা অত্যন্ত জরুরি। বাস্তবে দেখা যাচ্ছে-ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের অনেক অংশ এখনও সংকীর্ণ, ভাঙাচোরা এবং ঝুঁকিপূর্ণ।

পরিবহন সংশ্লিষ্টদের মতে, বর্তমানে প্রতিদিন প্রায় ১৮ থেকে ২০ হাজার যানবাহন এই মহাসড়কে চলাচল করে। কিন্তু সড়কের বড় অংশ এখনও মাত্র ১৮ থেকে ২৪ ফুট প্রশস্ত। ফলে দুই দিক থেকে দ্রæতগতির যানবাহন চলাচলের সময় দুর্ঘটনার ঝুঁকি অনেক বেড়ে যায়।

ভাঙ্গা থেকে বরিশাল: দুর্ভোগের দীর্ঘ পথ : ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের ফরিদপুরের ভাঙ্গা থেকে বরিশাল পর্যন্ত প্রায় ৯৭ কিলোমিটার পথের অবস্থা দীর্ঘদিন ধরেই নাজুক।

অনেক জায়গায় রাস্তার বিটুমিন উঠে গিয়ে নিচের সুরকি বেরিয়ে এসেছে। কোথাও বড় বড় গর্ত তৈরি হয়েছে, আবার কোথাও রাস্তা দেবে গিয়ে অসমান হয়ে গেছে। বরিশালের কাশীপুর চৌমাথা থেকে রহমতপুর, গৌরনদীর জয়শ্রী থেকে কাশেমাবাদ এবং মাদারীপুরের ভুরঘাটা থেকে মস্তফাপুর পর্যন্ত অংশে পরিস্থিতি সবচেয়ে বেশি খারাপ। এই গর্তগুলো অনেক সময় বৃষ্টির পানিতে ঢেকে যায়। ফলে চালকরা বুঝতেই পারেন না কোথায় গভীর গর্ত রয়েছে। বিশেষ করে মোটরসাইকেল, অটোরিকশা বা ছোট যানবাহনের জন্য এটি অত্যন্ত বিপজ্জনক।

দুর্ঘটনার উদ্বেগজনক বাস্তবতা: বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের মাদারীপুর অংশেই গত ছয় মাসে প্রায় ৪৫টি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ২৫ জন নিহত হয়েছেন এবং শতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন। হাইওয়ে পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, এই মহাসড়কের প্রায় ৪৭ কিলোমিটার অংশ অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত।

একটি দুর্ঘটনা ঘটলেই পুরো মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট তৈরি হয়। অনেক সময় অ্যাম্বুলেন্স পর্যন্ত আটকে থাকে, যা আহতদের জন্য আরও বিপজ্জনক পরিস্থিতি তৈরি করে।

বরিশাল-কুয়াকাটা মহাসড়ক, ভয়ঙ্কর বাঁকের ফাঁদ: ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের পাশাপাশি বরিশাল থেকে কুয়াকাটা পর্যন্ত সড়কের অবস্থাও কম উদ্বেগজনক নয়। পটুয়াখালীর শাখারিয়া থেকে বরগুনার আমতলী উপজেলার বান্দ্রা পর্যন্ত প্রায় ৩৭ কিলোমিটার মহাসড়কে রয়েছে ১৭টি ভয়ঙ্কর বাঁক। এই বাঁকগুলোতে প্রায়ই ঘটে দুর্ঘটনা। গত ছয় মাসে এখানে শতাধিক দুর্ঘটনায় অন্তত ১০ জন নিহত হয়েছেন এবং ৪৫০ জনের বেশি আহত হয়েছেন।

অনেক বাঁকে কোনো কার্যকর সংকেতচিহ্ন নেই। কোথাও থাকা সংকেতগুলোও বিবর্ণ হয়ে গেছে। রাতের বেলায় চালকরা বুঝতেই পারেন না সামনে কী অপেক্ষা করছে।

বাসচালকরা বলছেন, বড় বাঁকগুলোতে কনভেক্স মিরর বা উন্নত সতর্কসংকেত স্থাপন করা হলে দুর্ঘটনা অনেকটাই কমানো সম্ভব।

বহু প্রতীক্ষিত ছয় লেন প্রকল্প : ২০১৫ সালে ভাঙ্গা থেকে কুয়াকাটা পর্যন্ত মহাসড়ককে ছয় লেনে উন্নীত করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছিল। ২০১৮ সালে ভ‚মি অধিগ্রহণের জন্য অর্থও বরাদ্দ দেয়া হয় এবং সম্ভাব্যতা সমীক্ষা সম্পন্ন হয়। কিন্তু নানা প্রশাসনিক জটিলতা ও অর্থায়নের অভাবে প্রকল্পটি এখনো বাস্তবায়নের আলো দেখেনি। ফলে দক্ষিণাঞ্চলের মানুষ আজও অপেক্ষা করছে কবে শুরু হবে এই মহাসড়কের প্রকৃত উন্নয়ন।

 [লেখক: প্রশিক্ষক, গ্রন্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট, বরিশাল]

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ | বাংলা নিউজ পোর্টাল - সর্বশেষ খবর, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন

সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬


নিরাপদ হোক ঢাকা-বরিশাল-কুয়াকাটা মহাসড়ক

প্রকাশের তারিখ : ১৫ মার্চ ২০২৬

featured Image

ঈদ বাঙালির জীবনে আনন্দ, ভালোবাসা এবং পারিবারিক মিলনের এক অনন্য উৎসব। সারা বছর জীবিকার তাগিদে শহরের ব্যস্ত জীবনে ছুটে চলা মানুষগুলো ঈদের সময়টুকুর জন্যই অপেক্ষা করে। এই সময়েই তারা ফিরে যেতে চায় শৈশবের সেই পরিচিত গ্রামে, মা-বাবার স্নেহমাখা ছায়ায়, আপনজনদের সান্নিধ্যে। তাই ঈদযাত্রা কেবল একটি ভ্রমণ নয়; এটি আবেগ, স্মৃতি এবং পারিবারিক বন্ধনের এক গভীর প্রতীক। কিন্তু যখন সেই আনন্দময় যাত্রা আতঙ্কের রূপ নেয়, যখন প্রতিটি মুহূর্তে মনে হয় এই বুঝি দুর্ঘটনা ঘটল, তখন সেই যাত্রা আর আনন্দের থাকে না; হয়ে ওঠে অনিশ্চয়তা ও ভয়ের প্রতীক। দক্ষিণাঞ্চলের কোটি মানুষের কাছে ঢাকা-বরিশাল-কুয়াকাটা মহাসড়ক আজ অনেকটা তেমনই এক বাস্তবতার নাম। প্রতি ঈদেই এই সড়ক ধরে হাজার হাজার মানুষ ঘরে ফেরেন, কিন্তু তাদের অনেকের মনে আনন্দের চেয়ে উদ্বেগই বেশি কাজ করে - এই পথ কি নিরাপদ?

দক্ষিণাঞ্চলের প্রাণরেখা: ঢাকা থেকে ফরিদপুরের ভাঙ্গা হয়ে মাদারীপুর, বরিশাল এবং পর্যটন নগরী কুয়াকাটা পর্যন্ত বিস্তৃত এই মহাসড়ক দক্ষিণাঞ্চলের কোটি মানুষের জীবন ও অর্থনীতির প্রধান অবলম্বন। বরিশাল, পটুয়াখালী, বরগুনা, ভোলা, ঝালকাঠি ও পিরোজপুর এই ছয়টি জেলার মানুষ রাজধানীর সঙ্গে যোগাযোগের জন্য প্রধানত এই সড়কের ওপর নির্ভরশীল। পাশাপাশি মাদারীপুর, শরীয়তপুর ও গোপালগঞ্জের বিশাল জনগোষ্ঠীরও প্রধান যাতায়াতপথ এটি। অর্থনৈতিক দিক থেকেও এই মহাসড়কের গুরুত্ব অপরিসীম। দক্ষিণাঞ্চল দেশের অন্যতম কৃষি উৎপাদন অঞ্চল। এখানকার ধান, মাছ, সবজি এবং অন্য কৃষিপণ্য প্রতিদিন এই সড়কপথেই রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পরিবহন করা হয়। একই সঙ্গে কুয়াকাটা দেশের অন্যতম সম্ভাবনাময় পর্যটনকেন্দ্র। ফলে পর্যটন শিল্পের বিকাশেও এই সড়কের ভ‚মিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

পদ্মা সেতুর সুফল, কিন্তু অসম্পূর্ণ প্রস্তুতি: পদ্মা সেতু চালুর মাধ্যমে দক্ষিণাঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থায় এক ঐতিহাসিক পরিবর্তন এসেছে। বহু বছরের স্বপ্ন বাস্তবায়িত হয়েছে। এই সেতু দেশের অর্থনীতির নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিয়েছে।

কিন্তু পদ্মা সেতুর পূর্ণ সুফল পেতে হলে সংযোগ মহাসড়কগুলোকে আধুনিক ও নিরাপদ করা অত্যন্ত জরুরি। বাস্তবে দেখা যাচ্ছে-ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের অনেক অংশ এখনও সংকীর্ণ, ভাঙাচোরা এবং ঝুঁকিপূর্ণ।

পরিবহন সংশ্লিষ্টদের মতে, বর্তমানে প্রতিদিন প্রায় ১৮ থেকে ২০ হাজার যানবাহন এই মহাসড়কে চলাচল করে। কিন্তু সড়কের বড় অংশ এখনও মাত্র ১৮ থেকে ২৪ ফুট প্রশস্ত। ফলে দুই দিক থেকে দ্রæতগতির যানবাহন চলাচলের সময় দুর্ঘটনার ঝুঁকি অনেক বেড়ে যায়।

ভাঙ্গা থেকে বরিশাল: দুর্ভোগের দীর্ঘ পথ : ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের ফরিদপুরের ভাঙ্গা থেকে বরিশাল পর্যন্ত প্রায় ৯৭ কিলোমিটার পথের অবস্থা দীর্ঘদিন ধরেই নাজুক।

অনেক জায়গায় রাস্তার বিটুমিন উঠে গিয়ে নিচের সুরকি বেরিয়ে এসেছে। কোথাও বড় বড় গর্ত তৈরি হয়েছে, আবার কোথাও রাস্তা দেবে গিয়ে অসমান হয়ে গেছে। বরিশালের কাশীপুর চৌমাথা থেকে রহমতপুর, গৌরনদীর জয়শ্রী থেকে কাশেমাবাদ এবং মাদারীপুরের ভুরঘাটা থেকে মস্তফাপুর পর্যন্ত অংশে পরিস্থিতি সবচেয়ে বেশি খারাপ। এই গর্তগুলো অনেক সময় বৃষ্টির পানিতে ঢেকে যায়। ফলে চালকরা বুঝতেই পারেন না কোথায় গভীর গর্ত রয়েছে। বিশেষ করে মোটরসাইকেল, অটোরিকশা বা ছোট যানবাহনের জন্য এটি অত্যন্ত বিপজ্জনক।

দুর্ঘটনার উদ্বেগজনক বাস্তবতা: বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের মাদারীপুর অংশেই গত ছয় মাসে প্রায় ৪৫টি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ২৫ জন নিহত হয়েছেন এবং শতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন। হাইওয়ে পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, এই মহাসড়কের প্রায় ৪৭ কিলোমিটার অংশ অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত।

একটি দুর্ঘটনা ঘটলেই পুরো মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট তৈরি হয়। অনেক সময় অ্যাম্বুলেন্স পর্যন্ত আটকে থাকে, যা আহতদের জন্য আরও বিপজ্জনক পরিস্থিতি তৈরি করে।

বরিশাল-কুয়াকাটা মহাসড়ক, ভয়ঙ্কর বাঁকের ফাঁদ: ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের পাশাপাশি বরিশাল থেকে কুয়াকাটা পর্যন্ত সড়কের অবস্থাও কম উদ্বেগজনক নয়। পটুয়াখালীর শাখারিয়া থেকে বরগুনার আমতলী উপজেলার বান্দ্রা পর্যন্ত প্রায় ৩৭ কিলোমিটার মহাসড়কে রয়েছে ১৭টি ভয়ঙ্কর বাঁক। এই বাঁকগুলোতে প্রায়ই ঘটে দুর্ঘটনা। গত ছয় মাসে এখানে শতাধিক দুর্ঘটনায় অন্তত ১০ জন নিহত হয়েছেন এবং ৪৫০ জনের বেশি আহত হয়েছেন।

অনেক বাঁকে কোনো কার্যকর সংকেতচিহ্ন নেই। কোথাও থাকা সংকেতগুলোও বিবর্ণ হয়ে গেছে। রাতের বেলায় চালকরা বুঝতেই পারেন না সামনে কী অপেক্ষা করছে।

বাসচালকরা বলছেন, বড় বাঁকগুলোতে কনভেক্স মিরর বা উন্নত সতর্কসংকেত স্থাপন করা হলে দুর্ঘটনা অনেকটাই কমানো সম্ভব।

বহু প্রতীক্ষিত ছয় লেন প্রকল্প : ২০১৫ সালে ভাঙ্গা থেকে কুয়াকাটা পর্যন্ত মহাসড়ককে ছয় লেনে উন্নীত করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছিল। ২০১৮ সালে ভ‚মি অধিগ্রহণের জন্য অর্থও বরাদ্দ দেয়া হয় এবং সম্ভাব্যতা সমীক্ষা সম্পন্ন হয়। কিন্তু নানা প্রশাসনিক জটিলতা ও অর্থায়নের অভাবে প্রকল্পটি এখনো বাস্তবায়নের আলো দেখেনি। ফলে দক্ষিণাঞ্চলের মানুষ আজও অপেক্ষা করছে কবে শুরু হবে এই মহাসড়কের প্রকৃত উন্নয়ন।

 [লেখক: প্রশিক্ষক, গ্রন্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট, বরিশাল]


সংবাদ | বাংলা নিউজ পোর্টাল - সর্বশেষ খবর, রাজনীতি, খেলাধুলা, বিনোদন

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত