রোববার (১৫ মার্চ) সকাল সাড়ে ১০টায় সাপাহার উপজেলায় আয়োজিত সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এসব সামগ্রী তুলে দেওয়া হয়। প্রতিটি প্যাকেজে ছিল— এক কেজি সুগন্ধি চাল, ৫০০ গ্রাম চিনি, ৫০০ গ্রাম বুট, ৫০০ গ্রাম সয়াবিন তেল, তিন প্যাকেট দুধের পাউডার, ২৫০ গ্রাম খেজুর, একটি সাবান, পাঁচ প্যাকেট ওয়াসা ফ্রুটু ও এক প্যাকেট লাচ্ছা সেমাই।
ঈদের এসব সামগ্রী পেয়ে আনন্দ প্রকাশ করেন তৃতীয় লিঙ্গের সদস্যরা। তারা বলেন, এতদিন কেউ তাদেরকে এভাবে সম্মানের সঙ্গে উপহার দেয়নি। এর আগে শুধু উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে একটি কম্বল পেয়েছিলেন, কিন্তু এত আন্তরিকতা ও সম্মানের সঙ্গে কেউ তাদের পাশে দাঁড়ায়নি বলে জানান তারা।
সাপাহার উপজেলা ইত্তেহাদুল ওলামা পরিষদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তৃতীয় লিঙ্গের সদস্যরা আশা প্রকাশ করেন, সংগঠনটি ভবিষ্যতেও তাদের পাশে থাকবে এবং সমাজে মানবিক সহমর্মিতার এই ধারা অব্যাহত রাখবে।
সংগঠনের নেতৃবৃন্দ জানান, সমাজের অবহেলিত ও পিছিয়ে পড়া মানুষের পাশে দাঁড়ানো ইসলামের মানবিক শিক্ষার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। সেই দায়বোধ থেকেই পবিত্র রমজানে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, সাপাহার উপজেলা ইত্তেহাদুল ওলামা পরিষদ পূর্বের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে ভবিষ্যতে তৃতীয় লিঙ্গের সদস্যদের জন্য নিয়মিত কোরআন শিক্ষার ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নেবে বলে জানিয়েছে।

সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ মার্চ ২০২৬
রোববার (১৫ মার্চ) সকাল সাড়ে ১০টায় সাপাহার উপজেলায় আয়োজিত সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এসব সামগ্রী তুলে দেওয়া হয়। প্রতিটি প্যাকেজে ছিল— এক কেজি সুগন্ধি চাল, ৫০০ গ্রাম চিনি, ৫০০ গ্রাম বুট, ৫০০ গ্রাম সয়াবিন তেল, তিন প্যাকেট দুধের পাউডার, ২৫০ গ্রাম খেজুর, একটি সাবান, পাঁচ প্যাকেট ওয়াসা ফ্রুটু ও এক প্যাকেট লাচ্ছা সেমাই।
ঈদের এসব সামগ্রী পেয়ে আনন্দ প্রকাশ করেন তৃতীয় লিঙ্গের সদস্যরা। তারা বলেন, এতদিন কেউ তাদেরকে এভাবে সম্মানের সঙ্গে উপহার দেয়নি। এর আগে শুধু উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে একটি কম্বল পেয়েছিলেন, কিন্তু এত আন্তরিকতা ও সম্মানের সঙ্গে কেউ তাদের পাশে দাঁড়ায়নি বলে জানান তারা।
সাপাহার উপজেলা ইত্তেহাদুল ওলামা পরিষদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তৃতীয় লিঙ্গের সদস্যরা আশা প্রকাশ করেন, সংগঠনটি ভবিষ্যতেও তাদের পাশে থাকবে এবং সমাজে মানবিক সহমর্মিতার এই ধারা অব্যাহত রাখবে।
সংগঠনের নেতৃবৃন্দ জানান, সমাজের অবহেলিত ও পিছিয়ে পড়া মানুষের পাশে দাঁড়ানো ইসলামের মানবিক শিক্ষার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। সেই দায়বোধ থেকেই পবিত্র রমজানে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, সাপাহার উপজেলা ইত্তেহাদুল ওলামা পরিষদ পূর্বের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে ভবিষ্যতে তৃতীয় লিঙ্গের সদস্যদের জন্য নিয়মিত কোরআন শিক্ষার ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নেবে বলে জানিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন