মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আজ উৎসবের আমেজ। টস হেরে ব্যাটিংয়ে নামলেও শুরু থেকেই দাপট দেখিয়েছে স্বাগতিক বাংলাদেশ।
তানজিদ
হাসান তামিমের নান্দনিক সেঞ্চুরিতে ভর করে নির্ধারিত
৫০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে
২৯০ রানের চ্যালেঞ্জিং পুঁজি সংগ্রহ করেছে টাইগাররা। সিরিজের শেষ ও নির্ণায়ক
এই ম্যাচে জয়ের জন্য বাবর
আজমের দলের প্রয়োজন ২৯১
রান।
রোববার
দুপুরে টস জিতে প্রথমে
ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেন
পাকিস্তান অধিনায়ক। তবে তার সিদ্ধান্তকে
ভুল প্রমাণ করতে সময় নেননি
বাংলাদেশের দুই ওপেনার সাইফ
হাসান ও তানজিদ হাসান
তামিম।
উদ্বোধনী
জুটিতেই তারা ১৭.৪
ওভারে স্কোরবোর্ডে ১০০ রান যোগ
করেন। শাহিন আফ্রিদি ও হারিস রউফদের
ওপর শুরু থেকেই চড়াও
হয়ে খেলেন তানজিদ তামিম। মাত্র ৪৭ বলে চলতি
সিরিজে নিজের দ্বিতীয় হাফসেঞ্চুরি পূর্ণ করেন এই বাঁহাতি
ওপেনার, যা তার ক্যারিয়ারের
ষষ্ঠ ওয়ানডে ফিফটি।
ব্যক্তিগত
৩৬ রানে সাইফ হাসান
বোল্ড হয়ে সাজঘরে ফিরলে
ভাঙে ১০৫ রানের উদ্বোধনী
জুটি। এরপর নাজমুল হোসেন
শান্তকে নিয়ে ইনিংস মেরামতের
কাজ শুরু করেন তামিম।
এই জুটিতে যোগ হয় আরও
৫৩ রান।
তবে
২৭ রান করে হারিস
রউফের বলে এলবিডব্লিউর শিকার
হন শান্ত। এক প্রান্ত আগলে
রাখা তানজিদ তামিম এরপর আরও আক্রমণাত্মক
হয়ে ওঠেন এবং দর্শনীয়
এক ছক্কায় ৯৮ বলে পূর্ণ
করেন ক্যারিয়ারের দর্শনীয় এক সেঞ্চুরি। শেষ
পর্যন্ত আবরার আহমেদের বলে ক্যাচ দিয়ে
ফেরার আগে ১০৭ বলে
১০৭ রানের ইনিংস খেলেন তিনি, যেখানে ছিল ৬টি চার
ও ৭টি ছক্কার মার।
ইনিংসের
শেষ দিকে অভিজ্ঞ লিটন
দাস ৫১ বলে ৪১
রানের ধীরস্থির ইনিংস খেলে বাংলাদেশকে বড়
সংগ্রহের পথে এগিয়ে নেন।
আর শেষ মুহূর্তে তাওহিদ
হৃদয়ের অপরাজিত ৪৮ রানের ক্যামিও
ইনিংসটি বাংলাদেশকে তিন’শর কাছাকাছি পৌঁছে দেয়। আফিফ হোসেন
দ্রুত ফিরলেও হৃদয় ৪৪ বলে
৪টি বাউন্ডারি হাঁকিয়ে দলের লড়াকু পুঁজি
নিশ্চিত করেন।
পাকিস্তানের
পক্ষে হারিস রউফ ৩টি উইকেট
শিকার করলেও টাইগার ব্যাটসম্যানদের দাপট কমাতে পারেননি।

সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ মার্চ ২০২৬
মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আজ উৎসবের আমেজ। টস হেরে ব্যাটিংয়ে নামলেও শুরু থেকেই দাপট দেখিয়েছে স্বাগতিক বাংলাদেশ।
তানজিদ
হাসান তামিমের নান্দনিক সেঞ্চুরিতে ভর করে নির্ধারিত
৫০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে
২৯০ রানের চ্যালেঞ্জিং পুঁজি সংগ্রহ করেছে টাইগাররা। সিরিজের শেষ ও নির্ণায়ক
এই ম্যাচে জয়ের জন্য বাবর
আজমের দলের প্রয়োজন ২৯১
রান।
রোববার
দুপুরে টস জিতে প্রথমে
ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেন
পাকিস্তান অধিনায়ক। তবে তার সিদ্ধান্তকে
ভুল প্রমাণ করতে সময় নেননি
বাংলাদেশের দুই ওপেনার সাইফ
হাসান ও তানজিদ হাসান
তামিম।
উদ্বোধনী
জুটিতেই তারা ১৭.৪
ওভারে স্কোরবোর্ডে ১০০ রান যোগ
করেন। শাহিন আফ্রিদি ও হারিস রউফদের
ওপর শুরু থেকেই চড়াও
হয়ে খেলেন তানজিদ তামিম। মাত্র ৪৭ বলে চলতি
সিরিজে নিজের দ্বিতীয় হাফসেঞ্চুরি পূর্ণ করেন এই বাঁহাতি
ওপেনার, যা তার ক্যারিয়ারের
ষষ্ঠ ওয়ানডে ফিফটি।
ব্যক্তিগত
৩৬ রানে সাইফ হাসান
বোল্ড হয়ে সাজঘরে ফিরলে
ভাঙে ১০৫ রানের উদ্বোধনী
জুটি। এরপর নাজমুল হোসেন
শান্তকে নিয়ে ইনিংস মেরামতের
কাজ শুরু করেন তামিম।
এই জুটিতে যোগ হয় আরও
৫৩ রান।
তবে
২৭ রান করে হারিস
রউফের বলে এলবিডব্লিউর শিকার
হন শান্ত। এক প্রান্ত আগলে
রাখা তানজিদ তামিম এরপর আরও আক্রমণাত্মক
হয়ে ওঠেন এবং দর্শনীয়
এক ছক্কায় ৯৮ বলে পূর্ণ
করেন ক্যারিয়ারের দর্শনীয় এক সেঞ্চুরি। শেষ
পর্যন্ত আবরার আহমেদের বলে ক্যাচ দিয়ে
ফেরার আগে ১০৭ বলে
১০৭ রানের ইনিংস খেলেন তিনি, যেখানে ছিল ৬টি চার
ও ৭টি ছক্কার মার।
ইনিংসের
শেষ দিকে অভিজ্ঞ লিটন
দাস ৫১ বলে ৪১
রানের ধীরস্থির ইনিংস খেলে বাংলাদেশকে বড়
সংগ্রহের পথে এগিয়ে নেন।
আর শেষ মুহূর্তে তাওহিদ
হৃদয়ের অপরাজিত ৪৮ রানের ক্যামিও
ইনিংসটি বাংলাদেশকে তিন’শর কাছাকাছি পৌঁছে দেয়। আফিফ হোসেন
দ্রুত ফিরলেও হৃদয় ৪৪ বলে
৪টি বাউন্ডারি হাঁকিয়ে দলের লড়াকু পুঁজি
নিশ্চিত করেন।
পাকিস্তানের
পক্ষে হারিস রউফ ৩টি উইকেট
শিকার করলেও টাইগার ব্যাটসম্যানদের দাপট কমাতে পারেননি।

আপনার মতামত লিখুন