মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার জাগীর ইউনিয়নের গোলড়া চড়খন্ড এলাকায় রাতের আঁধারে তিন ফসলি জমির মাটি কেটে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে ফরিদ নামের এক মাটি ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে। এই অবৈধ কর্মকাণ্ড বন্ধে রোববার (১৫ মার্চ) এলাকাবাসীর পক্ষে মানিকগঞ্জ জেলা প্রশাসক নাজমুন আরা সুলতানার কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, জাগীর ইউনিয়নের গোলড়া চড়খন্ড এলাকায় দীর্ঘ দিন ধরে প্রভাবশালী ওই মাটি ব্যবসায়ী ভেকু (এক্সকাভেটর) দিয়ে ফসলি জমির উপরিভাগের উর্বর মাটি (টপ সয়েল) কেটে নিয়ে যাচ্ছেন।
কৃষি জমি রক্ষায় সরকারি কঠোর নিষেধাজ্ঞা থাকলেও তিনি তা অমান্য করে রাতের আঁধারে কয়েকশ’ ট্রলি মাটি বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করছেন। এতে ওই এলাকার বিশাল আবাদি জমি যেমন অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে, তেমনি পাশের জমিগুলোও ধসে পড়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।
স্থানীয়দের দাবি, বারবার নিষেধ করা সত্ত্বেও ফরিদ তার পেশিশক্তি ও প্রভাব খাটিয়ে এই কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। মাটি বহনের কাজে ব্যবহৃত ড্রাম ট্রাক ও ট্রলি চলাচলের কারণে স্থানীয় গ্রামীণ রাস্তাগুলোও চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এলাকার সাধারণ কৃষকরা তাদের শেষ সম্বল ফসলি জমি রক্ষায় এখন দিশেহারা।
লিখিত অভিযোগে এলাকাবাসী জানান, ‘আমরা কৃষিনির্ভর মানুষ। এভাবে যদি ফসলি জমির বুক চিরে মাটি কেটে নেওয়া হয়, তবে ভবিষ্যতে এখানে আর কোনো ফসল ফলানো সম্ভব হবে না। আমরা জেলা প্রশাসকের কাছে এই অবৈধ মাটি কাটা বন্ধ এবং অভিযুক্ত ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।’
এই বিষয়ে জানতে চাইলে জেলা প্রশাসক নাজমুন আরা সুলতানা জানান, অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে এবং ওই এলাকায় তাদের লোক পাঠানো হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান তিনি।

সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ মার্চ ২০২৬
মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার জাগীর ইউনিয়নের গোলড়া চড়খন্ড এলাকায় রাতের আঁধারে তিন ফসলি জমির মাটি কেটে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে ফরিদ নামের এক মাটি ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে। এই অবৈধ কর্মকাণ্ড বন্ধে রোববার (১৫ মার্চ) এলাকাবাসীর পক্ষে মানিকগঞ্জ জেলা প্রশাসক নাজমুন আরা সুলতানার কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, জাগীর ইউনিয়নের গোলড়া চড়খন্ড এলাকায় দীর্ঘ দিন ধরে প্রভাবশালী ওই মাটি ব্যবসায়ী ভেকু (এক্সকাভেটর) দিয়ে ফসলি জমির উপরিভাগের উর্বর মাটি (টপ সয়েল) কেটে নিয়ে যাচ্ছেন।
কৃষি জমি রক্ষায় সরকারি কঠোর নিষেধাজ্ঞা থাকলেও তিনি তা অমান্য করে রাতের আঁধারে কয়েকশ’ ট্রলি মাটি বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করছেন। এতে ওই এলাকার বিশাল আবাদি জমি যেমন অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে, তেমনি পাশের জমিগুলোও ধসে পড়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।
স্থানীয়দের দাবি, বারবার নিষেধ করা সত্ত্বেও ফরিদ তার পেশিশক্তি ও প্রভাব খাটিয়ে এই কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। মাটি বহনের কাজে ব্যবহৃত ড্রাম ট্রাক ও ট্রলি চলাচলের কারণে স্থানীয় গ্রামীণ রাস্তাগুলোও চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এলাকার সাধারণ কৃষকরা তাদের শেষ সম্বল ফসলি জমি রক্ষায় এখন দিশেহারা।
লিখিত অভিযোগে এলাকাবাসী জানান, ‘আমরা কৃষিনির্ভর মানুষ। এভাবে যদি ফসলি জমির বুক চিরে মাটি কেটে নেওয়া হয়, তবে ভবিষ্যতে এখানে আর কোনো ফসল ফলানো সম্ভব হবে না। আমরা জেলা প্রশাসকের কাছে এই অবৈধ মাটি কাটা বন্ধ এবং অভিযুক্ত ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।’
এই বিষয়ে জানতে চাইলে জেলা প্রশাসক নাজমুন আরা সুলতানা জানান, অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে এবং ওই এলাকায় তাদের লোক পাঠানো হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান তিনি।

আপনার মতামত লিখুন