বাংলাদেশ ব্যাংক ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারের ক্ষেত্রে বড় ধরনের পরিবর্তন নিয়ে এসেছে। এখন থেকে ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে সর্বোচ্চ ৪০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ নিতে পারবেন গ্রাহকরা।
ব্যাংক
খাতের এই সেবাটিকে আরও
সুশৃঙ্খল, স্বচ্ছ ও গ্রাহকবান্ধব করার
লক্ষ্যেই রোববার নতুন এই গাইডলাইন
জারি করা হয়েছে বলে দাবি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের।
দৈনন্দিন
জীবনে নগদ টাকার বিকল্প
হিসেবে কার্ডের ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তা এবং বর্তমান বাজার
পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে এই সিদ্ধান্ত
নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান এ সব তথ্য জানান।
নতুন
এই নির্দেশনায় শুধু ঋণসীমা বাড়ানোই
হয়নি, বরং ক্রেডিট কার্ডের
ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা এবং গ্রাহকদের অধিকার
সুরক্ষায় বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে।
আগে
যেখানে সর্বোচ্চ ঋণসীমা ছিল ২৫ লাখ
টাকা, নতুন নিয়মে তা
বাড়িয়ে ৪০ লাখ টাকা
করা হয়েছে। একইভাবে জামানতবিহীন বা অনিরাপদ ঋণের
সীমাও ১০ লাখ টাকা
থেকে বাড়িয়ে এখন ২০ লাখ
টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
কেন্দ্রীয়
ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক
আরিফ হোসেন খান জানান, নগদবিহীন
বা ক্যাশলেস লেনদেন উৎসাহিত করতে এবং সেবার
পরিধি বাড়াতে বিদ্যমান নীতিমালা হালনাগাদ করা হয়েছে।
গাইডলাইনে
কার্ড ইস্যু করা থেকে শুরু
করে বিপণন, বিলিং পদ্ধতি এবং বকেয়া আদায়ের
প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা আনার কথা বলা
হয়েছে। অনেক সময় গ্রাহকরা
ক্রেডিট কার্ডের বিল বা লেনদেন
নিয়ে বিভিন্ন জটিলতায় পড়েন, যা নিরসনের জন্য
একটি শক্তিশালী বিরোধ নিষ্পত্তি ব্যবস্থা রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া
হয়েছে।
এ ছাড়া
গ্রাহকের তথ্যের গোপনীয়তা রক্ষা এবং জালিয়াতি রোধে
অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা
জোরদার করতে ব্যাংকগুলোকে কঠোর
নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
মূলত
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ এবং দায়িত্বশীল ঋণ
প্রদান নিশ্চিত করতেই এই পূর্ণাঙ্গ গাইডলাইন
তৈরি করা হয়েছে। ক্রেডিট
কার্ডের সুদের হার নির্ধারণ এবং
কার্ডের বিভিন্ন প্রকারভেদ নিয়েও এতে স্পষ্ট নির্দেশনা
রয়েছে।
ডিজিটাল
লেনদেনের এই যুগে গ্রাহকদের
হয়রানি কমাতে এবং আর্থিক খাতের
শৃঙ্খলা বজায় রাখতেই এই
নতুন পদক্ষেপ কার্যকর করা হয়েছে বলে
মনে করছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ মার্চ ২০২৬
বাংলাদেশ ব্যাংক ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারের ক্ষেত্রে বড় ধরনের পরিবর্তন নিয়ে এসেছে। এখন থেকে ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে সর্বোচ্চ ৪০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ নিতে পারবেন গ্রাহকরা।
ব্যাংক
খাতের এই সেবাটিকে আরও
সুশৃঙ্খল, স্বচ্ছ ও গ্রাহকবান্ধব করার
লক্ষ্যেই রোববার নতুন এই গাইডলাইন
জারি করা হয়েছে বলে দাবি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের।
দৈনন্দিন
জীবনে নগদ টাকার বিকল্প
হিসেবে কার্ডের ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তা এবং বর্তমান বাজার
পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে এই সিদ্ধান্ত
নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান এ সব তথ্য জানান।
নতুন
এই নির্দেশনায় শুধু ঋণসীমা বাড়ানোই
হয়নি, বরং ক্রেডিট কার্ডের
ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা এবং গ্রাহকদের অধিকার
সুরক্ষায় বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে।
আগে
যেখানে সর্বোচ্চ ঋণসীমা ছিল ২৫ লাখ
টাকা, নতুন নিয়মে তা
বাড়িয়ে ৪০ লাখ টাকা
করা হয়েছে। একইভাবে জামানতবিহীন বা অনিরাপদ ঋণের
সীমাও ১০ লাখ টাকা
থেকে বাড়িয়ে এখন ২০ লাখ
টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
কেন্দ্রীয়
ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক
আরিফ হোসেন খান জানান, নগদবিহীন
বা ক্যাশলেস লেনদেন উৎসাহিত করতে এবং সেবার
পরিধি বাড়াতে বিদ্যমান নীতিমালা হালনাগাদ করা হয়েছে।
গাইডলাইনে
কার্ড ইস্যু করা থেকে শুরু
করে বিপণন, বিলিং পদ্ধতি এবং বকেয়া আদায়ের
প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা আনার কথা বলা
হয়েছে। অনেক সময় গ্রাহকরা
ক্রেডিট কার্ডের বিল বা লেনদেন
নিয়ে বিভিন্ন জটিলতায় পড়েন, যা নিরসনের জন্য
একটি শক্তিশালী বিরোধ নিষ্পত্তি ব্যবস্থা রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া
হয়েছে।
এ ছাড়া
গ্রাহকের তথ্যের গোপনীয়তা রক্ষা এবং জালিয়াতি রোধে
অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা
জোরদার করতে ব্যাংকগুলোকে কঠোর
নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
মূলত
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ এবং দায়িত্বশীল ঋণ
প্রদান নিশ্চিত করতেই এই পূর্ণাঙ্গ গাইডলাইন
তৈরি করা হয়েছে। ক্রেডিট
কার্ডের সুদের হার নির্ধারণ এবং
কার্ডের বিভিন্ন প্রকারভেদ নিয়েও এতে স্পষ্ট নির্দেশনা
রয়েছে।
ডিজিটাল
লেনদেনের এই যুগে গ্রাহকদের
হয়রানি কমাতে এবং আর্থিক খাতের
শৃঙ্খলা বজায় রাখতেই এই
নতুন পদক্ষেপ কার্যকর করা হয়েছে বলে
মনে করছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

আপনার মতামত লিখুন