ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে এক কলেজছাত্রীকে অপহরণ ও ধর্ষণের অভিযোগে সোহেল শেখ (৩৫) নামে এক যুবককে দুটি পৃথক ধারায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
রোববার (১৫ মার্চ) বিকেলে ফরিদপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) শামীমা পারভীন জনাকীর্ণ আদালতে এ রায় ঘোষণা করেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, দণ্ডপ্রাপ্ত সোহেল শেখ আলফাডাঙ্গা উপজেলার দক্ষিণ চরনারায়ণপুর গ্রামের বাসিন্দা। ২০১৬ সালে ভুক্তভোগী ছাত্রীটি একাদশ শ্রেণিতে পড়ার সময় কলেজে যাওয়ার পথে সোহেল তাকে নিয়মিত উত্ত্যক্ত করত। এ নিয়ে প্রতিবাদ করায় ওই বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর সহযোগীদের নিয়ে মাইক্রোবাসযোগে ছাত্রীকে অপহরণ করে সোহেল। পরবর্তীতে তাকে ধর্ষণ করা হয়।
রায়ের উল্লেখযোগ্য দিকসমূহের মধ্যে রয়েছে— অপহরণ এবং ধর্ষণ উভয় অপরাধের জন্য পৃথকভাবে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে, তবে এই দুই সাজা একই সঙ্গে (কনকারেন্ট) চলবে; মামলার অপর দুই আসামি রাসেল শেখ ও আরিফ শেখের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদের খালাস দেওয়া হয়েছে; এবং ২০১৬ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর মামলা দায়েরের পর ২০১৭ সালের ২ মার্চ পুলিশ অভিযোগপত্র (চার্জশিট) জমা দেয়ার পর দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আজ এই রায় ঘোষণা করা হয়।
রায় ঘোষণার সময় আসামি সোহেল শেখ আদালতে উপস্থিত ছিলেন। রায় শেষে তাকে পুলিশ পাহারায় জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।
আদালতের স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর গোলাম রব্বানী রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, ‘এই রায়ের মাধ্যমে এটিই প্রমাণিত হলো যে অপরাধ করে কেউ পার পায় না। দুটি ভিন্ন ধারায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদানের মাধ্যমে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আমরা এই রায়ে সন্তুষ্ট।’

সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ মার্চ ২০২৬
ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে এক কলেজছাত্রীকে অপহরণ ও ধর্ষণের অভিযোগে সোহেল শেখ (৩৫) নামে এক যুবককে দুটি পৃথক ধারায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
রোববার (১৫ মার্চ) বিকেলে ফরিদপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) শামীমা পারভীন জনাকীর্ণ আদালতে এ রায় ঘোষণা করেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, দণ্ডপ্রাপ্ত সোহেল শেখ আলফাডাঙ্গা উপজেলার দক্ষিণ চরনারায়ণপুর গ্রামের বাসিন্দা। ২০১৬ সালে ভুক্তভোগী ছাত্রীটি একাদশ শ্রেণিতে পড়ার সময় কলেজে যাওয়ার পথে সোহেল তাকে নিয়মিত উত্ত্যক্ত করত। এ নিয়ে প্রতিবাদ করায় ওই বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর সহযোগীদের নিয়ে মাইক্রোবাসযোগে ছাত্রীকে অপহরণ করে সোহেল। পরবর্তীতে তাকে ধর্ষণ করা হয়।
রায়ের উল্লেখযোগ্য দিকসমূহের মধ্যে রয়েছে— অপহরণ এবং ধর্ষণ উভয় অপরাধের জন্য পৃথকভাবে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে, তবে এই দুই সাজা একই সঙ্গে (কনকারেন্ট) চলবে; মামলার অপর দুই আসামি রাসেল শেখ ও আরিফ শেখের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদের খালাস দেওয়া হয়েছে; এবং ২০১৬ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর মামলা দায়েরের পর ২০১৭ সালের ২ মার্চ পুলিশ অভিযোগপত্র (চার্জশিট) জমা দেয়ার পর দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আজ এই রায় ঘোষণা করা হয়।
রায় ঘোষণার সময় আসামি সোহেল শেখ আদালতে উপস্থিত ছিলেন। রায় শেষে তাকে পুলিশ পাহারায় জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।
আদালতের স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর গোলাম রব্বানী রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, ‘এই রায়ের মাধ্যমে এটিই প্রমাণিত হলো যে অপরাধ করে কেউ পার পায় না। দুটি ভিন্ন ধারায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদানের মাধ্যমে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আমরা এই রায়ে সন্তুষ্ট।’

আপনার মতামত লিখুন