গাইবান্ধা জেলা পরিষদের নতুন প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন জেলা বিএনপির সভাপতি ও বিশিষ্ট চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. সৈয়দ মইনুল হাসান সাদিক।
রোববার (১৫ মার্চ) স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় থেকে জারিকৃত এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে দেশের ৪২টি জেলা পরিষদের সাথে তাঁকে এই দায়িত্ব প্রদান করা হয়।
স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী ও গতিশীল করার লক্ষ্যেই সরকারের এই উচ্চপর্যায়ের সিদ্ধান্ত বলে জানা গেছে। জেলা পরিষদের নির্বাচিত পরিষদের মেয়াদ শেষ হওয়ায় অথবা বিশেষ প্রশাসনিক প্রয়োজনে সরকার এ পদক্ষেপ নিয়েছে।
অধ্যাপক ডা. সৈয়দ মইনুল হাসান সাদিক গাইবান্ধার রাজনীতিতে একজন জনপ্রিয় ও স্বচ্ছ ভাবমূর্তির নেতা হিসেবে সুপরিচিত। তিনি দীর্ঘদিন ধরে গাইবান্ধা জেলা বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব পালন করে আসছেন। পেশায় একজন স্বনামধন্য চিকিৎসক হিসেবে তিনি সাধারণ মানুষের মাঝে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও অন্যান্য মানবিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত থেকে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি গাইবান্ধা-৩ (সাদুল্লাপুর-পলাশবাড়ী) আসন থেকে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
তার এই নিয়োগের খবর ছড়িয়ে পড়লে গাইবান্ধা জেলা বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের মাঝে আনন্দের সঞ্চার হয়। নেতাকর্মীরা আশা প্রকাশ করেছেন, ডা. সাদিকের মতো একজন অভিজ্ঞ ও জনবান্ধব নেতা জেলা পরিষদের দায়িত্ব পাওয়ায় জেলার উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে নতুন গতি আসবে এবং জনসেবা আরও নিশ্চিত হবে।
নিয়োগের পর এক সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়ায় ডা. মইনুল হাসান সাদিক বলেন, ‘সরকার আমাকে যে বিশ্বাস ও দায়িত্ব দিয়েছে, আমি সততা ও নিষ্ঠার সাথে তা পালন করার চেষ্টা করব। জেলা পরিষদকে একটি সেবাধর্মী ও দুর্নীতিমুক্ত প্রতিষ্ঠানে পরিণত করাই হবে আমার মূল লক্ষ্য।’

সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ মার্চ ২০২৬
গাইবান্ধা জেলা পরিষদের নতুন প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন জেলা বিএনপির সভাপতি ও বিশিষ্ট চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. সৈয়দ মইনুল হাসান সাদিক।
রোববার (১৫ মার্চ) স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় থেকে জারিকৃত এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে দেশের ৪২টি জেলা পরিষদের সাথে তাঁকে এই দায়িত্ব প্রদান করা হয়।
স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী ও গতিশীল করার লক্ষ্যেই সরকারের এই উচ্চপর্যায়ের সিদ্ধান্ত বলে জানা গেছে। জেলা পরিষদের নির্বাচিত পরিষদের মেয়াদ শেষ হওয়ায় অথবা বিশেষ প্রশাসনিক প্রয়োজনে সরকার এ পদক্ষেপ নিয়েছে।
অধ্যাপক ডা. সৈয়দ মইনুল হাসান সাদিক গাইবান্ধার রাজনীতিতে একজন জনপ্রিয় ও স্বচ্ছ ভাবমূর্তির নেতা হিসেবে সুপরিচিত। তিনি দীর্ঘদিন ধরে গাইবান্ধা জেলা বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব পালন করে আসছেন। পেশায় একজন স্বনামধন্য চিকিৎসক হিসেবে তিনি সাধারণ মানুষের মাঝে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও অন্যান্য মানবিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত থেকে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি গাইবান্ধা-৩ (সাদুল্লাপুর-পলাশবাড়ী) আসন থেকে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
তার এই নিয়োগের খবর ছড়িয়ে পড়লে গাইবান্ধা জেলা বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের মাঝে আনন্দের সঞ্চার হয়। নেতাকর্মীরা আশা প্রকাশ করেছেন, ডা. সাদিকের মতো একজন অভিজ্ঞ ও জনবান্ধব নেতা জেলা পরিষদের দায়িত্ব পাওয়ায় জেলার উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে নতুন গতি আসবে এবং জনসেবা আরও নিশ্চিত হবে।
নিয়োগের পর এক সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়ায় ডা. মইনুল হাসান সাদিক বলেন, ‘সরকার আমাকে যে বিশ্বাস ও দায়িত্ব দিয়েছে, আমি সততা ও নিষ্ঠার সাথে তা পালন করার চেষ্টা করব। জেলা পরিষদকে একটি সেবাধর্মী ও দুর্নীতিমুক্ত প্রতিষ্ঠানে পরিণত করাই হবে আমার মূল লক্ষ্য।’

আপনার মতামত লিখুন