শেষ ওভারে ১৪ রানের সমীকরণ, হাতে মাত্র এক উইকেট। প্রতিপক্ষের ব্যাটে শাহিন আফ্রিদি- যে কোনো মুহূর্তে ম্যাচ হাতছাড়া হওয়ার শঙ্কা। কিন্তু রিশাদ হোসেনের করা সেই ওভারেই যেন নাটকের মোড় ঘুরে গেল। টেনশনের চরম মুহূর্ত পেরিয়ে শেষ পর্যন্ত ১১ রানের অবিশ্বাস্য জয়ে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ নিজেদের করে নিল বাংলাদেশ।
রোববার (১৫ মার্চ) শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে স্নায়ুক্ষয়ী এক লড়াই প্রত্যক্ষ করল দর্শকরা। টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে তানজিদ হাসানের ঝোড়ো সেঞ্চুরিতে (১০৭ বলে ১০৭) বাংলাদেশ তোলে ৫ উইকেটে ২৯০ রান।
জবাবে পাকিস্তানও জয়ের স্বপ্ন দেখাচ্ছিল সালমান আগাকে (৫২ বলে ৭৫) ঘিরে। কিন্তু শেষ দিকে তাসকিনের করা ৪৮তম ওভারে সালমানের বিদায়েই যেন খেই হারায় পাকিস্তান।
তার আগে অবশ্য মোস্তাফিজকে নিয়ে একবার শঙ্কায় পড়তে হয়েছিল বাংলাদেশ শিবিরকে। ৪৯তম ওভারে শাহিন আফ্রিদির মারাত্মক শট লেগে হাঁটুতে গুরুতর আঘাত পান মোস্তাফিজ।
মাটিতে লুটিয়ে পড়ার পরও তিনি ওভার শেষ করেন। শেষ বলে হারিস রউফকে ক্যাচ বানিয়ে বাংলাদেশকে এনে দেন বিপুল স্বস্তি।
শেষ ওভারে বাংলাদেশকে নিয়ে আসেন রিশাদ। আগের ওভার শেষে পাকিস্তানের দরকার ছিল ১৪ রান। রিশাদের প্রথম বলেই আম্পায়ার ওয়াইড দিলে শঙ্কা আরও বাড়ে। কিন্তু বাংলাদেশের তৎক্ষণাৎ রিভিউ নেওয়ায় সেই সিদ্ধান্ত বদলে যায়। বলটি ব্যাট ছোঁয়ায় ডিআরএসের পক্ষে প্রমাণিত হয়। এরপর আর রান নিতে পারেননি আফ্রিদিরা; বরং শেষ বলে স্টাম্পড হয়ে যান আফ্রিদি নিজেই।
এর আগে বাংলাদেশের ইনিংসটা ছিল তানজিদের ক্যারিয়ার সেরা ইনিংস। ৩০তম ওয়ানডেতে এসে প্রথম সেঞ্চুরি তুলে নেন এই ওপেনার। ৭ ছক্কা ও ৬ চারে সাজানো তার ইনিংসটি বাংলাদেশের সংগ্রহকে ভিত শক্ত করে দেয়। সাইফ হাসানের (৩৭) সঙ্গে তার উদ্বোধনী জুটিতে আসে ১০৫ রান। পরে লিটন দাসের ৪১ ও তাওহিদ হৃদয়ের অপরাজিত ৪৮ রানে ভর করে বাংলাদেশ নির্ধারিত ৫০ ওভার শেষে পৌঁছে ২৯০ রানে।
২০১৫ সালের পর দুই দলের প্রথম ওয়ানডে সিরিজে এমন রুদ্ধশ্বাস লড়াই উপহার দিয়ে জয় ছিনিয়ে নেওয়াটা বাংলাদেশের জন্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। শুরুতে পাওয়ারপ্লেতে বিনা উইকেটে ৫০ রান তোলার পর শেষ ১০ ওভারে মাত্র ৭৭ রান- ব্যাটিংয়ে কিছু ধীরগতি থাকলেও শেষ হাসি বাংলাদেশের বোলাররাই হাসেন।

সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ মার্চ ২০২৬
শেষ ওভারে ১৪ রানের সমীকরণ, হাতে মাত্র এক উইকেট। প্রতিপক্ষের ব্যাটে শাহিন আফ্রিদি- যে কোনো মুহূর্তে ম্যাচ হাতছাড়া হওয়ার শঙ্কা। কিন্তু রিশাদ হোসেনের করা সেই ওভারেই যেন নাটকের মোড় ঘুরে গেল। টেনশনের চরম মুহূর্ত পেরিয়ে শেষ পর্যন্ত ১১ রানের অবিশ্বাস্য জয়ে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ নিজেদের করে নিল বাংলাদেশ।
রোববার (১৫ মার্চ) শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে স্নায়ুক্ষয়ী এক লড়াই প্রত্যক্ষ করল দর্শকরা। টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে তানজিদ হাসানের ঝোড়ো সেঞ্চুরিতে (১০৭ বলে ১০৭) বাংলাদেশ তোলে ৫ উইকেটে ২৯০ রান।
জবাবে পাকিস্তানও জয়ের স্বপ্ন দেখাচ্ছিল সালমান আগাকে (৫২ বলে ৭৫) ঘিরে। কিন্তু শেষ দিকে তাসকিনের করা ৪৮তম ওভারে সালমানের বিদায়েই যেন খেই হারায় পাকিস্তান।
তার আগে অবশ্য মোস্তাফিজকে নিয়ে একবার শঙ্কায় পড়তে হয়েছিল বাংলাদেশ শিবিরকে। ৪৯তম ওভারে শাহিন আফ্রিদির মারাত্মক শট লেগে হাঁটুতে গুরুতর আঘাত পান মোস্তাফিজ।
মাটিতে লুটিয়ে পড়ার পরও তিনি ওভার শেষ করেন। শেষ বলে হারিস রউফকে ক্যাচ বানিয়ে বাংলাদেশকে এনে দেন বিপুল স্বস্তি।
শেষ ওভারে বাংলাদেশকে নিয়ে আসেন রিশাদ। আগের ওভার শেষে পাকিস্তানের দরকার ছিল ১৪ রান। রিশাদের প্রথম বলেই আম্পায়ার ওয়াইড দিলে শঙ্কা আরও বাড়ে। কিন্তু বাংলাদেশের তৎক্ষণাৎ রিভিউ নেওয়ায় সেই সিদ্ধান্ত বদলে যায়। বলটি ব্যাট ছোঁয়ায় ডিআরএসের পক্ষে প্রমাণিত হয়। এরপর আর রান নিতে পারেননি আফ্রিদিরা; বরং শেষ বলে স্টাম্পড হয়ে যান আফ্রিদি নিজেই।
এর আগে বাংলাদেশের ইনিংসটা ছিল তানজিদের ক্যারিয়ার সেরা ইনিংস। ৩০তম ওয়ানডেতে এসে প্রথম সেঞ্চুরি তুলে নেন এই ওপেনার। ৭ ছক্কা ও ৬ চারে সাজানো তার ইনিংসটি বাংলাদেশের সংগ্রহকে ভিত শক্ত করে দেয়। সাইফ হাসানের (৩৭) সঙ্গে তার উদ্বোধনী জুটিতে আসে ১০৫ রান। পরে লিটন দাসের ৪১ ও তাওহিদ হৃদয়ের অপরাজিত ৪৮ রানে ভর করে বাংলাদেশ নির্ধারিত ৫০ ওভার শেষে পৌঁছে ২৯০ রানে।
২০১৫ সালের পর দুই দলের প্রথম ওয়ানডে সিরিজে এমন রুদ্ধশ্বাস লড়াই উপহার দিয়ে জয় ছিনিয়ে নেওয়াটা বাংলাদেশের জন্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। শুরুতে পাওয়ারপ্লেতে বিনা উইকেটে ৫০ রান তোলার পর শেষ ১০ ওভারে মাত্র ৭৭ রান- ব্যাটিংয়ে কিছু ধীরগতি থাকলেও শেষ হাসি বাংলাদেশের বোলাররাই হাসেন।

আপনার মতামত লিখুন