খুলনা নগরের দৌলতপুর এলাকায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে রাশিদুল আনাম রাশু (৩০) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। সোমবার (১৬ মার্চ) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে দৌলতপুর থানাধীন কেডিএ কল্পতরু মার্কেটের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত রাশু দৌলতপুর থানা ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন। পরে তিনি যুবদলের রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত হন। তিনি দৌলতপুরের দেয়ানা এলাকার বাসিন্দা শরীফুল আনামের ছেলে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শফিকুল ইসলাম জানান, সোমবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে কেডিএ কল্পতরু মার্কেটে নিজের ইট-বালুর ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের সামনে অবস্থান করছিলেন রাশু। এ সময় কয়েকজন সন্ত্রাসী তাকে লক্ষ্য করে তিনটি গুলি ছোড়ে। একটি গুলি তার মাথার পেছনে বিদ্ধ হয়। স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
ওসি আরও জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
ঘটনাস্থলের আশপাশে ফায়ার সার্ভিসের একটি অফিস, খুলনা কৃষি কলেজ, একটি তেলের মিল ও প্রায় দশটি দোকান থাকলেও অজ্ঞাত সন্ত্রাসীরা নির্বিঘ্নে এ হত্যাকাণ্ড ঘটাতে সক্ষম হয়।

সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ মার্চ ২০২৬
খুলনা নগরের দৌলতপুর এলাকায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে রাশিদুল আনাম রাশু (৩০) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। সোমবার (১৬ মার্চ) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে দৌলতপুর থানাধীন কেডিএ কল্পতরু মার্কেটের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত রাশু দৌলতপুর থানা ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন। পরে তিনি যুবদলের রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত হন। তিনি দৌলতপুরের দেয়ানা এলাকার বাসিন্দা শরীফুল আনামের ছেলে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শফিকুল ইসলাম জানান, সোমবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে কেডিএ কল্পতরু মার্কেটে নিজের ইট-বালুর ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের সামনে অবস্থান করছিলেন রাশু। এ সময় কয়েকজন সন্ত্রাসী তাকে লক্ষ্য করে তিনটি গুলি ছোড়ে। একটি গুলি তার মাথার পেছনে বিদ্ধ হয়। স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
ওসি আরও জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
ঘটনাস্থলের আশপাশে ফায়ার সার্ভিসের একটি অফিস, খুলনা কৃষি কলেজ, একটি তেলের মিল ও প্রায় দশটি দোকান থাকলেও অজ্ঞাত সন্ত্রাসীরা নির্বিঘ্নে এ হত্যাকাণ্ড ঘটাতে সক্ষম হয়।

আপনার মতামত লিখুন