সুন্দরবনে কুমিরের আক্রমণে নিহত সুব্রত মণ্ডলের পরিবারকে তিন লাখ টাকার ক্ষতিপূরণের চেক প্রদান করা হয়েছে। রোববার (১৫ মার্চ) সুন্দরবন পূর্ব বিভাগের বিভাগীয় কার্যালয়ে আয়োজিত অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানে বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মো. রেজাউল করিম চৌধুরী আনুষ্ঠানিকভাবে চেকটি হস্তান্তর করেন।
স্বামীর মৃত্যুতে ক্ষতিপূরণের এ চেক গ্রহণ করেন সুব্রত মণ্ডলের স্ত্রী বামনী মণ্ডল। এ সময় চাঁদপাই রেঞ্জের ঢাংমারী স্টেশন কর্মকর্তা সুরজিৎ চৌধুরী ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
সুন্দরবন পূর্ব বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিম চৌধুরী জানান, সুন্দরবনের বৈধ পাস নিয়ে কাঁকড়া আহরণ করতে গিয়ে কুমিরের আক্রমণে নিহত হওয়ায় ওই বনজীবী পরিবারকে সরকারের পক্ষ থেকে এই আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে।
গত বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর সুন্দরবনে কাঁকড়া আহরণ শেষে করমজল খাল সাঁতরে বাড়ি ফিরছিলেন বনজীবী সুব্রত মণ্ডল। এ সময় সুন্দরবনের একটি কুমির তাঁকে আক্রমণ করে টেনে নিয়ে যায়। পরে তাঁর ক্ষতবিক্ষত লাশ ভেসে ওঠে। নিহত সুব্রত মণ্ডল দাকোপ উপজেলার ঢাংমারী গ্রামের কুমুদ মণ্ডলের ছেলে।

সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ মার্চ ২০২৬
সুন্দরবনে কুমিরের আক্রমণে নিহত সুব্রত মণ্ডলের পরিবারকে তিন লাখ টাকার ক্ষতিপূরণের চেক প্রদান করা হয়েছে। রোববার (১৫ মার্চ) সুন্দরবন পূর্ব বিভাগের বিভাগীয় কার্যালয়ে আয়োজিত অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানে বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মো. রেজাউল করিম চৌধুরী আনুষ্ঠানিকভাবে চেকটি হস্তান্তর করেন।
স্বামীর মৃত্যুতে ক্ষতিপূরণের এ চেক গ্রহণ করেন সুব্রত মণ্ডলের স্ত্রী বামনী মণ্ডল। এ সময় চাঁদপাই রেঞ্জের ঢাংমারী স্টেশন কর্মকর্তা সুরজিৎ চৌধুরী ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
সুন্দরবন পূর্ব বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিম চৌধুরী জানান, সুন্দরবনের বৈধ পাস নিয়ে কাঁকড়া আহরণ করতে গিয়ে কুমিরের আক্রমণে নিহত হওয়ায় ওই বনজীবী পরিবারকে সরকারের পক্ষ থেকে এই আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে।
গত বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর সুন্দরবনে কাঁকড়া আহরণ শেষে করমজল খাল সাঁতরে বাড়ি ফিরছিলেন বনজীবী সুব্রত মণ্ডল। এ সময় সুন্দরবনের একটি কুমির তাঁকে আক্রমণ করে টেনে নিয়ে যায়। পরে তাঁর ক্ষতবিক্ষত লাশ ভেসে ওঠে। নিহত সুব্রত মণ্ডল দাকোপ উপজেলার ঢাংমারী গ্রামের কুমুদ মণ্ডলের ছেলে।

আপনার মতামত লিখুন