প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, জনগণের দেওয়া প্রতিটি নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি পূরণে সরকার কাজ করে যাচ্ছে।
তিনি
উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের প্রাণশক্তি হলো গ্রামের সাধারণ
মানুষ এবং তাদের প্রধান
জীবিকা কৃষি। তাই কৃষি ও
কৃষককে রক্ষা করার লক্ষ্য নিয়েই
সরকার দেশ গড়ার কাজে
হাত দিয়েছে।
সোমবার
দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার সাহাপাড়া থেকে ১২ দশমিক
২ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি খাল খননের
মাধ্যমে একযোগে দেশের ৫৩টি খাল খনন
ও পুনঃখনন কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনকালে তিনি এ সব কথা
বলেন।
কৃষি
ঋণ মওকুফ, ফ্যামিলি কার্ড এবং ইমাম-মুয়াজ্জিন
ও পুরোহিতদের সম্মানী ভাতা চালুর পর
এবার দেশব্যাপী খাল খনন কর্মসূচির
উদ্বোধন করা হলো।
উদ্বোধনী
অনুষ্ঠান শেষে প্রধানমন্ত্রী খালের
পাড়ে একটি বৃক্ষরোপণ করেন
এবং পরে সেখানে আয়োজিত
এক সুধী সমাবেশে প্রধান
অতিথির বক্তব্য প্রদান করেন।
সুধী
সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, আমাদের মূল লক্ষ্য হলো
‘সবার আগে বাংলাদেশ’।
দেশের প্রায় ৮০ শতাংশ মানুষ
সরাসরি কৃষির ওপর নির্ভরশীল হওয়ায়
কৃষিখাতের উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। কৃষকরা যাতে ন্যায্যমূল্যে সার,
বীজসহ অন্যান্য কৃষি উপকরণ পেতে
পারেন, সেজন্য শিগগিরই দেশব্যাপী ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ
করা হবে। এছাড়া কৃষিভিত্তিক
শিল্পকারখানা গড়ে তোলার মাধ্যমে
গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করারও পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
তিনি
আরও জানান, এই খাল খনন
প্রকল্পের ফলে অন্তত ৩১
হাজার কৃষক সরাসরি সেচ
সুবিধা পাবেন, যা ফসল উৎপাদনে
বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনবে।
বক্তব্যের
এক পর্যায়ে প্রধানমন্ত্রী শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর
রহমানের নেওয়া পদক্ষেপের কথা স্মরণ করে
বলেন, নদীগুলো ভরাট হয়ে যাওয়ায়
বর্ষাকালে যেমন বন্যা হয়,
তেমনি শুষ্ক মৌসুমে দেখা দেয় তীব্র
খরা। এই সংকট মোকাবিলায়
এবং বর্ষার পানি ধরে রেখে
সেচ কাজে ব্যবহারের উদ্দেশ্যেই
অতীতে খাল খনন কর্মসূচি
হাতে নেওয়া হয়েছিল। সেই ধারাবাহিকতায় বর্তমান
সরকারও দেশকে স্বনির্ভর করতে এবং পরিবেশবান্ধব
হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ
করছে।
খালের
দুই পাড়ে ফলদ ও
বনজ বৃক্ষ রোপণের মাধ্যমে দেশের সবুজ প্রকৃতি রক্ষা
করার জন্য তিনি সবার
প্রতি আহ্বান জানান।
খাল
খনন কর্মসূচির উদ্বোধন শেষে প্রধানমন্ত্রী সড়কপথে
দিনাজপুর শহরের উপশহরে অবস্থিত শেখ ফরিদ গোরস্থানে
যান। সেখানে তিনি তাঁর নানা
মো. ইস্কান্দার মজুমদার, নানী তৈয়বা মজুমদার
এবং বড় খালা সাবেক
মন্ত্রী বেগম খুরশিদ জাহান
হকের কবর জিয়ারত ও
মোনাজাত করেন।
প্রধানমন্ত্রীর
সফর অনুযায়ী, বিকেলে জেলা আয়োজিত ইফতার
মাহফিলে অংশগ্রহণ শেষে সন্ধ্যায় সৈয়দপুর
বিমানবন্দর হয়ে তাঁর ঢাকায়
ফেরার কথা রয়েছে।

সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ মার্চ ২০২৬
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, জনগণের দেওয়া প্রতিটি নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি পূরণে সরকার কাজ করে যাচ্ছে।
তিনি
উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের প্রাণশক্তি হলো গ্রামের সাধারণ
মানুষ এবং তাদের প্রধান
জীবিকা কৃষি। তাই কৃষি ও
কৃষককে রক্ষা করার লক্ষ্য নিয়েই
সরকার দেশ গড়ার কাজে
হাত দিয়েছে।
সোমবার
দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার সাহাপাড়া থেকে ১২ দশমিক
২ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি খাল খননের
মাধ্যমে একযোগে দেশের ৫৩টি খাল খনন
ও পুনঃখনন কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনকালে তিনি এ সব কথা
বলেন।
কৃষি
ঋণ মওকুফ, ফ্যামিলি কার্ড এবং ইমাম-মুয়াজ্জিন
ও পুরোহিতদের সম্মানী ভাতা চালুর পর
এবার দেশব্যাপী খাল খনন কর্মসূচির
উদ্বোধন করা হলো।
উদ্বোধনী
অনুষ্ঠান শেষে প্রধানমন্ত্রী খালের
পাড়ে একটি বৃক্ষরোপণ করেন
এবং পরে সেখানে আয়োজিত
এক সুধী সমাবেশে প্রধান
অতিথির বক্তব্য প্রদান করেন।
সুধী
সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, আমাদের মূল লক্ষ্য হলো
‘সবার আগে বাংলাদেশ’।
দেশের প্রায় ৮০ শতাংশ মানুষ
সরাসরি কৃষির ওপর নির্ভরশীল হওয়ায়
কৃষিখাতের উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। কৃষকরা যাতে ন্যায্যমূল্যে সার,
বীজসহ অন্যান্য কৃষি উপকরণ পেতে
পারেন, সেজন্য শিগগিরই দেশব্যাপী ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ
করা হবে। এছাড়া কৃষিভিত্তিক
শিল্পকারখানা গড়ে তোলার মাধ্যমে
গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করারও পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
তিনি
আরও জানান, এই খাল খনন
প্রকল্পের ফলে অন্তত ৩১
হাজার কৃষক সরাসরি সেচ
সুবিধা পাবেন, যা ফসল উৎপাদনে
বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনবে।
বক্তব্যের
এক পর্যায়ে প্রধানমন্ত্রী শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর
রহমানের নেওয়া পদক্ষেপের কথা স্মরণ করে
বলেন, নদীগুলো ভরাট হয়ে যাওয়ায়
বর্ষাকালে যেমন বন্যা হয়,
তেমনি শুষ্ক মৌসুমে দেখা দেয় তীব্র
খরা। এই সংকট মোকাবিলায়
এবং বর্ষার পানি ধরে রেখে
সেচ কাজে ব্যবহারের উদ্দেশ্যেই
অতীতে খাল খনন কর্মসূচি
হাতে নেওয়া হয়েছিল। সেই ধারাবাহিকতায় বর্তমান
সরকারও দেশকে স্বনির্ভর করতে এবং পরিবেশবান্ধব
হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ
করছে।
খালের
দুই পাড়ে ফলদ ও
বনজ বৃক্ষ রোপণের মাধ্যমে দেশের সবুজ প্রকৃতি রক্ষা
করার জন্য তিনি সবার
প্রতি আহ্বান জানান।
খাল
খনন কর্মসূচির উদ্বোধন শেষে প্রধানমন্ত্রী সড়কপথে
দিনাজপুর শহরের উপশহরে অবস্থিত শেখ ফরিদ গোরস্থানে
যান। সেখানে তিনি তাঁর নানা
মো. ইস্কান্দার মজুমদার, নানী তৈয়বা মজুমদার
এবং বড় খালা সাবেক
মন্ত্রী বেগম খুরশিদ জাহান
হকের কবর জিয়ারত ও
মোনাজাত করেন।
প্রধানমন্ত্রীর
সফর অনুযায়ী, বিকেলে জেলা আয়োজিত ইফতার
মাহফিলে অংশগ্রহণ শেষে সন্ধ্যায় সৈয়দপুর
বিমানবন্দর হয়ে তাঁর ঢাকায়
ফেরার কথা রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন