নদী খনন পরিবেশ ও জনস্বার্থ রক্ষার একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। নদীর নাব্য ফিরিয়ে আনা, জলাবদ্ধতা কমানো এবং প্রাকৃতিক প্রবাহ স্বাভাবিক রাখতে এ ধরনের প্রকল্প প্রয়োজনীয়। কিন্তু যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলায় চিত্রা নদী খননের কাজ নতুন করে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করেছে।
সংবাদ-এ প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, নদী খননের সময় তোলা মাটি নদীতীরবর্তী বসত এলাকায় ফেলে রাখা হয়েছে। এর ফলে ধর্মগাতী ও ঘোপ দুর্গাপুর গ্রামের বহু পরিবারের বসতভিটা, শৌচাগার, গোয়ালঘর ও টিউবওয়েল মাটির নিচে চাপা পড়েছে। কোথাও বাড়ির চারপাশে বড় বড় ঢিবি তৈরি হওয়ায় জনসাধারণের চলাচলও কঠিন হয়ে পড়েছে। বৃষ্টির সময় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠার আশঙ্কা রয়েছে।
নদী খনন একটি দীর্ঘমেয়াদি উপকার বয়ে আনার কথা। কিন্তু সেই কাজের মধ্যবর্তী ব্যবস্থাপনায় যদি মানুষের স্বাভাবিক জীবন ব্যাহত হয়, তবে তা গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। এ ধরনের পরিস্থিতিতে প্রকল্প ব্যবস্থাপনার দায় এড়ানোর সুযোগ নেই।
খননকৃত মাটি কোথায় রাখা হবে, কীভাবে দ্রæত অপসারণ করা হবে এসব বিষয় সাধারণত প্রকল্প পরিকল্পনার অংশ হওয়ার কথা। বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, মাটি দীর্ঘ সময় ধরে নদীতীরে পড়ে রয়েছে। মাটি অপসারণের জন্য স্পট নিলামের উদ্যোগ নেয়া হলেও তা স্থগিত হয়েছে। আবার মাটির দাম নির্ধারণ নিয়েও মতভেদ তৈরি হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এসব কারণে সমস্যার সমাধান বিলম্বিত হচ্ছে।
আমরা বলতে চাই, উল্লিখিত স্থানে খননকৃত মাটি দ্রুত অপসারণ এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর সমস্যার সমাধানে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। আশা করি, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।

সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ মার্চ ২০২৬
নদী খনন পরিবেশ ও জনস্বার্থ রক্ষার একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। নদীর নাব্য ফিরিয়ে আনা, জলাবদ্ধতা কমানো এবং প্রাকৃতিক প্রবাহ স্বাভাবিক রাখতে এ ধরনের প্রকল্প প্রয়োজনীয়। কিন্তু যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলায় চিত্রা নদী খননের কাজ নতুন করে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করেছে।
সংবাদ-এ প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, নদী খননের সময় তোলা মাটি নদীতীরবর্তী বসত এলাকায় ফেলে রাখা হয়েছে। এর ফলে ধর্মগাতী ও ঘোপ দুর্গাপুর গ্রামের বহু পরিবারের বসতভিটা, শৌচাগার, গোয়ালঘর ও টিউবওয়েল মাটির নিচে চাপা পড়েছে। কোথাও বাড়ির চারপাশে বড় বড় ঢিবি তৈরি হওয়ায় জনসাধারণের চলাচলও কঠিন হয়ে পড়েছে। বৃষ্টির সময় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠার আশঙ্কা রয়েছে।
নদী খনন একটি দীর্ঘমেয়াদি উপকার বয়ে আনার কথা। কিন্তু সেই কাজের মধ্যবর্তী ব্যবস্থাপনায় যদি মানুষের স্বাভাবিক জীবন ব্যাহত হয়, তবে তা গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। এ ধরনের পরিস্থিতিতে প্রকল্প ব্যবস্থাপনার দায় এড়ানোর সুযোগ নেই।
খননকৃত মাটি কোথায় রাখা হবে, কীভাবে দ্রæত অপসারণ করা হবে এসব বিষয় সাধারণত প্রকল্প পরিকল্পনার অংশ হওয়ার কথা। বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, মাটি দীর্ঘ সময় ধরে নদীতীরে পড়ে রয়েছে। মাটি অপসারণের জন্য স্পট নিলামের উদ্যোগ নেয়া হলেও তা স্থগিত হয়েছে। আবার মাটির দাম নির্ধারণ নিয়েও মতভেদ তৈরি হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এসব কারণে সমস্যার সমাধান বিলম্বিত হচ্ছে।
আমরা বলতে চাই, উল্লিখিত স্থানে খননকৃত মাটি দ্রুত অপসারণ এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর সমস্যার সমাধানে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। আশা করি, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।

আপনার মতামত লিখুন