গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো সেতু। একটি ছোট খাল বা নদীর ওপর সেতু না থাকলে আশপাশের মানুষের দৈনন্দিন জীবন, শিক্ষা ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে ব্যাহত হয়। চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার শাসনপাড়া গ্রামে সুন্দরী খালের সংযোগ খালের ওপর একটি সেতু না থাকায় দীর্ঘদিন ধরে মানুষকে ঝুঁকিপূর্ণ কাঠের সাঁকো ব্যবহার করতে হচ্ছে। এ ঘটনা গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নের বাস্তব চিত্রের একটি দিক তুলে ধরে।
প্রায় ২৫ বছর ধরে স্থানীয় মানুষ একটি সেতুর প্রত্যাশায় আছেন। কিন্তু সেই দাবি এখনও বাস্তবায়িত হয়নি। পাঁচ গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে কাঠের সাঁকো পার হচ্ছেন। স্থানীয়দের চাঁদা তুলে কয়েক বছর আগে সাঁকো নির্মাণ ও মেরামতের উদ্যোগ নিতে হয়েছে। উন্নয়ন পরিকল্পনায় মানুষের এই ধরনের স্বতঃস্ফূর্ত উদ্যোগ প্রশংসনীয় হলেও, প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণের দায়িত্ব শেষ পর্যন্ত রাষ্ট্রের সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানেরই।
একটি সেতুর অভাব কেবল যাতায়াতের অসুবিধা সৃষ্টি করে না। এর প্রভাব অনেক বিস্তৃত। কৃষিপণ্য বাজারে নিতে বিলম্ব হয়, রোগী পরিবহনে সমস্যা দেখা দেয়, শিক্ষার্থীদের নিয়মিত বিদ্যালয়ে যাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। ঝুঁকিপূর্ণ সাঁকো দিয়ে প্রতিদিন চলাচল করা যে কতটা অনিরাপদ, তা ভুক্তভোগীরাই জানেন। গ্রামীণ জনপদের মানুষের জন্য একটি ছোট সেতু অনেক সময় বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে পারে।
স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের পক্ষ থেকে সেতু নির্মাণের বিষয়ে যোগাযোগ ও উদ্যোগের কথা বলা হয়েছে। উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে প্রকল্প প্রস্তাবনা তৈরির কথা জানিয়েছেন। তবে এমন উদ্যোগ দ্রুত বাস্তবায়নে রূপ না নিলে মানুষের দুর্ভোগ কমবে না।
গ্রামীণ উন্নয়নের ক্ষেত্রে ছোট ছোট অবকাঠামো প্রকল্পের গুরুত্ব অনেক। একটি সেতু স্থানীয় অর্থনীতি, শিক্ষা ও সামাজিক যোগাযোগকে সহজ করে। তাই দীর্ঘদিনের দাবি বিবেচনায় নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উচিত বিষয়টি অগ্রাধিকার দিয়ে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেয়া।

সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ মার্চ ২০২৬
গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো সেতু। একটি ছোট খাল বা নদীর ওপর সেতু না থাকলে আশপাশের মানুষের দৈনন্দিন জীবন, শিক্ষা ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে ব্যাহত হয়। চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার শাসনপাড়া গ্রামে সুন্দরী খালের সংযোগ খালের ওপর একটি সেতু না থাকায় দীর্ঘদিন ধরে মানুষকে ঝুঁকিপূর্ণ কাঠের সাঁকো ব্যবহার করতে হচ্ছে। এ ঘটনা গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নের বাস্তব চিত্রের একটি দিক তুলে ধরে।
প্রায় ২৫ বছর ধরে স্থানীয় মানুষ একটি সেতুর প্রত্যাশায় আছেন। কিন্তু সেই দাবি এখনও বাস্তবায়িত হয়নি। পাঁচ গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে কাঠের সাঁকো পার হচ্ছেন। স্থানীয়দের চাঁদা তুলে কয়েক বছর আগে সাঁকো নির্মাণ ও মেরামতের উদ্যোগ নিতে হয়েছে। উন্নয়ন পরিকল্পনায় মানুষের এই ধরনের স্বতঃস্ফূর্ত উদ্যোগ প্রশংসনীয় হলেও, প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণের দায়িত্ব শেষ পর্যন্ত রাষ্ট্রের সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানেরই।
একটি সেতুর অভাব কেবল যাতায়াতের অসুবিধা সৃষ্টি করে না। এর প্রভাব অনেক বিস্তৃত। কৃষিপণ্য বাজারে নিতে বিলম্ব হয়, রোগী পরিবহনে সমস্যা দেখা দেয়, শিক্ষার্থীদের নিয়মিত বিদ্যালয়ে যাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। ঝুঁকিপূর্ণ সাঁকো দিয়ে প্রতিদিন চলাচল করা যে কতটা অনিরাপদ, তা ভুক্তভোগীরাই জানেন। গ্রামীণ জনপদের মানুষের জন্য একটি ছোট সেতু অনেক সময় বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে পারে।
স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের পক্ষ থেকে সেতু নির্মাণের বিষয়ে যোগাযোগ ও উদ্যোগের কথা বলা হয়েছে। উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে প্রকল্প প্রস্তাবনা তৈরির কথা জানিয়েছেন। তবে এমন উদ্যোগ দ্রুত বাস্তবায়নে রূপ না নিলে মানুষের দুর্ভোগ কমবে না।
গ্রামীণ উন্নয়নের ক্ষেত্রে ছোট ছোট অবকাঠামো প্রকল্পের গুরুত্ব অনেক। একটি সেতু স্থানীয় অর্থনীতি, শিক্ষা ও সামাজিক যোগাযোগকে সহজ করে। তাই দীর্ঘদিনের দাবি বিবেচনায় নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উচিত বিষয়টি অগ্রাধিকার দিয়ে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেয়া।

আপনার মতামত লিখুন