ফরিদপুরের কোতোয়ালি থানা এলাকায় চাঞ্চল্যকর রাজু শেখ হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন করেছে জেলা পুলিশ। মাদক নিয়ে বিরোধ ও দীর্ঘদিনের পারিবারিক কলহের জেরে ছোট ভাই ইব্রাহিম শেখের পরিকল্পনায় এ হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়। এ ঘটনায় মূল পরিকল্পনাকারীসহ মোট আট জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
সোমবার (১৬ মার্চ) বিকেলে ফরিদপুর পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান পুলিশ সুপার মো. নজরুল ইসলাম।
পুলিশ সুপার জানান, নিহত রাজু শেখ মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। মাদক নিয়ে বিরোধের পাশাপাশি ছোট ভাই ইব্রাহিম শেখের সঙ্গে তার দীর্ঘদিনের পারিবারিক শত্রুতা ছিল। ঘটনার তিন দিন আগে রাজু তার ছোট ভাই ইব্রাহিমকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাতের চেষ্টা করেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে ইব্রাহিম তার সহযোগীদের নিয়ে রাজুকে হত্যার পরিকল্পনা করেন।
তদন্তে জানা যায়, গত ১ মার্চ রাত সাড়ে ৯টার দিকে স্টেশন মাছ বাজার এলাকার একটি মাংসের দোকানের সামনে অভিযুক্ত হৃদয় কৌশলে রাজুকে ডেকে আনেন। সেখানে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে ইব্রাহিমের সহযোগী সাকিব, রবিউল, মারুফ ও স্বপ্নসহ অন্যরা চাপাতি ও ছুরি দিয়ে রাজুকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে পালিয়ে যায়।
গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ট্রমা সেন্টারে ভর্তি করলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৯ মার্চ রাতে তার মৃত্যু হয়।
ঘটনার পর আসামিরা ঢাকা ও পাবনাসহ বিভিন্ন এলাকায় আত্মগোপন করে। পুলিশ তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় পাবনার সাঁথিয়া এবং ফরিদপুরের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে এজাহারনামীয় ও তদন্তে পাওয়া মোট আট আসামিকে গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তারকৃতদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ১৫ মার্চ রাতে হাবেলী গোপালপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত চারটি চাপাতি ও একটি স্টিলের ছুরি উদ্ধার করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফাতেমা ইসলাম, মো. শামসুল আজম, মো. আজমির হোসেন, কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম এবং টিআই খুরশিদ প্রামাণিক।
পুলিশ সুপার জানান, মামলার তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে এবং পলাতক বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ মার্চ ২০২৬
ফরিদপুরের কোতোয়ালি থানা এলাকায় চাঞ্চল্যকর রাজু শেখ হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন করেছে জেলা পুলিশ। মাদক নিয়ে বিরোধ ও দীর্ঘদিনের পারিবারিক কলহের জেরে ছোট ভাই ইব্রাহিম শেখের পরিকল্পনায় এ হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়। এ ঘটনায় মূল পরিকল্পনাকারীসহ মোট আট জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
সোমবার (১৬ মার্চ) বিকেলে ফরিদপুর পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান পুলিশ সুপার মো. নজরুল ইসলাম।
পুলিশ সুপার জানান, নিহত রাজু শেখ মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। মাদক নিয়ে বিরোধের পাশাপাশি ছোট ভাই ইব্রাহিম শেখের সঙ্গে তার দীর্ঘদিনের পারিবারিক শত্রুতা ছিল। ঘটনার তিন দিন আগে রাজু তার ছোট ভাই ইব্রাহিমকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাতের চেষ্টা করেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে ইব্রাহিম তার সহযোগীদের নিয়ে রাজুকে হত্যার পরিকল্পনা করেন।
তদন্তে জানা যায়, গত ১ মার্চ রাত সাড়ে ৯টার দিকে স্টেশন মাছ বাজার এলাকার একটি মাংসের দোকানের সামনে অভিযুক্ত হৃদয় কৌশলে রাজুকে ডেকে আনেন। সেখানে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে ইব্রাহিমের সহযোগী সাকিব, রবিউল, মারুফ ও স্বপ্নসহ অন্যরা চাপাতি ও ছুরি দিয়ে রাজুকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে পালিয়ে যায়।
গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ট্রমা সেন্টারে ভর্তি করলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৯ মার্চ রাতে তার মৃত্যু হয়।
ঘটনার পর আসামিরা ঢাকা ও পাবনাসহ বিভিন্ন এলাকায় আত্মগোপন করে। পুলিশ তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় পাবনার সাঁথিয়া এবং ফরিদপুরের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে এজাহারনামীয় ও তদন্তে পাওয়া মোট আট আসামিকে গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তারকৃতদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ১৫ মার্চ রাতে হাবেলী গোপালপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত চারটি চাপাতি ও একটি স্টিলের ছুরি উদ্ধার করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফাতেমা ইসলাম, মো. শামসুল আজম, মো. আজমির হোসেন, কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম এবং টিআই খুরশিদ প্রামাণিক।
পুলিশ সুপার জানান, মামলার তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে এবং পলাতক বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

আপনার মতামত লিখুন