শেরপুরের বীর মুক্তিযোদ্ধা ও জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ডের আহ্বায়ক মো. ফরিদুর রহমান ফরিদ মারা গেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। সোমবার (১৬ মার্চ) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে শেরপুর শহরের মাধবপুর এলাকার নিজ বাসায় তিনি ইন্তেকাল করেন।
মৃত্যুকালে তার বয়স ছিল প্রায় ৭৫ বছর। তিনি স্ত্রী, এক ছেলে, পুত্রবধূ, নাতনী, ভাই-বোন, আত্মীয়স্বজন, সহযোদ্ধা ও অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, আগামীকাল মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) বাদ জোহর শহরের তেরাবাজার জামিয়া সিদ্দিকীয়া মাদ্রাসা মাঠে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।
বীর মুক্তিযোদ্ধা ফরিদুর রহমান ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে ১১ নম্বর সেক্টরে যুদ্ধ করেন। তিনি ছিলেন এই সেক্টরের একজন দুর্ধর্ষ মুক্তিযোদ্ধা। তিনি সম্মুখ সমরের বিভিন্ন অভিযানে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। মুক্তিযুদ্ধ শেষ হওয়ার পর বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ শেরপুর থানা কমান্ডের তিনি প্রথম কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
পরে পেশাগত কারণে দীর্ঘদিন তিনি সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবিতে অবস্থান করেন। দেশে ফিরে শেরপুর শহরের শহীদ বুলবুল সড়কে তিনি ‘বর্ণালী শপিং সেন্টার’ এবং ‘আবাসিক হোটেল ফ্রিডম’ প্রতিষ্ঠা করেন।
ফরিদুর রহমান শহরের মাধবপুর এলাকার বাসিন্দা এবং বর্ণালীর প্রতিষ্ঠাতা। তিনি পন্ডিত ফসিউর রহমানের বড় ছেলে। তার ছোট ভাই শেরপুর প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও সাংবাদিক শরিফুর রহমান শরিফ।
বীর মুক্তিযোদ্ধা ফরিদুর রহমান ফরিদের বিদায়ে শেরপুরের মুক্তিযোদ্ধা ও বিভিন্ন মহলে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তার সহযোদ্ধা ও অসংখ্য গুণগ্রাহী গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার সঙ্গে তাকে স্মরণ করছেন।
সহযোদ্ধারা জানিয়েছেন, দেশমাতৃকার জন্য তার আত্মত্যাগ ও অবদান চিরদিন স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ মার্চ ২০২৬
শেরপুরের বীর মুক্তিযোদ্ধা ও জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ডের আহ্বায়ক মো. ফরিদুর রহমান ফরিদ মারা গেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। সোমবার (১৬ মার্চ) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে শেরপুর শহরের মাধবপুর এলাকার নিজ বাসায় তিনি ইন্তেকাল করেন।
মৃত্যুকালে তার বয়স ছিল প্রায় ৭৫ বছর। তিনি স্ত্রী, এক ছেলে, পুত্রবধূ, নাতনী, ভাই-বোন, আত্মীয়স্বজন, সহযোদ্ধা ও অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, আগামীকাল মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) বাদ জোহর শহরের তেরাবাজার জামিয়া সিদ্দিকীয়া মাদ্রাসা মাঠে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।
বীর মুক্তিযোদ্ধা ফরিদুর রহমান ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে ১১ নম্বর সেক্টরে যুদ্ধ করেন। তিনি ছিলেন এই সেক্টরের একজন দুর্ধর্ষ মুক্তিযোদ্ধা। তিনি সম্মুখ সমরের বিভিন্ন অভিযানে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। মুক্তিযুদ্ধ শেষ হওয়ার পর বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ শেরপুর থানা কমান্ডের তিনি প্রথম কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
পরে পেশাগত কারণে দীর্ঘদিন তিনি সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবিতে অবস্থান করেন। দেশে ফিরে শেরপুর শহরের শহীদ বুলবুল সড়কে তিনি ‘বর্ণালী শপিং সেন্টার’ এবং ‘আবাসিক হোটেল ফ্রিডম’ প্রতিষ্ঠা করেন।
ফরিদুর রহমান শহরের মাধবপুর এলাকার বাসিন্দা এবং বর্ণালীর প্রতিষ্ঠাতা। তিনি পন্ডিত ফসিউর রহমানের বড় ছেলে। তার ছোট ভাই শেরপুর প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও সাংবাদিক শরিফুর রহমান শরিফ।
বীর মুক্তিযোদ্ধা ফরিদুর রহমান ফরিদের বিদায়ে শেরপুরের মুক্তিযোদ্ধা ও বিভিন্ন মহলে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তার সহযোদ্ধা ও অসংখ্য গুণগ্রাহী গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার সঙ্গে তাকে স্মরণ করছেন।
সহযোদ্ধারা জানিয়েছেন, দেশমাতৃকার জন্য তার আত্মত্যাগ ও অবদান চিরদিন স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন