সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

সুন্দরবনে রেড অ্যালার্ট, বনকর্মীদের ছুটি বাতিল


প্রতিনিধি, শরণখোলা (বাগেরহাট)
প্রতিনিধি, শরণখোলা (বাগেরহাট)
প্রকাশ : ১৬ মার্চ ২০২৬

সুন্দরবনে রেড অ্যালার্ট, বনকর্মীদের ছুটি বাতিল
ছবি : সংবাদ

ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে হরিণ শিকার ও অন্যান্য বন অপরাধ নিয়ন্ত্রণে সুন্দরবনে রেড অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। সব বনরক্ষীর ঈদের ছুটি বাতিল করে সতর্ক অবস্থায় থাকতে এবং নজরদারি বাড়াতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ঈদকে সামনে রেখে হরিণ শিকারিসহ অপরাধী চক্রের দৌরাত্ম বাড়তে পারে—এ আশঙ্কা থেকেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সূত্র জানায়, প্রতিবছর ঈদের আগে সুন্দরবনে হরিণ শিকারি চক্রগুলো সক্রিয় হয়ে ওঠে। এসব চক্রের সদস্যরা হরিণ শিকার করে এর মাংস রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন শহরে পাচার করে। এ বছর ঈদের আগে ভাগেই হরিণ শিকারের কয়েকটি চালানে বিপুল পরিমাণ মাংস আটক করে বন বিভাগ ও কোস্টগার্ড। এই আটকের ঘটনার পর থেকে বন বিভাগ আগেভাগেই সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

ঈদের সময় হরিণের মাংসের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় শিকারি চক্র তৎপরতা বাড়াতে পারে—এই ধারণা থেকে সব বনরক্ষীর ছুটি বাতিল করে সুন্দরবনজুড়ে রেড অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে।

শুধু হরিণ শিকার নয়; সুন্দরবনে সম্প্রতি দস্যুদের তৎপরতা, নদী-খালে বিষ প্রয়োগ করে মাছ শিকার ও শুষ্ক মৌসুমে অনাকাঙ্ক্ষিত অগ্নিকাণ্ড এড়াতেও বনরক্ষীদের সতর্ক থাকতে এবং নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সুন্দরবন পূর্ব বিভাগের বিভাগীয় কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, 'সব ধরনের বন অপরাধ দমনে বন বিভাগ তৎপর রয়েছে। তবে ঈদের ছুটির সুযোগ নিয়ে অপরাধীরা যাতে মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে না পারে, সে জন্য বিভাগের সব কর্মকর্তা-কর্মচারীর ছুটি বাতিল করে বাড়তি সতর্কতাবস্থা জারি করা হয়েছে।'

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬


সুন্দরবনে রেড অ্যালার্ট, বনকর্মীদের ছুটি বাতিল

প্রকাশের তারিখ : ১৬ মার্চ ২০২৬

featured Image

ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে হরিণ শিকার ও অন্যান্য বন অপরাধ নিয়ন্ত্রণে সুন্দরবনে রেড অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। সব বনরক্ষীর ঈদের ছুটি বাতিল করে সতর্ক অবস্থায় থাকতে এবং নজরদারি বাড়াতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ঈদকে সামনে রেখে হরিণ শিকারিসহ অপরাধী চক্রের দৌরাত্ম বাড়তে পারে—এ আশঙ্কা থেকেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সূত্র জানায়, প্রতিবছর ঈদের আগে সুন্দরবনে হরিণ শিকারি চক্রগুলো সক্রিয় হয়ে ওঠে। এসব চক্রের সদস্যরা হরিণ শিকার করে এর মাংস রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন শহরে পাচার করে। এ বছর ঈদের আগে ভাগেই হরিণ শিকারের কয়েকটি চালানে বিপুল পরিমাণ মাংস আটক করে বন বিভাগ ও কোস্টগার্ড। এই আটকের ঘটনার পর থেকে বন বিভাগ আগেভাগেই সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

ঈদের সময় হরিণের মাংসের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় শিকারি চক্র তৎপরতা বাড়াতে পারে—এই ধারণা থেকে সব বনরক্ষীর ছুটি বাতিল করে সুন্দরবনজুড়ে রেড অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে।

শুধু হরিণ শিকার নয়; সুন্দরবনে সম্প্রতি দস্যুদের তৎপরতা, নদী-খালে বিষ প্রয়োগ করে মাছ শিকার ও শুষ্ক মৌসুমে অনাকাঙ্ক্ষিত অগ্নিকাণ্ড এড়াতেও বনরক্ষীদের সতর্ক থাকতে এবং নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সুন্দরবন পূর্ব বিভাগের বিভাগীয় কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, 'সব ধরনের বন অপরাধ দমনে বন বিভাগ তৎপর রয়েছে। তবে ঈদের ছুটির সুযোগ নিয়ে অপরাধীরা যাতে মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে না পারে, সে জন্য বিভাগের সব কর্মকর্তা-কর্মচারীর ছুটি বাতিল করে বাড়তি সতর্কতাবস্থা জারি করা হয়েছে।'


সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত