ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান সামরিক উত্তেজনার মধ্যে হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ইউরোপীয় দেশগুলোর সহায়তা চেয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
তবে এই আহ্বানে সাড়া দিতে অনাগ্রহ দেখিয়েছে ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশ। এতে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকট আরও জটিল হয়ে উঠছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।
সোমবার (১৬ মার্চ) আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের খবরে বলা হয়েছে, ইরান–যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সংঘাত তীব্র হওয়ার পর পারস্য উপসাগরের গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যপথ হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।
বিশ্বের উল্লেখযোগ্য অংশের জ্বালানি তেল এই প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হওয়ায় এটি বৈশ্বিক অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
এই পরিস্থিতিতে ট্রাম্প প্রশাসন ইউরোপীয় মিত্রদের কাছে আহ্বান জানিয়েছে, তারা যেন যৌথভাবে নৌবাহিনী মোতায়েন করে হরমুজ প্রণালিকে নিরাপদ রাখতে সহায়তা করে। তবে ইউরোপের কয়েকটি দেশ এই উদ্যোগে সরাসরি অংশ নিতে অনীহা প্রকাশ করেছে।
কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, ইউরোপীয় দেশগুলো আশঙ্কা করছে, এমন পদক্ষেপ সংঘাতকে আরও উসকে দিতে পারে।ইরানের সঙ্গে উত্তেজনা বাড়াতে পারে। ফলে তারা সামরিকভাবে জড়িয়ে পড়ার পরিবর্তে কূটনৈতিক সমাধানের পথেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে।
এদিকে, ইরানও হরমুজ প্রণালি নিয়ে কঠোর অবস্থানের ইঙ্গিত দিয়েছে। তেহরান জানিয়েছে, তাদের ওপর সামরিক চাপ বাড়ানো হলে গুরুত্বপূর্ণ এই সমুদ্রপথে জাহাজ চলাচলে প্রভাব পড়তে পারে।
প্রসঙ্গত, বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল পরিবহন হয় হরমুজ প্রণালি দিয়ে। ফলে এই পথ বন্ধ হয়ে গেলে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন স্থানে উত্তেজনা বাড়তে থাকায় আন্তর্জাতিক বাজারেও এর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। তেলের দাম বাড়ার আশঙ্কা, বিমান চলাচল বিঘ্নিত হওয়া ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।
বিশ্লেষকেরা বলছেন, ইউরোপীয় দেশগুলো সরাসরি সামরিক উদ্যোগে অংশ না নিলে যুক্তরাষ্ট্রের ওপরই হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা নিশ্চিত করার চাপ বাড়বে। অন্যদিকে কূটনৈতিক উদ্যোগ জোরদার না হলে এই সংঘাত দীর্ঘমেয়াদে আরও বড় আঞ্চলিক সংকটে রূপ নিতে পারে।

সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ মার্চ ২০২৬
ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান সামরিক উত্তেজনার মধ্যে হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ইউরোপীয় দেশগুলোর সহায়তা চেয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
তবে এই আহ্বানে সাড়া দিতে অনাগ্রহ দেখিয়েছে ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশ। এতে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকট আরও জটিল হয়ে উঠছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।
সোমবার (১৬ মার্চ) আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের খবরে বলা হয়েছে, ইরান–যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সংঘাত তীব্র হওয়ার পর পারস্য উপসাগরের গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যপথ হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।
বিশ্বের উল্লেখযোগ্য অংশের জ্বালানি তেল এই প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হওয়ায় এটি বৈশ্বিক অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
এই পরিস্থিতিতে ট্রাম্প প্রশাসন ইউরোপীয় মিত্রদের কাছে আহ্বান জানিয়েছে, তারা যেন যৌথভাবে নৌবাহিনী মোতায়েন করে হরমুজ প্রণালিকে নিরাপদ রাখতে সহায়তা করে। তবে ইউরোপের কয়েকটি দেশ এই উদ্যোগে সরাসরি অংশ নিতে অনীহা প্রকাশ করেছে।
কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, ইউরোপীয় দেশগুলো আশঙ্কা করছে, এমন পদক্ষেপ সংঘাতকে আরও উসকে দিতে পারে।ইরানের সঙ্গে উত্তেজনা বাড়াতে পারে। ফলে তারা সামরিকভাবে জড়িয়ে পড়ার পরিবর্তে কূটনৈতিক সমাধানের পথেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে।
এদিকে, ইরানও হরমুজ প্রণালি নিয়ে কঠোর অবস্থানের ইঙ্গিত দিয়েছে। তেহরান জানিয়েছে, তাদের ওপর সামরিক চাপ বাড়ানো হলে গুরুত্বপূর্ণ এই সমুদ্রপথে জাহাজ চলাচলে প্রভাব পড়তে পারে।
প্রসঙ্গত, বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল পরিবহন হয় হরমুজ প্রণালি দিয়ে। ফলে এই পথ বন্ধ হয়ে গেলে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন স্থানে উত্তেজনা বাড়তে থাকায় আন্তর্জাতিক বাজারেও এর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। তেলের দাম বাড়ার আশঙ্কা, বিমান চলাচল বিঘ্নিত হওয়া ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।
বিশ্লেষকেরা বলছেন, ইউরোপীয় দেশগুলো সরাসরি সামরিক উদ্যোগে অংশ না নিলে যুক্তরাষ্ট্রের ওপরই হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা নিশ্চিত করার চাপ বাড়বে। অন্যদিকে কূটনৈতিক উদ্যোগ জোরদার না হলে এই সংঘাত দীর্ঘমেয়াদে আরও বড় আঞ্চলিক সংকটে রূপ নিতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন