ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার সাগর মোহনা সংলগ্ন এলাকায় মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) দিবাগত রাতের ঝড়ে অর্ধশত বাড়িঘর বিধ্বস্ত হয়েছে। একই সঙ্গে অসংখ্য গাছপালা উপড়ে পড়েছে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো চরম দুর্ভোগে পড়েছে।
ঢালচর ১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মফিজ জানান, “ঈদ মাত্র তিন দিন দূরে, কিন্তু ঝড়ে আমাদের মাথাগোজার ঠাঁই হারিয়ে গেছে। শুধু আমি না, আরও বহু পরিবার বসতঘর হারিয়েছে।” একই এলাকার মো. হাসান, মো. ইব্রাহিম, মো. জসিম, আক্তার, মো. রিয়াজ, শাহিন হাওলাদার, মো. আনোয়ার ও মো. গিয়াস উদ্দিনের বাড়িঘরও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাত ২টার দিকে হঠাৎ প্রবল বাতাসে ঝড় শুরু হয়। কিছুক্ষণের মধ্যেই তা ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেয় এবং ঝড়ের সঙ্গে শিলাবৃষ্টি হয়। টিনের ছাউনি উড়ে যায় এবং কাঁচা ঘরবাড়ি মাটির সঙ্গে মিশে যায়। অনেক পরিবার রাতের আঁধারে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে ছুটে বেড়িয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় জানিয়েছে, ঢালচর, কুকরি মুকরি, চর পাতিলা, চর নিজাম, চর ফারুকি, চর মানিকা, নজরুল নগরসহ বেশ কয়েকটি এলাকায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার প্রায় অর্ধশত। চর মানিকা ইউনিয়নের চর কচ্চপিয়া গ্রামের সেলিম বলেন, “বাতাসের প্রভাবে চর কচ্চপিয়া বাজারের ঘরের চালা উড়ে গেছে।”
ঢালচর ইউনিয়নের প্রশাসক ও বন কর্মকর্তা মুইনুল জানান, ঝড়ে প্রায় ৩০টি ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনের কাছে জানানো হয়েছে। চর মানিকা ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান মিনারা বেগম জানান, বিভিন্ন এলাকায় আরও ২০টি ঘর বিধ্বস্ত হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) এমাদুল হোসেন জানিয়েছেন, ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণ নিরূপণের কাজ চলছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে দ্রুত প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হবে। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা জিএম ওয়ালিউল ইসলাম জানান, আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে।

মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ মার্চ ২০২৬
ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার সাগর মোহনা সংলগ্ন এলাকায় মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) দিবাগত রাতের ঝড়ে অর্ধশত বাড়িঘর বিধ্বস্ত হয়েছে। একই সঙ্গে অসংখ্য গাছপালা উপড়ে পড়েছে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো চরম দুর্ভোগে পড়েছে।
ঢালচর ১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মফিজ জানান, “ঈদ মাত্র তিন দিন দূরে, কিন্তু ঝড়ে আমাদের মাথাগোজার ঠাঁই হারিয়ে গেছে। শুধু আমি না, আরও বহু পরিবার বসতঘর হারিয়েছে।” একই এলাকার মো. হাসান, মো. ইব্রাহিম, মো. জসিম, আক্তার, মো. রিয়াজ, শাহিন হাওলাদার, মো. আনোয়ার ও মো. গিয়াস উদ্দিনের বাড়িঘরও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাত ২টার দিকে হঠাৎ প্রবল বাতাসে ঝড় শুরু হয়। কিছুক্ষণের মধ্যেই তা ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেয় এবং ঝড়ের সঙ্গে শিলাবৃষ্টি হয়। টিনের ছাউনি উড়ে যায় এবং কাঁচা ঘরবাড়ি মাটির সঙ্গে মিশে যায়। অনেক পরিবার রাতের আঁধারে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে ছুটে বেড়িয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় জানিয়েছে, ঢালচর, কুকরি মুকরি, চর পাতিলা, চর নিজাম, চর ফারুকি, চর মানিকা, নজরুল নগরসহ বেশ কয়েকটি এলাকায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার প্রায় অর্ধশত। চর মানিকা ইউনিয়নের চর কচ্চপিয়া গ্রামের সেলিম বলেন, “বাতাসের প্রভাবে চর কচ্চপিয়া বাজারের ঘরের চালা উড়ে গেছে।”
ঢালচর ইউনিয়নের প্রশাসক ও বন কর্মকর্তা মুইনুল জানান, ঝড়ে প্রায় ৩০টি ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনের কাছে জানানো হয়েছে। চর মানিকা ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান মিনারা বেগম জানান, বিভিন্ন এলাকায় আরও ২০টি ঘর বিধ্বস্ত হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) এমাদুল হোসেন জানিয়েছেন, ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণ নিরূপণের কাজ চলছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে দ্রুত প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হবে। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা জিএম ওয়ালিউল ইসলাম জানান, আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন