সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

১৮০ দিনের মহাপরিকল্পনা

প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে নতুন অর্থনৈতিক রোডম্যাপ


প্রকাশ : ১৭ মার্চ ২০২৬

প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে নতুন অর্থনৈতিক রোডম্যাপ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাজের ধরন নেতৃত্বের নতুন গুণাবলি নিয়ে নিজের অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক বিন মাহমুদ হারুন।

মঙ্গলবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি প্রধানমন্ত্রীর ধৈর্যশীলতা, সময়ানুবর্তিতা এবং ফলাফলমুখী কাজের প্রশংসা করেন।

বিডা চেয়ারম্যান জানান, গত এক মাসে বিভিন্ন আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠক একান্ত পর্যালোচনামূলক আলোচনায় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কাজ করার সুযোগ হয়েছে তার। সেখানে তিনি দেখেছেন যে, প্রধানমন্ত্রী কাউকে কোনো সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দিচ্ছেন না, বরং অত্যন্ত ধৈর্য সহকারে সবার কথা শুনছেন।

আশিক চৌধুরী তার পর্যবেক্ষণে তিনটি প্রধান লিডারশিপ বৈশিষ্ট্যের কথা উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, প্রথমত প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমান একজন অত্যন্ত দক্ষ শ্রোতা। কোনো বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে তিনি সংশ্লিষ্ট সবার মতামত গুরুত্বের সঙ্গে গ্রহণ করেন। দ্বিতীয়ত, প্রধানমন্ত্রীর প্রতিটি আলোচনা হয় ফলাফলনির্ভর। কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করলে তার সুফল কী এবং কত দ্রুত তা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছাবে, সেটাই থাকে তার মূল জিজ্ঞাসা।

এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রী নিজে সময়ানুবর্তিতা, শিষ্টাচার এবং অনাড়ম্বর জীবনযাপনের মাধ্যমে সবার জন্য এক অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতির লক্ষ্যে বিডার আগামী ১৮০ দিনের পরিকল্পনাও প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেছেন আশিক চৌধুরী। তিনি জানান, সরকারি সংস্থাগুলোতে জবাবদিহিতার সংস্কৃতি গড়ে তোলা অত্যন্ত জরুরি। বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে বিদেশী বিনিয়োগের পাশাপাশি দেশীয় বিনিয়োগ বাড়ানো এবং কর্মসংস্থান তৈরির ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বিনিয়োগকারীদের জ্বালানি সংকট অন্যান্য চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বিডা ২৫টি বিশেষ পদক্ষেপ হাতে নিয়েছে।

এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো: অলাভজনক সরকারি কারখানাগুলোকে পিপিপি মডেলে ব্যক্তিমালিকানাধীন খাতে ছেড়ে দেওয়া, ফ্রি ট্রেড জোন সমরাস্ত্র শিল্প নীতিমালা প্রণয়ন এবং বিকল্প জ্বালানি ব্যবস্থার অনুসন্ধান। এ ছাড়া বন্দরে আধুনিক ব্যবস্থাপনা চালু করে দুর্নীতি কমানো এবং বাণিজ্য সহজ করতে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মবাংলাবিজএর সম্প্রসারণের কাজও দ্রুত এগিয়ে নেওয়া হবে।

বিডা চেয়ারম্যান আরও জানান, আগামী ছয় মাস পর তারা একটিরেজাল্ট কার্ডপ্রকাশ করবেন, যেখানে তাদের কাজের সাফল্য ব্যর্থতার খতিয়ান থাকবে।

মজার ছলে তিনি তার অনুসারীদের উদ্দেশ্যে লিখেছেন, আগামীতেও তাকে প্যারাসুট নিয়ে ঝাঁপ দিতে দেখা যাবে। প্রধানমন্ত্রী স্বয়ং তাকে হাত-পা না ভাঙার শর্তে এই রোমাঞ্চকর কাজের অনুমতি দিয়েছেন।

কাজের চাপে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কোনো সেলফি তোলা না হলেও দেশের উন্নয়নে তারা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন বলে আশিক চৌধুরী তার পোস্টে উল্লেখ করেন।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬


প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে নতুন অর্থনৈতিক রোডম্যাপ

প্রকাশের তারিখ : ১৭ মার্চ ২০২৬

featured Image

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাজের ধরন নেতৃত্বের নতুন গুণাবলি নিয়ে নিজের অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক বিন মাহমুদ হারুন।

মঙ্গলবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি প্রধানমন্ত্রীর ধৈর্যশীলতা, সময়ানুবর্তিতা এবং ফলাফলমুখী কাজের প্রশংসা করেন।

বিডা চেয়ারম্যান জানান, গত এক মাসে বিভিন্ন আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠক একান্ত পর্যালোচনামূলক আলোচনায় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কাজ করার সুযোগ হয়েছে তার। সেখানে তিনি দেখেছেন যে, প্রধানমন্ত্রী কাউকে কোনো সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দিচ্ছেন না, বরং অত্যন্ত ধৈর্য সহকারে সবার কথা শুনছেন।

আশিক চৌধুরী তার পর্যবেক্ষণে তিনটি প্রধান লিডারশিপ বৈশিষ্ট্যের কথা উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, প্রথমত প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমান একজন অত্যন্ত দক্ষ শ্রোতা। কোনো বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে তিনি সংশ্লিষ্ট সবার মতামত গুরুত্বের সঙ্গে গ্রহণ করেন। দ্বিতীয়ত, প্রধানমন্ত্রীর প্রতিটি আলোচনা হয় ফলাফলনির্ভর। কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করলে তার সুফল কী এবং কত দ্রুত তা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছাবে, সেটাই থাকে তার মূল জিজ্ঞাসা।

এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রী নিজে সময়ানুবর্তিতা, শিষ্টাচার এবং অনাড়ম্বর জীবনযাপনের মাধ্যমে সবার জন্য এক অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতির লক্ষ্যে বিডার আগামী ১৮০ দিনের পরিকল্পনাও প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেছেন আশিক চৌধুরী। তিনি জানান, সরকারি সংস্থাগুলোতে জবাবদিহিতার সংস্কৃতি গড়ে তোলা অত্যন্ত জরুরি। বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে বিদেশী বিনিয়োগের পাশাপাশি দেশীয় বিনিয়োগ বাড়ানো এবং কর্মসংস্থান তৈরির ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বিনিয়োগকারীদের জ্বালানি সংকট অন্যান্য চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বিডা ২৫টি বিশেষ পদক্ষেপ হাতে নিয়েছে।

এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো: অলাভজনক সরকারি কারখানাগুলোকে পিপিপি মডেলে ব্যক্তিমালিকানাধীন খাতে ছেড়ে দেওয়া, ফ্রি ট্রেড জোন সমরাস্ত্র শিল্প নীতিমালা প্রণয়ন এবং বিকল্প জ্বালানি ব্যবস্থার অনুসন্ধান। এ ছাড়া বন্দরে আধুনিক ব্যবস্থাপনা চালু করে দুর্নীতি কমানো এবং বাণিজ্য সহজ করতে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মবাংলাবিজএর সম্প্রসারণের কাজও দ্রুত এগিয়ে নেওয়া হবে।

বিডা চেয়ারম্যান আরও জানান, আগামী ছয় মাস পর তারা একটিরেজাল্ট কার্ডপ্রকাশ করবেন, যেখানে তাদের কাজের সাফল্য ব্যর্থতার খতিয়ান থাকবে।

মজার ছলে তিনি তার অনুসারীদের উদ্দেশ্যে লিখেছেন, আগামীতেও তাকে প্যারাসুট নিয়ে ঝাঁপ দিতে দেখা যাবে। প্রধানমন্ত্রী স্বয়ং তাকে হাত-পা না ভাঙার শর্তে এই রোমাঞ্চকর কাজের অনুমতি দিয়েছেন।

কাজের চাপে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কোনো সেলফি তোলা না হলেও দেশের উন্নয়নে তারা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন বলে আশিক চৌধুরী তার পোস্টে উল্লেখ করেন।


সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত