ঈদের আর মাত্র দুদিন বাকি। শেষ মুহূর্তে কুষ্টিয়ার বিভিন্ন বিপণি বিতান ও নানা ধরনের পোশাক, জুতা, সেন্ডেলের দোকান ছাড়াও শহরের ফুটপাতে ক্রেতাদের ভিড় লক্ষণীয়। শহরের এনএস রোড, মজমপুর থেকে বড়বাজার—সর্বত্রই এখন ঈদের কেনাকাটার উৎসবমুখর পরিবেশ।
এনএস রোডের ফুটপাতের দোকানগুলোতে রঙিন কাপড়, পোশাক, জুতা ও ঈদের সাজসজ্জার সামগ্রী কম দামে বিক্রি হওয়ায় সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত ক্রেতাদের ভিড় লেগেই রয়েছে। বড় শপিংমল বা ব্র্যান্ডের দোকানের তুলনায় এখানকার দাম অনেক কম হওয়ায় নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষরা এই ফুটপাতের দিকে বেশি ঝুঁকছেন।
পোশাকের দাম শুরু হয়েছে ৩০০ টাকা থেকে। পুরুষদের পাঞ্জাবি-পায়জামা পাওয়া যাচ্ছে ৮০০ থেকে ১৫০০ টাকার মধ্যে, নারীদের শাড়ি-সালোয়ার কামিজ ৫০০ থেকে ২০০০ টাকার রেঞ্জে। জুতা, ব্যাগ, গয়না ও অন্যান্য পণ্যের তুলনামূলক সাশ্রয়ী মূল্যে সরবরাহ রয়েছে।
ক্রেতারা বলছেন, বাজেটের মধ্যে ভালো মানের ও আকর্ষণীয় পোশাক পাওয়া যাচ্ছে বলেই ফুটপাতের দোকানগুলোতে কেনাকাটা করতে সুবিধা হয়েছে। এই রঙিন ফুটপাতের বাজার যেন নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষের ঈদের আনন্দ ভাগাভাগির এক জীবন্ত মেলবন্ধন।
স্বল্প আয়ের পরিবারগুলোর মুখে ঈদের হাসি ফোটানোর এই কোলাহল চলবে চাঁদরাত পর্যন্ত। ব্যবসায়ীরা জানান, ঈদের আগের দিনগুলোতে ভিড় আরও বাড়বে এবং কেনাকাটার উৎসাহও থাকবে তুঙ্গে। কুষ্টিয়া শহরের এই ফুটপাতের ঈদবাজার স্বল্প আয়ের মানুষদের জন্য ঈদের প্রস্তুতিতে এক বড় সহায়ক হয়ে উঠেছে।

মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ মার্চ ২০২৬
ঈদের আর মাত্র দুদিন বাকি। শেষ মুহূর্তে কুষ্টিয়ার বিভিন্ন বিপণি বিতান ও নানা ধরনের পোশাক, জুতা, সেন্ডেলের দোকান ছাড়াও শহরের ফুটপাতে ক্রেতাদের ভিড় লক্ষণীয়। শহরের এনএস রোড, মজমপুর থেকে বড়বাজার—সর্বত্রই এখন ঈদের কেনাকাটার উৎসবমুখর পরিবেশ।
এনএস রোডের ফুটপাতের দোকানগুলোতে রঙিন কাপড়, পোশাক, জুতা ও ঈদের সাজসজ্জার সামগ্রী কম দামে বিক্রি হওয়ায় সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত ক্রেতাদের ভিড় লেগেই রয়েছে। বড় শপিংমল বা ব্র্যান্ডের দোকানের তুলনায় এখানকার দাম অনেক কম হওয়ায় নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষরা এই ফুটপাতের দিকে বেশি ঝুঁকছেন।
পোশাকের দাম শুরু হয়েছে ৩০০ টাকা থেকে। পুরুষদের পাঞ্জাবি-পায়জামা পাওয়া যাচ্ছে ৮০০ থেকে ১৫০০ টাকার মধ্যে, নারীদের শাড়ি-সালোয়ার কামিজ ৫০০ থেকে ২০০০ টাকার রেঞ্জে। জুতা, ব্যাগ, গয়না ও অন্যান্য পণ্যের তুলনামূলক সাশ্রয়ী মূল্যে সরবরাহ রয়েছে।
ক্রেতারা বলছেন, বাজেটের মধ্যে ভালো মানের ও আকর্ষণীয় পোশাক পাওয়া যাচ্ছে বলেই ফুটপাতের দোকানগুলোতে কেনাকাটা করতে সুবিধা হয়েছে। এই রঙিন ফুটপাতের বাজার যেন নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষের ঈদের আনন্দ ভাগাভাগির এক জীবন্ত মেলবন্ধন।
স্বল্প আয়ের পরিবারগুলোর মুখে ঈদের হাসি ফোটানোর এই কোলাহল চলবে চাঁদরাত পর্যন্ত। ব্যবসায়ীরা জানান, ঈদের আগের দিনগুলোতে ভিড় আরও বাড়বে এবং কেনাকাটার উৎসাহও থাকবে তুঙ্গে। কুষ্টিয়া শহরের এই ফুটপাতের ঈদবাজার স্বল্প আয়ের মানুষদের জন্য ঈদের প্রস্তুতিতে এক বড় সহায়ক হয়ে উঠেছে।

আপনার মতামত লিখুন