চট্টগ্রাম বন্দরে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে আরও দুটি জ্বালানিবাহী জাহাজ আসছে। ইতিমধ্যে বন্দরে পৌঁছেছে মালয়েশিয়া থেকে আসা ‘চ্যাং হ্যাং হং তু’ নামের জাহাজটি। অন্যটি ওমান থেকে এলপিজি নিয়ে আসা ‘এলপিজি সেভেন’ শুক্রবার বন্দরে ভিড়বে।
বন্দর কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, ‘চ্যাং হ্যাং হং তু’ জাহাজটি ১৫ মার্চ বন্দরে এসে ব্রাভো মুরিং–এ অবস্থান করছে। জাহাজটিতে মালয়েশিয়া থেকে আনা গ্যাস অয়েল রয়েছে। এরই মধ্যে প্রায় ৫ হাজার মেট্রিক টন কার্গো খালাস হয়েছে। বাকি কার্গো খালাসের কাজ চলছে। আগামীকাল বুধবারের মধ্যে পুরো কার্গো খালাসের সম্ভাবনা রয়েছে।
অন্যদিকে ‘এলপিজি সেভেন’ জাহাজটি ওমান থেকে এলপিজি নিয়ে ৮ মার্চ কুতুবদিয়ায় পৌঁছায়। এরই মধ্যে সেখান থেকে প্রায় সাড়ে ৭ হাজার মেট্রিক টনের বেশি এলপিজি খালাস হয়েছে। পুরো কার্গো খালাসের পর জাহাজটি আগামী শুক্রবার চট্টগ্রাম বন্দরে ভিড়বে।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব রেফায়াত হামিম জানান, জ্বালানি খালাস ও সরবরাহ নিরবচ্ছিন্ন রাখতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। নতুন জাহাজ আসায় দেশের জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতি স্থিতিশীল থাকবে বলে আশা করছেন তারা।
বন্দরের তালিকা অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, ওমান ও ভারতের বিভিন্ন বন্দর থেকে আসা জাহাজগুলো এলএনজি, এলপিজি, ক্রুড অয়েল, গ্যাস অয়েলসহ বিভিন্ন জ্বালানি পণ্য সরবরাহ করেছে। বর্তমানে কয়েকটি জাহাজ প্যাসেজে অর্থাৎ বন্দরের পথে আছে। সূত্র: বাসস

মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ মার্চ ২০২৬
চট্টগ্রাম বন্দরে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে আরও দুটি জ্বালানিবাহী জাহাজ আসছে। ইতিমধ্যে বন্দরে পৌঁছেছে মালয়েশিয়া থেকে আসা ‘চ্যাং হ্যাং হং তু’ নামের জাহাজটি। অন্যটি ওমান থেকে এলপিজি নিয়ে আসা ‘এলপিজি সেভেন’ শুক্রবার বন্দরে ভিড়বে।
বন্দর কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, ‘চ্যাং হ্যাং হং তু’ জাহাজটি ১৫ মার্চ বন্দরে এসে ব্রাভো মুরিং–এ অবস্থান করছে। জাহাজটিতে মালয়েশিয়া থেকে আনা গ্যাস অয়েল রয়েছে। এরই মধ্যে প্রায় ৫ হাজার মেট্রিক টন কার্গো খালাস হয়েছে। বাকি কার্গো খালাসের কাজ চলছে। আগামীকাল বুধবারের মধ্যে পুরো কার্গো খালাসের সম্ভাবনা রয়েছে।
অন্যদিকে ‘এলপিজি সেভেন’ জাহাজটি ওমান থেকে এলপিজি নিয়ে ৮ মার্চ কুতুবদিয়ায় পৌঁছায়। এরই মধ্যে সেখান থেকে প্রায় সাড়ে ৭ হাজার মেট্রিক টনের বেশি এলপিজি খালাস হয়েছে। পুরো কার্গো খালাসের পর জাহাজটি আগামী শুক্রবার চট্টগ্রাম বন্দরে ভিড়বে।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব রেফায়াত হামিম জানান, জ্বালানি খালাস ও সরবরাহ নিরবচ্ছিন্ন রাখতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। নতুন জাহাজ আসায় দেশের জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতি স্থিতিশীল থাকবে বলে আশা করছেন তারা।
বন্দরের তালিকা অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, ওমান ও ভারতের বিভিন্ন বন্দর থেকে আসা জাহাজগুলো এলএনজি, এলপিজি, ক্রুড অয়েল, গ্যাস অয়েলসহ বিভিন্ন জ্বালানি পণ্য সরবরাহ করেছে। বর্তমানে কয়েকটি জাহাজ প্যাসেজে অর্থাৎ বন্দরের পথে আছে। সূত্র: বাসস

আপনার মতামত লিখুন