মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের সময় করা ২০২৪-২৫ অর্থবছরের সম্পূরক বাজেট এবং ২০২৫-২৬ অর্থবছরের মূল বাজেট সংক্রান্ত দুটি অধ্যাদেশ আইনে পরিণত করার প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। মঙ্গলবার সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার তৃতীয় বৈঠকের পর ব্রিফিংয়ে এসে এসব তথ্য জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি।
মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) মন্ত্রিসভার বৈঠকের আলোচ্যসূচিতে দুটি প্রস্তাব ছিল অর্থ বিভাগের এবং একটি ছিল বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের।
প্রথম প্রস্তাব ছিল ২০২৪-২৫ অর্থবছরের সম্পূরক বাজেটসংক্রান্ত ‘নির্দিষ্টকরণ (সম্পূরক) অধ্যাদেশ, ২০২৫’কে আইনে পরিণত করা। দ্বিতীয় প্রস্তাব ছিল ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেটসংক্রান্ত ‘নির্দিষ্টকরণ অধ্যাদেশ, ২০২৫’কে আইনে রূপ দেওয়া।
ব্রিফিংয়ে বলা হয়, সংবিধান অনুযায়ী কোনো অর্থবছরে অনুমোদিত বরাদ্দ অপর্যাপ্ত হলে বা কোনো খাতে অনুমোদনের চেয়ে বেশি ব্যয় হলে একটি ‘সম্পূরক আর্থিক বিবৃতি’ জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করতে হয়। কিন্তু সংসদ না থাকা অবস্থায় ২০২৫-২৬ অর্থবছর শুরুর আগে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের সেই সম্পূরক আর্থিক বিবৃতি সংসদে উপস্থাপন করা সম্ভব হয়নি। সে কারণেই অন্তর্বর্তীকালীন সরকার অধ্যাদেশ জারি করেছিল। এখন সেই অধ্যাদেশকে আইনে পরিণত করার লক্ষ্যে প্রস্তুত করা বিল মন্ত্রিসভা চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ বলছে, সংবিধানের ৮৭ অনুচ্ছেদে প্রতি অর্থবছরের জন্য ‘বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি’ সংসদে উপস্থাপনের কথা বলা আছে। কিন্তু সংসদ না থাকায় ২০২৫-২৬ অর্থবছর শুরুর আগে তা সম্ভব হয়নি। পরে সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী অন্তর্বর্তীকালীন সরকার অধ্যাদেশ জারি করে। সেই অধ্যাদেশকে আইনে রূপ দিতে প্রস্তুত বিলও মন্ত্রিসভায় অনুমোদন পেয়েছে।
ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি বলেন, “এগুলো আগে জারি করা অধ্যাদেশকে আইন করার প্রক্রিয়ার অংশ; এখন সেগুলো সংসদে উপস্থাপন করা হবে। সংসদ না থাকায় যেসব বাজেটীয় ব্যবস্থা অধ্যাদেশের মাধ্যমে করা হয়েছিল, সেগুলোই এখন আইন আকারে নেওয়া হচ্ছে।”

মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ মার্চ ২০২৬
মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের সময় করা ২০২৪-২৫ অর্থবছরের সম্পূরক বাজেট এবং ২০২৫-২৬ অর্থবছরের মূল বাজেট সংক্রান্ত দুটি অধ্যাদেশ আইনে পরিণত করার প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। মঙ্গলবার সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার তৃতীয় বৈঠকের পর ব্রিফিংয়ে এসে এসব তথ্য জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি।
মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) মন্ত্রিসভার বৈঠকের আলোচ্যসূচিতে দুটি প্রস্তাব ছিল অর্থ বিভাগের এবং একটি ছিল বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের।
প্রথম প্রস্তাব ছিল ২০২৪-২৫ অর্থবছরের সম্পূরক বাজেটসংক্রান্ত ‘নির্দিষ্টকরণ (সম্পূরক) অধ্যাদেশ, ২০২৫’কে আইনে পরিণত করা। দ্বিতীয় প্রস্তাব ছিল ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেটসংক্রান্ত ‘নির্দিষ্টকরণ অধ্যাদেশ, ২০২৫’কে আইনে রূপ দেওয়া।
ব্রিফিংয়ে বলা হয়, সংবিধান অনুযায়ী কোনো অর্থবছরে অনুমোদিত বরাদ্দ অপর্যাপ্ত হলে বা কোনো খাতে অনুমোদনের চেয়ে বেশি ব্যয় হলে একটি ‘সম্পূরক আর্থিক বিবৃতি’ জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করতে হয়। কিন্তু সংসদ না থাকা অবস্থায় ২০২৫-২৬ অর্থবছর শুরুর আগে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের সেই সম্পূরক আর্থিক বিবৃতি সংসদে উপস্থাপন করা সম্ভব হয়নি। সে কারণেই অন্তর্বর্তীকালীন সরকার অধ্যাদেশ জারি করেছিল। এখন সেই অধ্যাদেশকে আইনে পরিণত করার লক্ষ্যে প্রস্তুত করা বিল মন্ত্রিসভা চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ বলছে, সংবিধানের ৮৭ অনুচ্ছেদে প্রতি অর্থবছরের জন্য ‘বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি’ সংসদে উপস্থাপনের কথা বলা আছে। কিন্তু সংসদ না থাকায় ২০২৫-২৬ অর্থবছর শুরুর আগে তা সম্ভব হয়নি। পরে সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী অন্তর্বর্তীকালীন সরকার অধ্যাদেশ জারি করে। সেই অধ্যাদেশকে আইনে রূপ দিতে প্রস্তুত বিলও মন্ত্রিসভায় অনুমোদন পেয়েছে।
ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি বলেন, “এগুলো আগে জারি করা অধ্যাদেশকে আইন করার প্রক্রিয়ার অংশ; এখন সেগুলো সংসদে উপস্থাপন করা হবে। সংসদ না থাকায় যেসব বাজেটীয় ব্যবস্থা অধ্যাদেশের মাধ্যমে করা হয়েছিল, সেগুলোই এখন আইন আকারে নেওয়া হচ্ছে।”

আপনার মতামত লিখুন