পাবনার সাঁথিয়া উপজেলায় শোবার ঘরে আগুন দিয়ে এক দম্পতিকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এতে স্বামী-স্ত্রী উভয়ই গুরুতর আহত হয়েছেন। শুক্রবার (১৩ মার্চ) দিবাগত রাতে সাঁথিয়ার আর-আতাইকুলা ইউনিয়নের মাধপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন মাধপুর গ্রামের মৃত রহমত আলীর ছেলে নুহু আলী (৬০) ও তার স্ত্রী সাবেক সংরক্ষিত ইউপি সদস্য মনোয়ারা খাতুন (৫৫)। নুহু আলী একজন প্রতিবন্ধী। দম্পতি নিঃসন্তান।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, রাতে খাওয়া শেষে ঘুমিয়ে পড়েন তারা। রাত দেড়টার দিকে হঠাৎ তাদের শোবার ঘরে আগুন দেখতে পান তারা। এ সময় চিৎকার দিয়ে দরজা খোলার চেষ্টা করেন। কিন্তু দরজার বাইরে থেকে শিকল দিয়ে আটকে রাখা হয়েছিল। একপর্যায়ে জানালা ভেঙে বের হন তারা। ততক্ষণে তাদের শরীরের বিভিন্ন অংশ পুড়ে গেছে।
আহত অবস্থায় স্থানীয় লোকজন তাদের পাবনা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে স্থানান্তর করা হয়। বর্তমানে দুজনেই আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে মনোয়ারার স্বজনেরা জানিয়েছেন।
এ ঘটনায় ঘরটির সব মালামাল ও নগদ টাকাসহ মূল্যবান কাগজপত্র পুড়ে গেছে বলে জানান স্থানীয়রা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নুহু আলীর কোটি টাকার সম্পত্তি রয়েছে। সন্তান না থাকায় সম্পত্তির মালিক হতে তার ভাইয়ের ছেলে ও বোনের ছেলেরা এই হত্যাচেষ্টা চালাতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তবে অভিযুক্তদের বক্তব্যের জন্য ফোন দিলেও তারা ফোন ধরেননি।
এ বিষয়ে আতাইকুলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, বিষয়টি তার জানা নেই। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এলাকাবাসী ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ মার্চ ২০২৬
পাবনার সাঁথিয়া উপজেলায় শোবার ঘরে আগুন দিয়ে এক দম্পতিকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এতে স্বামী-স্ত্রী উভয়ই গুরুতর আহত হয়েছেন। শুক্রবার (১৩ মার্চ) দিবাগত রাতে সাঁথিয়ার আর-আতাইকুলা ইউনিয়নের মাধপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন মাধপুর গ্রামের মৃত রহমত আলীর ছেলে নুহু আলী (৬০) ও তার স্ত্রী সাবেক সংরক্ষিত ইউপি সদস্য মনোয়ারা খাতুন (৫৫)। নুহু আলী একজন প্রতিবন্ধী। দম্পতি নিঃসন্তান।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, রাতে খাওয়া শেষে ঘুমিয়ে পড়েন তারা। রাত দেড়টার দিকে হঠাৎ তাদের শোবার ঘরে আগুন দেখতে পান তারা। এ সময় চিৎকার দিয়ে দরজা খোলার চেষ্টা করেন। কিন্তু দরজার বাইরে থেকে শিকল দিয়ে আটকে রাখা হয়েছিল। একপর্যায়ে জানালা ভেঙে বের হন তারা। ততক্ষণে তাদের শরীরের বিভিন্ন অংশ পুড়ে গেছে।
আহত অবস্থায় স্থানীয় লোকজন তাদের পাবনা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে স্থানান্তর করা হয়। বর্তমানে দুজনেই আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে মনোয়ারার স্বজনেরা জানিয়েছেন।
এ ঘটনায় ঘরটির সব মালামাল ও নগদ টাকাসহ মূল্যবান কাগজপত্র পুড়ে গেছে বলে জানান স্থানীয়রা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নুহু আলীর কোটি টাকার সম্পত্তি রয়েছে। সন্তান না থাকায় সম্পত্তির মালিক হতে তার ভাইয়ের ছেলে ও বোনের ছেলেরা এই হত্যাচেষ্টা চালাতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তবে অভিযুক্তদের বক্তব্যের জন্য ফোন দিলেও তারা ফোন ধরেননি।
এ বিষয়ে আতাইকুলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, বিষয়টি তার জানা নেই। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এলাকাবাসী ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন