হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলায় পরকীয়া প্রেমিকের সহায়তায় শাশুড়িকে হত্যার অভিযোগে এক গৃহবধূকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। উপজেলার ইনাতগঞ্জ ইউনিয়নের লামনীরপাড় গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত ফেরদৌসী ইসলাম চৌধুরী (৫৩) ওই গ্রামের মৃত সিরাজুল ইসলাম চৌধুরীর স্ত্রী। তার ছেলে রফিকুল ইসলাম চৌধুরী দুবাই প্রবাসে অবস্থান করছেন। ঘটনার সময় বাড়িতে শাশুড়ি ও পুত্রবধূ ছাড়া আর কেউ ছিলেন না।
পুলিশ গত সোমবার সকালে নিজ বসতঘর থেকে ফেরদৌসীর হাত-পা বাঁধা ও মুখে স্কচটেপ লাগানো মরদেহ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ হবিগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
এ ঘটনায় মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) দুপুরে পুত্রবধূ তামান্না আক্তারকে (২২) আটক করে পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার স্বীকারোক্তি দিয়েছেন।
তদন্তে জানা যায়, তামান্নার সঙ্গে সুনামগঞ্জের টিকটকার শিপন মিয়া নামে এক যুবকের পরকীয়া সম্পর্ক ছিল। ঘটনার রাতে ওই যুবকসহ কয়েকজন অজ্ঞাত ব্যক্তি তামান্নার বাড়িতে আসে। একপর্যায়ে তারা স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা দাবি করে। এ সময় ফেরদৌসী জেগে উঠে চিৎকার করলে তামান্না ও তার সহযোগীরা তাকে হাত-পা বেঁধে মুখে টেপ পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করে।
নিহতের ভাই ফারুক আহমেদ বাদী হয়ে তামান্না, তার পরকীয়া প্রেমিক শিপন ও অজ্ঞাতনামা ৪/৫ জনকে আসামি করে নবীগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।
নবীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোনায়েম মিয়া জানান, এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।

বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ মার্চ ২০২৬
হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলায় পরকীয়া প্রেমিকের সহায়তায় শাশুড়িকে হত্যার অভিযোগে এক গৃহবধূকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। উপজেলার ইনাতগঞ্জ ইউনিয়নের লামনীরপাড় গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত ফেরদৌসী ইসলাম চৌধুরী (৫৩) ওই গ্রামের মৃত সিরাজুল ইসলাম চৌধুরীর স্ত্রী। তার ছেলে রফিকুল ইসলাম চৌধুরী দুবাই প্রবাসে অবস্থান করছেন। ঘটনার সময় বাড়িতে শাশুড়ি ও পুত্রবধূ ছাড়া আর কেউ ছিলেন না।
পুলিশ গত সোমবার সকালে নিজ বসতঘর থেকে ফেরদৌসীর হাত-পা বাঁধা ও মুখে স্কচটেপ লাগানো মরদেহ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ হবিগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
এ ঘটনায় মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) দুপুরে পুত্রবধূ তামান্না আক্তারকে (২২) আটক করে পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার স্বীকারোক্তি দিয়েছেন।
তদন্তে জানা যায়, তামান্নার সঙ্গে সুনামগঞ্জের টিকটকার শিপন মিয়া নামে এক যুবকের পরকীয়া সম্পর্ক ছিল। ঘটনার রাতে ওই যুবকসহ কয়েকজন অজ্ঞাত ব্যক্তি তামান্নার বাড়িতে আসে। একপর্যায়ে তারা স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা দাবি করে। এ সময় ফেরদৌসী জেগে উঠে চিৎকার করলে তামান্না ও তার সহযোগীরা তাকে হাত-পা বেঁধে মুখে টেপ পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করে।
নিহতের ভাই ফারুক আহমেদ বাদী হয়ে তামান্না, তার পরকীয়া প্রেমিক শিপন ও অজ্ঞাতনামা ৪/৫ জনকে আসামি করে নবীগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।
নবীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোনায়েম মিয়া জানান, এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন