পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বাড়ি ফেরার পালা শুরু হয়েছে। কিন্তু ঘরমুখো মানুষের আনন্দে বৃষ্টি হয়ে পড়েছে বিষের আঁচড়। ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক ও চন্দ্রা-নবীনগর সড়কে ২১ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়ে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন হাজার হাজার যাত্রী।
বুধবার (১৭ মার্চ) বিকেল গড়ালেই গাজীপুরের শিল্প কারখানাগুলো থেকে ছুটি পেয়ে নাড়ির টানে বাড়ির পথে রওনা হন পোশাকশ্রমিকরা। কিন্তু বৃষ্টি আর যানবাহনের চাপে চন্দ্রা টার্মিনাল এলাকায় তাদের সেই পথযাত্রা থমকে যায়।
বিকেল সোয়া ৪টার দিকে বৃষ্টি উপেক্ষা করেই সড়কে নামেন হাজার হাজার যাত্রী। ফলে চন্দ্রা টার্মিনাল থেকে কোনাবাড়ী উড়ালসড়ক পর্যন্ত ১৫ কিলোমিটার এবং চন্দ্রা-নবীনগর সড়কে ৬ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে নজিরবিহীন যানজটের সৃষ্টি হয়।
রংপুরগামী বাসযাত্রী রুবেল হোসেন জানান, বৃষ্টি মাথায় নিয়ে বাড়তি ভাড়া দিয়ে গাড়িতে উঠেছেন। কিন্তু এক ঘণ্টায় গাড়ি এগিয়েছে মাত্র এক কিলোমিটার। তার ভাষ্য, '৬ ঘণ্টার সড়ক ১২ ঘণ্টায় শেষ হবে কিনা তাই ভাবছি।'
সোহান ট্রাভেলসের চালক মাহতাবুর রহমান অভিযোগ করেন, বৃষ্টি নামার পর যানজট বেড়েছে। পুলিশের তৎপরতা না থাকায় যানজট আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা তার।
চন্দ্রা টার্মিনালে দাঁড়িয়ে থাকা যাত্রী সোহেল রানা জানান, বৃষ্টিতে ভিজে গাড়ির অপেক্ষায় রয়েছেন। যানজটের কারণে গাড়ি টার্মিনালে ঢুকতে পারছে না। আর এই সুযোগে ভাড়া বাড়িয়ে দিয়েছেন পরিবহন মালিকরা। প্রশাসনের হস্তক্ষেপও চোখে পড়ছে না বলে অভিযোগ তার।
এ বিষয়ে হাইওয়ে পুলিশের কয়েকজন সদস্য বলেন, 'এখানে আমাদের কোনো দায়িত্ব নেই, অন্য পুলিশ রয়েছে।'চন্দ্রা পুলিশ কন্ট্রোল রুমের পাশে পুলিশ বসে থাকলেও সড়কে তাদের কোনো তৎপরতা দেখা যায়নি। দিনভর কয়েকটি পয়েন্টে পুলিশ থাকলেও যানজটের সময় তাদের উপস্থিতি ছিল না বলেই মনে হচ্ছে।

বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ মার্চ ২০২৬
পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বাড়ি ফেরার পালা শুরু হয়েছে। কিন্তু ঘরমুখো মানুষের আনন্দে বৃষ্টি হয়ে পড়েছে বিষের আঁচড়। ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক ও চন্দ্রা-নবীনগর সড়কে ২১ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়ে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন হাজার হাজার যাত্রী।
বুধবার (১৭ মার্চ) বিকেল গড়ালেই গাজীপুরের শিল্প কারখানাগুলো থেকে ছুটি পেয়ে নাড়ির টানে বাড়ির পথে রওনা হন পোশাকশ্রমিকরা। কিন্তু বৃষ্টি আর যানবাহনের চাপে চন্দ্রা টার্মিনাল এলাকায় তাদের সেই পথযাত্রা থমকে যায়।
বিকেল সোয়া ৪টার দিকে বৃষ্টি উপেক্ষা করেই সড়কে নামেন হাজার হাজার যাত্রী। ফলে চন্দ্রা টার্মিনাল থেকে কোনাবাড়ী উড়ালসড়ক পর্যন্ত ১৫ কিলোমিটার এবং চন্দ্রা-নবীনগর সড়কে ৬ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে নজিরবিহীন যানজটের সৃষ্টি হয়।
রংপুরগামী বাসযাত্রী রুবেল হোসেন জানান, বৃষ্টি মাথায় নিয়ে বাড়তি ভাড়া দিয়ে গাড়িতে উঠেছেন। কিন্তু এক ঘণ্টায় গাড়ি এগিয়েছে মাত্র এক কিলোমিটার। তার ভাষ্য, '৬ ঘণ্টার সড়ক ১২ ঘণ্টায় শেষ হবে কিনা তাই ভাবছি।'
সোহান ট্রাভেলসের চালক মাহতাবুর রহমান অভিযোগ করেন, বৃষ্টি নামার পর যানজট বেড়েছে। পুলিশের তৎপরতা না থাকায় যানজট আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা তার।
চন্দ্রা টার্মিনালে দাঁড়িয়ে থাকা যাত্রী সোহেল রানা জানান, বৃষ্টিতে ভিজে গাড়ির অপেক্ষায় রয়েছেন। যানজটের কারণে গাড়ি টার্মিনালে ঢুকতে পারছে না। আর এই সুযোগে ভাড়া বাড়িয়ে দিয়েছেন পরিবহন মালিকরা। প্রশাসনের হস্তক্ষেপও চোখে পড়ছে না বলে অভিযোগ তার।
এ বিষয়ে হাইওয়ে পুলিশের কয়েকজন সদস্য বলেন, 'এখানে আমাদের কোনো দায়িত্ব নেই, অন্য পুলিশ রয়েছে।'চন্দ্রা পুলিশ কন্ট্রোল রুমের পাশে পুলিশ বসে থাকলেও সড়কে তাদের কোনো তৎপরতা দেখা যায়নি। দিনভর কয়েকটি পয়েন্টে পুলিশ থাকলেও যানজটের সময় তাদের উপস্থিতি ছিল না বলেই মনে হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন