এশিয়ার অন্যতম বড় ঈদগাঁ মাঠ দিনাজপুরের গোর-এ-শহীদ বড় ময়দানে ঈদ-উল ফিতরের জামাত আয়োজনের প্রস্তুতি প্রায় শেষ। মাঠ সংস্কারসহ নামাজের জন্য কাতার মার্কিং, ওজুখানা স্থাপন কাজও শেষ পর্যায়ে।
এখানে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে সকাল ৯টায়। ঈদের প্রধান জামাতের নামাজের ইমামতি করবেন মাওলানা মাহফুজুর রহমান। ইতিমধ্যে দিনাজপুর পুলিশ সুপার জেদান আল মুসা ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ও পৌর প্রশাসক রিয়াজ উদ্দিনসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা মাঠ পরিদর্শন করেছেন। মাঠের নিরাপত্তা নিশ্চিতে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন।
দিনাজপুর গোর-এ-শহীদ বড় ময়দানে স্বাধীনতার পুর্ব থেকে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়ে এলেও ২০১৬ সালে প্রায় ২২ একর এলাকাজুড়ে মাঠ সংস্কার এবং নতুন করে সুদৃশ্য বিশাল মিনার নির্মাণ করা হয়। প্রায় ৭ লাখ মুসল্লির ধারণ ক্ষমতার এই বিশাল ঈদগাঁ মাঠে ওই বছর থেকেই জামাত শুরু হয়েছে।
পৌর প্রশাসক ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ( সার্বিক) রিয়াজ উদ্দিন জানান, মুসল্লিদের নিরাপত্তা ও সুষ্ঠুভাবে নামাজ আদায়ের জন্য তাদের সব ধরনের প্রস্তুতি আছে। নিরাপত্তার সকল দিক ও ঝুঁকি মুল্যায়ন করে একটি সমন্বিত নিরাপত্তা পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়েছে।
প্রস্তুতির কাজ শেষ পর্যায়ে। ছবি: প্রতিনিধি
উল্লেখ্য, দিনাজপুরের গোর-এ শহীদ বড় ময়দানের আয়তন প্রায় ২২ একর। ২০১৭ সালে নির্মিত হয় ৫২ গম্বুজের এ ঈদগাহ মিনার। এই ৫০ গম্বুজের দুই ধারে ৬০ ফুট করে দু’টি মিনার, মাঝের দু’টি মিনার ৫০ ফুট করে।
ঈদগাহ মাঠের মিনারের প্রথম গম্বুজ অর্থাৎ মেহেরাবের (যেখানে ইমাম দাঁড়াবেন) উচ্চতা ৪৭ ফুট। এর সঙ্গে রয়েছে আরও ৪৯টি গম্বুজ। এছাড়া ৫১৬ ফুট লম্বায় ৩২টি আর্চ নির্মাণ করা হয়েছে।
পুরো মিনার সিরামিক্স ইট দিয়ে আচ্ছাদিত। ২০১৭ সাল থেকে প্রতিবছর ঈদের নামাজ আদায় করেন ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা। উপমহাদেশে এতবড় ঈদগাহ মাঠ দ্বিতীয়টি নেই। এছাড়াও পর্যটকদের কাছেও এটি দর্শনীয়।
বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ মার্চ ২০২৬
এশিয়ার অন্যতম বড় ঈদগাঁ মাঠ দিনাজপুরের গোর-এ-শহীদ বড় ময়দানে ঈদ-উল ফিতরের জামাত আয়োজনের প্রস্তুতি প্রায় শেষ। মাঠ সংস্কারসহ নামাজের জন্য কাতার মার্কিং, ওজুখানা স্থাপন কাজও শেষ পর্যায়ে।
এখানে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে সকাল ৯টায়। ঈদের প্রধান জামাতের নামাজের ইমামতি করবেন মাওলানা মাহফুজুর রহমান। ইতিমধ্যে দিনাজপুর পুলিশ সুপার জেদান আল মুসা ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ও পৌর প্রশাসক রিয়াজ উদ্দিনসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা মাঠ পরিদর্শন করেছেন। মাঠের নিরাপত্তা নিশ্চিতে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন।
দিনাজপুর গোর-এ-শহীদ বড় ময়দানে স্বাধীনতার পুর্ব থেকে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়ে এলেও ২০১৬ সালে প্রায় ২২ একর এলাকাজুড়ে মাঠ সংস্কার এবং নতুন করে সুদৃশ্য বিশাল মিনার নির্মাণ করা হয়। প্রায় ৭ লাখ মুসল্লির ধারণ ক্ষমতার এই বিশাল ঈদগাঁ মাঠে ওই বছর থেকেই জামাত শুরু হয়েছে।
পৌর প্রশাসক ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ( সার্বিক) রিয়াজ উদ্দিন জানান, মুসল্লিদের নিরাপত্তা ও সুষ্ঠুভাবে নামাজ আদায়ের জন্য তাদের সব ধরনের প্রস্তুতি আছে। নিরাপত্তার সকল দিক ও ঝুঁকি মুল্যায়ন করে একটি সমন্বিত নিরাপত্তা পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়েছে।
প্রস্তুতির কাজ শেষ পর্যায়ে। ছবি: প্রতিনিধি
উল্লেখ্য, দিনাজপুরের গোর-এ শহীদ বড় ময়দানের আয়তন প্রায় ২২ একর। ২০১৭ সালে নির্মিত হয় ৫২ গম্বুজের এ ঈদগাহ মিনার। এই ৫০ গম্বুজের দুই ধারে ৬০ ফুট করে দু’টি মিনার, মাঝের দু’টি মিনার ৫০ ফুট করে।
ঈদগাহ মাঠের মিনারের প্রথম গম্বুজ অর্থাৎ মেহেরাবের (যেখানে ইমাম দাঁড়াবেন) উচ্চতা ৪৭ ফুট। এর সঙ্গে রয়েছে আরও ৪৯টি গম্বুজ। এছাড়া ৫১৬ ফুট লম্বায় ৩২টি আর্চ নির্মাণ করা হয়েছে।
পুরো মিনার সিরামিক্স ইট দিয়ে আচ্ছাদিত। ২০১৭ সাল থেকে প্রতিবছর ঈদের নামাজ আদায় করেন ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা। উপমহাদেশে এতবড় ঈদগাহ মাঠ দ্বিতীয়টি নেই। এছাড়াও পর্যটকদের কাছেও এটি দর্শনীয়।
আপনার মতামত লিখুন