দেশে উড়োজাহাজের জ্বালানি জেট ফুয়েলের দামে বড় ধরনের বৃদ্ধির ঘোষণা দেওয়ার মাত্র ৪০ মিনিটের মাথায় সেই সিদ্ধান্ত স্থগিত করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। এতে বিমান খাত ও যাত্রীদের মধ্যে তৈরি হওয়া অনিশ্চয়তা নতুন মাত্রা পেয়েছে।
বুধবার (১৭ মার্চ) রাতে জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে বিইআরসি জানায়, নতুন করে নির্ধারিত জেট এ-১ জ্বালানির মূল্য আপাতত কার্যকর হচ্ছে না। কমিশনের সহকারী পরিচালক (ট্যারিফ-২) রাজু আহমেদের সই করা এক নোটিশে বলা হয়, ১৮ মার্চের আদেশের কার্যকারিতা স্থগিত করা হয়েছে।
এর আগে একই দিনে বিইআরসি জেট ফুয়েলের দাম এক লাফে বাড়ানোর ঘোষণা দেয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, অভ্যন্তরীণ রুটে প্রতি লিটার জেট এ-১ জ্বালানির দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ১৯৪ টাকা ১৮ পয়সা, যা ৮ মার্চের ১১২ টাকা ৪১ পয়সা থেকে প্রায় ৮২ টাকা বেশি- অর্থাৎ প্রায় ৭৩ শতাংশ বৃদ্ধি।
আন্তর্জাতিক রুটেও জ্বালানির দাম উল্লেখযোগ্য হারে বাড়িয়ে প্রতি লিটার ১.২৬৮৯ মার্কিন ডলার নির্ধারণ করা হয়েছিল। যা এর আগে ছিল ০.৭৩৮৪ ডলার। ফেব্রুয়ারির তুলনায় এই দাম প্রায় দ্বিগুণের কাছাকাছি পৌঁছায়।বিইআরসি জানায়, আন্তর্জাতিক বাজারের প্ল্যাটস রেট, ডলারের বিনিময় হার ও আমদানি ব্যয়ের পরিবর্তন বিবেচনায় মাসভিত্তিক সমন্বয়ের অংশ হিসেবে এই দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল। ৫ মার্চ থেকে ১৭ মার্চ পর্যন্ত বাজার পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে একটি কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতেই নতুন দর ঠিক করা হয়।
তবে হঠাৎ এই বড় মূল্যবৃদ্ধির ঘোষণার পরপরই তা স্থগিত করায় প্রশ্ন উঠেছে সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া নিয়ে। জ্বালানি খাতের সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এত স্বল্প সময়ে এমন বড় পরিবর্তন বিমান সংস্থাগুলোর জন্য পরিকল্পনা করা কঠিন করে তোলে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা ও আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দামের অস্থিরতা, পাশাপাশি ডলারের বিনিময় হার বৃদ্ধি- সব মিলিয়ে এই মূল্যবৃদ্ধির পেছনে প্রভাব ফেলেছে। তবে আপাতত দাম স্থগিত হওয়ায় তাৎক্ষণিক চাপ কিছুটা কমলেও ভবিষ্যতে মূল্য সমন্বয় নিয়ে অনিশ্চয়তা থেকেই যাচ্ছে।বিমান সংস্থাগুলো আশঙ্কা করছে, যদি এই বাড়তি দাম কার্যকর করা হয়, তাহলে অপারেশনাল খরচ বাড়বে। শেষ পর্যন্ত এর প্রভাব যাত্রী ভাড়ায় পড়তে পারে।

বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ মার্চ ২০২৬
দেশে উড়োজাহাজের জ্বালানি জেট ফুয়েলের দামে বড় ধরনের বৃদ্ধির ঘোষণা দেওয়ার মাত্র ৪০ মিনিটের মাথায় সেই সিদ্ধান্ত স্থগিত করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। এতে বিমান খাত ও যাত্রীদের মধ্যে তৈরি হওয়া অনিশ্চয়তা নতুন মাত্রা পেয়েছে।
বুধবার (১৭ মার্চ) রাতে জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে বিইআরসি জানায়, নতুন করে নির্ধারিত জেট এ-১ জ্বালানির মূল্য আপাতত কার্যকর হচ্ছে না। কমিশনের সহকারী পরিচালক (ট্যারিফ-২) রাজু আহমেদের সই করা এক নোটিশে বলা হয়, ১৮ মার্চের আদেশের কার্যকারিতা স্থগিত করা হয়েছে।
এর আগে একই দিনে বিইআরসি জেট ফুয়েলের দাম এক লাফে বাড়ানোর ঘোষণা দেয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, অভ্যন্তরীণ রুটে প্রতি লিটার জেট এ-১ জ্বালানির দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ১৯৪ টাকা ১৮ পয়সা, যা ৮ মার্চের ১১২ টাকা ৪১ পয়সা থেকে প্রায় ৮২ টাকা বেশি- অর্থাৎ প্রায় ৭৩ শতাংশ বৃদ্ধি।
আন্তর্জাতিক রুটেও জ্বালানির দাম উল্লেখযোগ্য হারে বাড়িয়ে প্রতি লিটার ১.২৬৮৯ মার্কিন ডলার নির্ধারণ করা হয়েছিল। যা এর আগে ছিল ০.৭৩৮৪ ডলার। ফেব্রুয়ারির তুলনায় এই দাম প্রায় দ্বিগুণের কাছাকাছি পৌঁছায়।বিইআরসি জানায়, আন্তর্জাতিক বাজারের প্ল্যাটস রেট, ডলারের বিনিময় হার ও আমদানি ব্যয়ের পরিবর্তন বিবেচনায় মাসভিত্তিক সমন্বয়ের অংশ হিসেবে এই দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল। ৫ মার্চ থেকে ১৭ মার্চ পর্যন্ত বাজার পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে একটি কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতেই নতুন দর ঠিক করা হয়।
তবে হঠাৎ এই বড় মূল্যবৃদ্ধির ঘোষণার পরপরই তা স্থগিত করায় প্রশ্ন উঠেছে সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া নিয়ে। জ্বালানি খাতের সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এত স্বল্প সময়ে এমন বড় পরিবর্তন বিমান সংস্থাগুলোর জন্য পরিকল্পনা করা কঠিন করে তোলে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা ও আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দামের অস্থিরতা, পাশাপাশি ডলারের বিনিময় হার বৃদ্ধি- সব মিলিয়ে এই মূল্যবৃদ্ধির পেছনে প্রভাব ফেলেছে। তবে আপাতত দাম স্থগিত হওয়ায় তাৎক্ষণিক চাপ কিছুটা কমলেও ভবিষ্যতে মূল্য সমন্বয় নিয়ে অনিশ্চয়তা থেকেই যাচ্ছে।বিমান সংস্থাগুলো আশঙ্কা করছে, যদি এই বাড়তি দাম কার্যকর করা হয়, তাহলে অপারেশনাল খরচ বাড়বে। শেষ পর্যন্ত এর প্রভাব যাত্রী ভাড়ায় পড়তে পারে।

আপনার মতামত লিখুন