রাজধানীর সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে যাত্রী পারাপারের সময় দুই লঞ্চের আকস্মিক সংঘর্ষের ঘটনায় নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) এই দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটন ও দায়ীদের শনাক্ত করতে চার সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। বিআইডব্লিউটিএ-এর প্রশাসন ও মানবসম্পদ বিভাগের পরিচালক সাইফুল ইসলামকে এই কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে। কমিটিকে আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে সরেজমিন পরিদর্শন, প্রত্যক্ষদর্শী ও সংশ্লিষ্ট চালকদের জবানবন্দি গ্রহণ করে বিআইডব্লিউটিএ চেয়ারম্যানের কাছে পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন দাখিল করার কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও বিআইডব্লিউটিএ সূত্রে জানা গেছে, বুধবার (১৮ মার্চ) বিকেল ৫টা ১৫ মিনিটে সদরঘাটের একটি পন্টুনে নোঙর করা ‘এমভি আশা-যাওয়া–৫’ লঞ্চটিতে ছোট ট্রলারের মাধ্যমে যাত্রী ওঠানোর কাজ চলছিল। ঠিক সেই মুহূর্তে ঘাট ছেড়ে বেরিয়ে যাওয়ার সময় ‘এমভি জাকির সম্রাট–৩’ নামক অপর একটি লঞ্চ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সজোরে ধাক্কা দেয় স্থির থাকা লঞ্চটিকে। মুহূর্তের মধ্যে পন্টুন এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং এই সংঘর্ষের ফলে একজন যুবক নিহত হওয়ার পাশাপাশি বেশ কয়েকজন যাত্রী গুরুতর আহত হন। দুর্ঘটনার পর থেকেই নিখোঁজ থাকা এক ব্যক্তির সন্ধানে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল বুধবার রাত পর্যন্ত উদ্ধার অভিযান চালালেও অন্ধকারের কারণে তা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছিল, যা আজ বৃহস্পতিবার সকাল থেকে পুনরায় শুরু হয়েছে।
বিআইডব্লিউটিএ-এর প্রশাসন ও মানবসম্পদ বিভাগের যুগ্ম পরিচালক মিজানুর রহমানের সই করা এক আদেশে জানানো হয়েছে, এই তদন্ত কমিটিতে নৌ-নিরাপত্তা, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা এবং নৌ-সংরক্ষণ বিভাগের অভিজ্ঞ কর্মকর্তাদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তদন্তের মূল লক্ষ্য কেবল দুর্ঘটনার কারণ খুঁজে বের করা নয়, বরং ভবিষ্যতে সদরঘাটের মতো ব্যস্ততম টার্মিনালে এ ধরনের প্রাণহানি এড়াতে কার্যকর সুপারিশ প্রদান করা।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তদন্তে কারও অবহেলা বা গাফিলতি প্রমাণিত হলে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ দিকে নিখোঁজ ব্যক্তির সন্ধানে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরিরা বুড়িগঙ্গার তলদেশে তল্লাশি চালিয়ে যাচ্ছেন।

বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ মার্চ ২০২৬
রাজধানীর সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে যাত্রী পারাপারের সময় দুই লঞ্চের আকস্মিক সংঘর্ষের ঘটনায় নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) এই দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটন ও দায়ীদের শনাক্ত করতে চার সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। বিআইডব্লিউটিএ-এর প্রশাসন ও মানবসম্পদ বিভাগের পরিচালক সাইফুল ইসলামকে এই কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে। কমিটিকে আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে সরেজমিন পরিদর্শন, প্রত্যক্ষদর্শী ও সংশ্লিষ্ট চালকদের জবানবন্দি গ্রহণ করে বিআইডব্লিউটিএ চেয়ারম্যানের কাছে পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন দাখিল করার কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও বিআইডব্লিউটিএ সূত্রে জানা গেছে, বুধবার (১৮ মার্চ) বিকেল ৫টা ১৫ মিনিটে সদরঘাটের একটি পন্টুনে নোঙর করা ‘এমভি আশা-যাওয়া–৫’ লঞ্চটিতে ছোট ট্রলারের মাধ্যমে যাত্রী ওঠানোর কাজ চলছিল। ঠিক সেই মুহূর্তে ঘাট ছেড়ে বেরিয়ে যাওয়ার সময় ‘এমভি জাকির সম্রাট–৩’ নামক অপর একটি লঞ্চ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সজোরে ধাক্কা দেয় স্থির থাকা লঞ্চটিকে। মুহূর্তের মধ্যে পন্টুন এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং এই সংঘর্ষের ফলে একজন যুবক নিহত হওয়ার পাশাপাশি বেশ কয়েকজন যাত্রী গুরুতর আহত হন। দুর্ঘটনার পর থেকেই নিখোঁজ থাকা এক ব্যক্তির সন্ধানে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল বুধবার রাত পর্যন্ত উদ্ধার অভিযান চালালেও অন্ধকারের কারণে তা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছিল, যা আজ বৃহস্পতিবার সকাল থেকে পুনরায় শুরু হয়েছে।
বিআইডব্লিউটিএ-এর প্রশাসন ও মানবসম্পদ বিভাগের যুগ্ম পরিচালক মিজানুর রহমানের সই করা এক আদেশে জানানো হয়েছে, এই তদন্ত কমিটিতে নৌ-নিরাপত্তা, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা এবং নৌ-সংরক্ষণ বিভাগের অভিজ্ঞ কর্মকর্তাদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তদন্তের মূল লক্ষ্য কেবল দুর্ঘটনার কারণ খুঁজে বের করা নয়, বরং ভবিষ্যতে সদরঘাটের মতো ব্যস্ততম টার্মিনালে এ ধরনের প্রাণহানি এড়াতে কার্যকর সুপারিশ প্রদান করা।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তদন্তে কারও অবহেলা বা গাফিলতি প্রমাণিত হলে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ দিকে নিখোঁজ ব্যক্তির সন্ধানে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরিরা বুড়িগঙ্গার তলদেশে তল্লাশি চালিয়ে যাচ্ছেন।

আপনার মতামত লিখুন