ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে গাজীপুর শিল্পাঞ্চলে ধারাবাহিক ছুটির প্রভাবে বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) আরও ৮৩৩টি কারখানা বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এতে একসঙ্গে বিপুলসংখ্যক শ্রমিক ও সাধারণ যাত্রী সড়কে নেমে পড়েছে। ফলে ঢাকা-ময়মনসিংহ ও ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে তৈরি হয়েছে তীব্র যানজট। সেই সঙ্গে যানবাহনের ধীরগতির ভোগান্তি শুরু হয়েছে।
শিল্প পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গত কয়েকদিন ধরেই ধাপে ধাপে পোশাক কারখানাগুলো ছুটি দিচ্ছে। সোমবার ৬২টি, মঙ্গলবার ৪৪৪টি ও বুধবার ১ হাজার ৪১৪টি কারখানা বন্ধ হওয়ার পর বৃহস্পতিবার নতুন করে আরও ৮৩৩টি কারখানা ছুটি ঘোষণা করা হয়। ফলে কয়েকদিন ধরে জমে থাকা ঘরমুখো মানুষের চাপ একযোগে মহাসড়কে পড়েছে।
সকালের দিক থেকেই বোর্ডবাজার, ভোগড়া বাইপাস ও চান্দনা চৌরাস্তা এলাকায় দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। কোথাও যানবাহন ঘণ্টার পর ঘণ্টা স্থির ছিল। আবার কোথাও ধীরগতিতে এগোতে দেখা গেছে। যাত্রীদের অনেকে বাধ্য হয়ে হেঁটে গন্তব্যের কাছাকাছি পৌঁছে বিকল্প পরিবহন ধরছেন। আবার কেউ অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে বাসে উঠছেন।
কেন ধীরগতি
পরিস্থিতি কেন এমন হচ্ছে- এ নিয়ে সংশ্লিষ্টদের বিশ্লেষণ বলছে, একাধিক কারণ একসঙ্গে কাজ করছে। প্রথমত, বিপুলসংখ্যক পোশাক কারখানা একই সময়ে ছুটি দেওয়ায় শ্রমিকদের হঠাৎ সড়কে চাপ বেড়ে গেছে। দ্বিতীয়ত, পর্যাপ্ত গণপরিবহন না থাকায় যাত্রীদের ভিড় নির্দিষ্ট পয়েন্টে জমে থাকছে। তৃতীয়ত, মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে যাত্রী ওঠানামা ও যানবাহন থামানোয় চলাচলের গতি আরও কমে যাচ্ছে।
ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের চন্দ্রা ত্রিমোড় এলাকাতে একই চিত্র দেখা গেছে। গত রাতের বৃষ্টির কারণে সড়কের পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়ে পড়ে। যানজট তীব্র আকার ধারণ করে। যদিও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতায় বৃহস্পতিবার সকালে কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে এখনো পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি।
নাওজোর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করে যানজট নিরসনে কাজ করা হচ্ছে। তবে একসঙ্গে বিপুল সংখ্যক যানবাহন ও যাত্রীর চাপ সামাল দিতে সময় লাগছে।
ঈদযাত্রায় তীব্র যানজট। ছবি: সংগৃহীত
সব মিলিয়ে গাজীপুরের মহাসড়কগুলো এখন ঈদযাত্রার চাপে নাজুক অবস্থায় রয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে আরও সময় লাগবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ মার্চ ২০২৬
ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে গাজীপুর শিল্পাঞ্চলে ধারাবাহিক ছুটির প্রভাবে বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) আরও ৮৩৩টি কারখানা বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এতে একসঙ্গে বিপুলসংখ্যক শ্রমিক ও সাধারণ যাত্রী সড়কে নেমে পড়েছে। ফলে ঢাকা-ময়মনসিংহ ও ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে তৈরি হয়েছে তীব্র যানজট। সেই সঙ্গে যানবাহনের ধীরগতির ভোগান্তি শুরু হয়েছে।
শিল্প পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গত কয়েকদিন ধরেই ধাপে ধাপে পোশাক কারখানাগুলো ছুটি দিচ্ছে। সোমবার ৬২টি, মঙ্গলবার ৪৪৪টি ও বুধবার ১ হাজার ৪১৪টি কারখানা বন্ধ হওয়ার পর বৃহস্পতিবার নতুন করে আরও ৮৩৩টি কারখানা ছুটি ঘোষণা করা হয়। ফলে কয়েকদিন ধরে জমে থাকা ঘরমুখো মানুষের চাপ একযোগে মহাসড়কে পড়েছে।
সকালের দিক থেকেই বোর্ডবাজার, ভোগড়া বাইপাস ও চান্দনা চৌরাস্তা এলাকায় দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। কোথাও যানবাহন ঘণ্টার পর ঘণ্টা স্থির ছিল। আবার কোথাও ধীরগতিতে এগোতে দেখা গেছে। যাত্রীদের অনেকে বাধ্য হয়ে হেঁটে গন্তব্যের কাছাকাছি পৌঁছে বিকল্প পরিবহন ধরছেন। আবার কেউ অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে বাসে উঠছেন।
কেন ধীরগতি
পরিস্থিতি কেন এমন হচ্ছে- এ নিয়ে সংশ্লিষ্টদের বিশ্লেষণ বলছে, একাধিক কারণ একসঙ্গে কাজ করছে। প্রথমত, বিপুলসংখ্যক পোশাক কারখানা একই সময়ে ছুটি দেওয়ায় শ্রমিকদের হঠাৎ সড়কে চাপ বেড়ে গেছে। দ্বিতীয়ত, পর্যাপ্ত গণপরিবহন না থাকায় যাত্রীদের ভিড় নির্দিষ্ট পয়েন্টে জমে থাকছে। তৃতীয়ত, মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে যাত্রী ওঠানামা ও যানবাহন থামানোয় চলাচলের গতি আরও কমে যাচ্ছে।
ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের চন্দ্রা ত্রিমোড় এলাকাতে একই চিত্র দেখা গেছে। গত রাতের বৃষ্টির কারণে সড়কের পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়ে পড়ে। যানজট তীব্র আকার ধারণ করে। যদিও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতায় বৃহস্পতিবার সকালে কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে এখনো পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি।
নাওজোর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করে যানজট নিরসনে কাজ করা হচ্ছে। তবে একসঙ্গে বিপুল সংখ্যক যানবাহন ও যাত্রীর চাপ সামাল দিতে সময় লাগছে।
ঈদযাত্রায় তীব্র যানজট। ছবি: সংগৃহীত
সব মিলিয়ে গাজীপুরের মহাসড়কগুলো এখন ঈদযাত্রার চাপে নাজুক অবস্থায় রয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে আরও সময় লাগবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন