ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া অংশে যানবাহনের কোনো চাপ নেই। আজ বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) ভোর থেকেই এই গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়কটিতে যান চলাচল ছিল স্বাভাবিক এবং স্বস্তিদায়ক।
সরেজমিনে দেখা গেছে, গজারিয়া অংশের ১৩ কিলোমিটার এলাকায় মেঘনা সেতু থেকে বাউশিয়া পাখির মোড় পর্যন্ত কোথাও যানবাহনের ধীরগতি বা জটলা নেই। টোল প্লাজাগুলোতেও কোনো দীর্ঘ লাইন দেখা যায়নি, ফলে যানবাহনগুলো দ্রুতগতিতে পার হয়ে যাচ্ছে।
হাইওয়ে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঈদ বা বিশেষ ছুটির আগে সাধারণত এই রুটে গাড়ির বাড়তি চাপ থাকে। তবে এবার লম্বা ছুটি এবং পর্যাপ্ত পুলিশি তৎপরতা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার কারণে সাধারণ যাত্রীরা কোনো ভোগান্তি ছাড়াই যাতায়াত করতে পারছেন।
এছাড়া, মহাসড়কে নির্বিঘ্ন যাতায়াত নিশ্চিত করতে হাইওয়ে পুলিশের একাধিক টিম সার্বক্ষণিক কাজ করে যাচ্ছে।
কেবল যাত্রী নয়, এতে স্বস্তিতে চালকরাও। তারা বলছেন, মহাসড়ক ফাঁকা থাকায় তারা স্বাভাবিক গতিতেই গন্তব্যে পৌঁছাতে পারছেন।

বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ মার্চ ২০২৬
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া অংশে যানবাহনের কোনো চাপ নেই। আজ বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) ভোর থেকেই এই গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়কটিতে যান চলাচল ছিল স্বাভাবিক এবং স্বস্তিদায়ক।
সরেজমিনে দেখা গেছে, গজারিয়া অংশের ১৩ কিলোমিটার এলাকায় মেঘনা সেতু থেকে বাউশিয়া পাখির মোড় পর্যন্ত কোথাও যানবাহনের ধীরগতি বা জটলা নেই। টোল প্লাজাগুলোতেও কোনো দীর্ঘ লাইন দেখা যায়নি, ফলে যানবাহনগুলো দ্রুতগতিতে পার হয়ে যাচ্ছে।
হাইওয়ে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঈদ বা বিশেষ ছুটির আগে সাধারণত এই রুটে গাড়ির বাড়তি চাপ থাকে। তবে এবার লম্বা ছুটি এবং পর্যাপ্ত পুলিশি তৎপরতা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার কারণে সাধারণ যাত্রীরা কোনো ভোগান্তি ছাড়াই যাতায়াত করতে পারছেন।
এছাড়া, মহাসড়কে নির্বিঘ্ন যাতায়াত নিশ্চিত করতে হাইওয়ে পুলিশের একাধিক টিম সার্বক্ষণিক কাজ করে যাচ্ছে।
কেবল যাত্রী নয়, এতে স্বস্তিতে চালকরাও। তারা বলছেন, মহাসড়ক ফাঁকা থাকায় তারা স্বাভাবিক গতিতেই গন্তব্যে পৌঁছাতে পারছেন।

আপনার মতামত লিখুন