সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

সদরঘাটে প্রতিমন্ত্রীর ঝটিকা অভিযান


প্রকাশ : ১৯ মার্চ ২০২৬

সদরঘাটে প্রতিমন্ত্রীর ঝটিকা অভিযান

পবিত্র ঈদুল ফিতর সামনে রেখে নাড়ির টানে বাড়ি ফেরা মানুষের ঢল নেমেছে রাজধানীর সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে।

দক্ষিণাঞ্চলগামী যাত্রীদের এই উপচেপড়া ভিড়ের সুযোগে লঞ্চগুলোতে অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাইয়ের চিরচেনা চিত্র ঠেকাতে বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সরাসরি মাঠে নেমেছেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান।
কোনো প্রথাগত দাপ্তরিক নির্দেশের অপেক্ষায় না থেকে তিনি নিজেই সদরঘাটের বিভিন্ন পন্টুনে সরেজমিন পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন। সকাল থেকেই টার্মিনালের পন্টুনগুলোতে অবস্থান নিয়ে তিনি প্রতিটি লঞ্চের যাত্রী ধারণক্ষমতা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা যাচাই করেন।
যে সব লঞ্চ অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে ঘাটে অপেক্ষমাণ ছিল, সেগুলোকে আর সময় না বাড়িয়ে তাৎক্ষণিকভাবে গন্তব্যের উদ্দেশ্যে ছেড়ে দেওয়ার কঠোর নির্দেশ দেন প্রতিমন্ত্রী।
প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, প্রতিমন্ত্রীর সরাসরি উপস্থিতিতেই অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাইয়ের অপেক্ষায় থাকা অন্তত সাত থেকে আটটি লঞ্চ টার্মিনাল ত্যাগ করতে বাধ্য হয়। তিনি নিজেই লঞ্চের ভেতরে উঠে যাত্রীদের ভিড় পর্যবেক্ষণ করেন এবং ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত লোক হলে সেই নৌযানকে ঘাটে অবস্থান করতে না দিয়ে দ্রুত পাঠিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করেন।
শুধু পন্টুনেই সীমাবদ্ধ না থেকে বিআইডব্লিউটিএ-র স্পিডবোট ও কেবিন ক্রুজের মাধ্যমে নদীপথের সার্বিক পরিস্থিতিও খতিয়ে দেখেন তিনি। বিশেষ করে লঞ্চগুলোর মধ্যে অসুস্থ প্রতিযোগিতা এবং ঝুঁকি নিয়ে যাত্রী তোলার প্রবণতা বন্ধে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণের নির্দেশ দেন।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দেন, যাত্রী সাধারণের ন্যূনতম নিরাপত্তা নিশ্চিত করার প্রশ্নে কোনো আপোস করা হবে না।
এ ছাড়া গতদিনের অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনার প‌রিপ্রেক্ষিতে নিখোঁজ ব্যক্তিদের উদ্ধারে ডুবুরি দলের কার্যক্রমও তিনি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর নিশ্চয়তা দেন।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬


সদরঘাটে প্রতিমন্ত্রীর ঝটিকা অভিযান

প্রকাশের তারিখ : ১৯ মার্চ ২০২৬

featured Image

পবিত্র ঈদুল ফিতর সামনে রেখে নাড়ির টানে বাড়ি ফেরা মানুষের ঢল নেমেছে রাজধানীর সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে।

দক্ষিণাঞ্চলগামী যাত্রীদের এই উপচেপড়া ভিড়ের সুযোগে লঞ্চগুলোতে অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাইয়ের চিরচেনা চিত্র ঠেকাতে বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সরাসরি মাঠে নেমেছেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান।
কোনো প্রথাগত দাপ্তরিক নির্দেশের অপেক্ষায় না থেকে তিনি নিজেই সদরঘাটের বিভিন্ন পন্টুনে সরেজমিন পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন। সকাল থেকেই টার্মিনালের পন্টুনগুলোতে অবস্থান নিয়ে তিনি প্রতিটি লঞ্চের যাত্রী ধারণক্ষমতা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা যাচাই করেন।
যে সব লঞ্চ অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে ঘাটে অপেক্ষমাণ ছিল, সেগুলোকে আর সময় না বাড়িয়ে তাৎক্ষণিকভাবে গন্তব্যের উদ্দেশ্যে ছেড়ে দেওয়ার কঠোর নির্দেশ দেন প্রতিমন্ত্রী।
প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, প্রতিমন্ত্রীর সরাসরি উপস্থিতিতেই অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাইয়ের অপেক্ষায় থাকা অন্তত সাত থেকে আটটি লঞ্চ টার্মিনাল ত্যাগ করতে বাধ্য হয়। তিনি নিজেই লঞ্চের ভেতরে উঠে যাত্রীদের ভিড় পর্যবেক্ষণ করেন এবং ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত লোক হলে সেই নৌযানকে ঘাটে অবস্থান করতে না দিয়ে দ্রুত পাঠিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করেন।
শুধু পন্টুনেই সীমাবদ্ধ না থেকে বিআইডব্লিউটিএ-র স্পিডবোট ও কেবিন ক্রুজের মাধ্যমে নদীপথের সার্বিক পরিস্থিতিও খতিয়ে দেখেন তিনি। বিশেষ করে লঞ্চগুলোর মধ্যে অসুস্থ প্রতিযোগিতা এবং ঝুঁকি নিয়ে যাত্রী তোলার প্রবণতা বন্ধে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণের নির্দেশ দেন।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দেন, যাত্রী সাধারণের ন্যূনতম নিরাপত্তা নিশ্চিত করার প্রশ্নে কোনো আপোস করা হবে না।
এ ছাড়া গতদিনের অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনার প‌রিপ্রেক্ষিতে নিখোঁজ ব্যক্তিদের উদ্ধারে ডুবুরি দলের কার্যক্রমও তিনি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর নিশ্চয়তা দেন।


সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত