সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

ঢাকায় ১৭৭১ ঈদের জামাত

জাতীয় ঈদগাহে ৩৫ হাজার মুসল্লির ব্যবস্থা


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ : ১৯ মার্চ ২০২৬

জাতীয় ঈদগাহে ৩৫ হাজার মুসল্লির ব্যবস্থা
জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে থাকবে কয়েক স্তরের নিরাপত্তা বলয়।

পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজকে নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ করতে জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে কয়েক স্তরের নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হয়েছে। একযোগে প্রায় ৩৫ হাজার মুসল্লি এখানে ঈদের প্রধান জামাতে অংশ নিতে পারবেন।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো. সরওয়ার, বিপিএম-সেবা বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান। 

জাতীয় ঈদগাহে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে সকাল সাড়ে ৮টায়। আবহাওয়া প্রতিকূল থাকলে জামাতটি বায়তুল মোকাররম মসজিদে সকাল ৯টায় অনুষ্ঠিত হবে। জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে মোট পাঁচটি ঈদের জামাত হবে, যার প্রথমটি সকাল ৭টায়।

ভারপ্রাপ্ত কমিশনার জানান, ঢাকা মহানগরীতে মোট ১২১টি ঈদগাহ ও ১৫৯৯টি মসজিদে ১৭৭১টি ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে আগের দিন রাজধানীতে তিনটি ঈদ জামাত ও শিয়া সম্প্রদায়ের আটটি জামাত হবে।

জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে প্রবেশের তিনটি প্রধান পয়েন্ট- মৎস্য ভবন, প্রেসক্লাব ও শিক্ষাভবনে বসানো হয়েছে আর্চওয়ে ও মেটাল ডিটেক্টর। নারীদের জন্য রয়েছে পৃথক প্রবেশ গেট ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা। পুরো এলাকা সিসি ক্যামেরার আওতায় থাকবে এবং কন্ট্রোলরুম থেকে সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হবে।

এছাড়া এসবির সুইপিং টিম ও সিটিটিসি ডগ স্কোয়াড এলাকা পরিষ্কার করবে। বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট, সোয়াট ও সাদা পোশাকে ডিবি এবং সিটিটিসির সদস্য মোতায়েন থাকবে। ওয়াচ টাওয়ার থেকেও পুরো এলাকা মনিটরিং করা হবে। ফায়ার সার্ভিসের টেন্ডার ও জরুরি মেডিকেল টিম প্রস্তুত রাখা হবে।

ঈদের জামাত উপলক্ষে জিরো পয়েন্ট, হাইকোর্ট, প্রেসক্লাব, মৎস্য ভবনসহ কয়েকটি সড়কে যান চলাচলে ডাইভারশন থাকবে। মুসল্লিদের গাড়ি পার্কিংয়ের জন্য নির্ধারিত স্থান হলো- গণপূর্ত ভবন, আইইবি, জিরো পয়েন্ট ও ইউবিএল ক্রসিং (মুক্তাঙ্গন), দোয়েল চত্বর, ফজলুল হক মুসলিম হল থেকে বঙ্গবাজার পর্যন্ত সড়কের দুই পাশ ও মৎস্যভবন থেকে শাহবাগ পর্যন্ত সড়কের দুই পাশ।

জাতীয় ঈদগা ময়দানে নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শন।

ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মুসল্লিদের প্রতি তল্লাশিতে সহায়তা করার অনুরোধ জানিয়ে বলেন, ঈদগাহ ময়দানে কোনো প্রকার ব্যাগ, ধারালো বস্তু বা দাহ্য পদার্থ আনা যাবে না। জামাত শেষে তাড়াহুড়ো না করে শৃঙ্খলভাবে বের হওয়ার অনুরোধ জানানো হয়। সন্দেহজনক কিছু দেখলে নিকটস্থ পুলিশ সদস্য বা ৯৯৯ নম্বরে ফোন করার জন্য বলা হয়।

প্রেস ব্রিফিংয়ে ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) এস এন মো. নজরুল ইসলাম, (কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম) মো. মাসুদ করিম, (ডিবি) মো. শফিকুল ইসলাম ও (ট্রাফিক) মো. আনিছুর রহমানসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬


জাতীয় ঈদগাহে ৩৫ হাজার মুসল্লির ব্যবস্থা

প্রকাশের তারিখ : ১৯ মার্চ ২০২৬

featured Image

পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজকে নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ করতে জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে কয়েক স্তরের নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হয়েছে। একযোগে প্রায় ৩৫ হাজার মুসল্লি এখানে ঈদের প্রধান জামাতে অংশ নিতে পারবেন।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো. সরওয়ার, বিপিএম-সেবা বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান। 

জাতীয় ঈদগাহে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে সকাল সাড়ে ৮টায়। আবহাওয়া প্রতিকূল থাকলে জামাতটি বায়তুল মোকাররম মসজিদে সকাল ৯টায় অনুষ্ঠিত হবে। জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে মোট পাঁচটি ঈদের জামাত হবে, যার প্রথমটি সকাল ৭টায়।

ভারপ্রাপ্ত কমিশনার জানান, ঢাকা মহানগরীতে মোট ১২১টি ঈদগাহ ও ১৫৯৯টি মসজিদে ১৭৭১টি ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে আগের দিন রাজধানীতে তিনটি ঈদ জামাত ও শিয়া সম্প্রদায়ের আটটি জামাত হবে।

জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে প্রবেশের তিনটি প্রধান পয়েন্ট- মৎস্য ভবন, প্রেসক্লাব ও শিক্ষাভবনে বসানো হয়েছে আর্চওয়ে ও মেটাল ডিটেক্টর। নারীদের জন্য রয়েছে পৃথক প্রবেশ গেট ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা। পুরো এলাকা সিসি ক্যামেরার আওতায় থাকবে এবং কন্ট্রোলরুম থেকে সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হবে।

এছাড়া এসবির সুইপিং টিম ও সিটিটিসি ডগ স্কোয়াড এলাকা পরিষ্কার করবে। বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট, সোয়াট ও সাদা পোশাকে ডিবি এবং সিটিটিসির সদস্য মোতায়েন থাকবে। ওয়াচ টাওয়ার থেকেও পুরো এলাকা মনিটরিং করা হবে। ফায়ার সার্ভিসের টেন্ডার ও জরুরি মেডিকেল টিম প্রস্তুত রাখা হবে।

ঈদের জামাত উপলক্ষে জিরো পয়েন্ট, হাইকোর্ট, প্রেসক্লাব, মৎস্য ভবনসহ কয়েকটি সড়কে যান চলাচলে ডাইভারশন থাকবে। মুসল্লিদের গাড়ি পার্কিংয়ের জন্য নির্ধারিত স্থান হলো- গণপূর্ত ভবন, আইইবি, জিরো পয়েন্ট ও ইউবিএল ক্রসিং (মুক্তাঙ্গন), দোয়েল চত্বর, ফজলুল হক মুসলিম হল থেকে বঙ্গবাজার পর্যন্ত সড়কের দুই পাশ ও মৎস্যভবন থেকে শাহবাগ পর্যন্ত সড়কের দুই পাশ।

জাতীয় ঈদগা ময়দানে নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শন।

ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মুসল্লিদের প্রতি তল্লাশিতে সহায়তা করার অনুরোধ জানিয়ে বলেন, ঈদগাহ ময়দানে কোনো প্রকার ব্যাগ, ধারালো বস্তু বা দাহ্য পদার্থ আনা যাবে না। জামাত শেষে তাড়াহুড়ো না করে শৃঙ্খলভাবে বের হওয়ার অনুরোধ জানানো হয়। সন্দেহজনক কিছু দেখলে নিকটস্থ পুলিশ সদস্য বা ৯৯৯ নম্বরে ফোন করার জন্য বলা হয়।

প্রেস ব্রিফিংয়ে ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) এস এন মো. নজরুল ইসলাম, (কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম) মো. মাসুদ করিম, (ডিবি) মো. শফিকুল ইসলাম ও (ট্রাফিক) মো. আনিছুর রহমানসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত