ঈদের ছুটিতে রাজধানী ঢাকা এখন ফাঁকা। তবে ভিড় কমেনি পেট্রোল পাম্পগুলোতে। বিভিন্ন যানবাহনের পাশাপাশি অনেক পাম্পে মোটরসাইকেলের দীর্ঘ লাইন।
বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত ঢাকার বেশ কিছু পাম্প ঘুরে দেখা যায় যানবাহনের লাইন। বিশেষ করে মোটরসাইকেলের লাইন অনেক লম্বা।
পেট্রোল দেওয়া হচ্ছে রেশনিং করে। কোনো কোনো পাম্পে অকটেন নেই। তাই সেখান থেকে অকটেন চালিত গাড়িগুলোকে ফেরত যেতে হচ্ছে।
মজুদ শেষ'। সাড়ে তিনটার পর থেকে বন্ধ রমনা পেট্রোল পাম্প। ছবি: নিজস্ব
দুপুরে ঢাকার রাজারবাগের ‘রহমান ট্রেডার্স’ পেট্রোল পাম্পে গিয়ে দেখা যায় মাইকিং করে বলা হচ্ছে, ‘এখানে অকটেন নেই’। ছিল বাইকের লম্বা লাইন। সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা পর্যন্ত পেট্রোল দিচ্ছিল পাম্পটি।
শাহবাগের রমনা পেট্রোল পাম্পে গিয়ে দেখা যায় অকটেন নিতে বাইকারদের দীর্ঘ লাইন। এখানেও সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা পর্যন্ত অকটেন দেয়া হচ্ছিল। দুপুর সাড়ে তিনটার কিছু পর এই পাম্প থেকে তেল সরবরাহ বন্ধ করে দেয়া হয়।
জানতে চাইলে একজন পাম্প কর্মী সংবাদকে বলেন, ‘তেল শেষ, পাম খোলা রাইখা কি করমু?’ তিনি জানান, ডিপো থেকে তাদের তেলের গাড়ি রওনা হয়েছে। পথে আছে। এলেই আবার তেল দেওয়া শুরু হবে।
জ্বালানি তেলের অপেক্ষায় পাম্পের ভিতরে চেয়ারে বসে থাকা একজন লোক অভিযোগ করে বলেন, ‘পাম্পে তেল আছে, ওরা দিচ্ছে না।’
পরীবাগে মেঘনা পেট্রোল পাম্পের বাইরে রাস্তায় লাইন। ছবি: নিজস্ব
পরীবাগে রাষ্ট্রীয় পেট্রোল পাম্প ‘মেঘনা মডেল সার্ভিস সেন্টারে’ গিয়ে দেখা যায় যানবাহনের বিরাট লাইন। তবে পাশেই ‘পূর্বাচল ট্রেডার্স’ এ ভিড় ছিল তুলনামূলক কম।
মেঘনা পাম্পে তেল নিতে আসা বাইকারদের লাইন মেইন রোডের অনেকদূর পর্যন্ত চলে যেতে দেখা যায়।
পাম্প কর্মীদের অভিযোগ, ডিপো থেকে ‘সময় মতো পর্যাপ্ত পরিমাণে’ তেল ‘না আসায়’ গ্রাহকদের চাহিদা অনুযায়ী তেল দেয়া যাচ্ছে না।

বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ মার্চ ২০২৬
ঈদের ছুটিতে রাজধানী ঢাকা এখন ফাঁকা। তবে ভিড় কমেনি পেট্রোল পাম্পগুলোতে। বিভিন্ন যানবাহনের পাশাপাশি অনেক পাম্পে মোটরসাইকেলের দীর্ঘ লাইন।
বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত ঢাকার বেশ কিছু পাম্প ঘুরে দেখা যায় যানবাহনের লাইন। বিশেষ করে মোটরসাইকেলের লাইন অনেক লম্বা।
পেট্রোল দেওয়া হচ্ছে রেশনিং করে। কোনো কোনো পাম্পে অকটেন নেই। তাই সেখান থেকে অকটেন চালিত গাড়িগুলোকে ফেরত যেতে হচ্ছে।
মজুদ শেষ'। সাড়ে তিনটার পর থেকে বন্ধ রমনা পেট্রোল পাম্প। ছবি: নিজস্ব
দুপুরে ঢাকার রাজারবাগের ‘রহমান ট্রেডার্স’ পেট্রোল পাম্পে গিয়ে দেখা যায় মাইকিং করে বলা হচ্ছে, ‘এখানে অকটেন নেই’। ছিল বাইকের লম্বা লাইন। সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা পর্যন্ত পেট্রোল দিচ্ছিল পাম্পটি।
শাহবাগের রমনা পেট্রোল পাম্পে গিয়ে দেখা যায় অকটেন নিতে বাইকারদের দীর্ঘ লাইন। এখানেও সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা পর্যন্ত অকটেন দেয়া হচ্ছিল। দুপুর সাড়ে তিনটার কিছু পর এই পাম্প থেকে তেল সরবরাহ বন্ধ করে দেয়া হয়।
জানতে চাইলে একজন পাম্প কর্মী সংবাদকে বলেন, ‘তেল শেষ, পাম খোলা রাইখা কি করমু?’ তিনি জানান, ডিপো থেকে তাদের তেলের গাড়ি রওনা হয়েছে। পথে আছে। এলেই আবার তেল দেওয়া শুরু হবে।
জ্বালানি তেলের অপেক্ষায় পাম্পের ভিতরে চেয়ারে বসে থাকা একজন লোক অভিযোগ করে বলেন, ‘পাম্পে তেল আছে, ওরা দিচ্ছে না।’
পরীবাগে মেঘনা পেট্রোল পাম্পের বাইরে রাস্তায় লাইন। ছবি: নিজস্ব
পরীবাগে রাষ্ট্রীয় পেট্রোল পাম্প ‘মেঘনা মডেল সার্ভিস সেন্টারে’ গিয়ে দেখা যায় যানবাহনের বিরাট লাইন। তবে পাশেই ‘পূর্বাচল ট্রেডার্স’ এ ভিড় ছিল তুলনামূলক কম।
মেঘনা পাম্পে তেল নিতে আসা বাইকারদের লাইন মেইন রোডের অনেকদূর পর্যন্ত চলে যেতে দেখা যায়।
পাম্প কর্মীদের অভিযোগ, ডিপো থেকে ‘সময় মতো পর্যাপ্ত পরিমাণে’ তেল ‘না আসায়’ গ্রাহকদের চাহিদা অনুযায়ী তেল দেয়া যাচ্ছে না।

আপনার মতামত লিখুন