মোবাইল ফোনের মাধ্যমে পরিচয়, তারপর ধর্ষণ। সেই ধর্ষণের ভিডিও ধারণ করে ব্ল্যাকমেইল করে লাখ লাখ টাকা আদায়ের অভিযোগে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ভুক্তভোগী ওমানপ্রবাসীর স্ত্রী।
গ্রেপ্তার নাইম হোসেন (৩৩) গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার কাটাবাড়ী ইউনিয়নের লালপুকুর মোল্লাপাড়া গ্রামের আমিনুল ইসলামের ছেলে। তিনি বাগদা বাজারের একজন পান ব্যবসায়ী।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, প্রায় এক বছর আগে মোবাইল ফোনে ওই গৃহবধূর সঙ্গে নাইমের পরিচয় হয়। পরিচয়ের সূত্র ধরে তিনি নারীটিকে বিভিন্ন সময়ে প্রলোভন ও কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন। গত বছরের ৪ এপ্রিল মধ্যরাতে কৌশলে ওই গৃহবধূকে ধর্ষণ করেন নাইম। শুধু তাই নয়, গোপনে সেই ধর্ষণের দৃশ্য মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করেন তিনি।
এরপর ওই ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করেন ভুক্তভোগীকে। বিভিন্ন সময়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে প্রায় পাঁচ লাখ টাকাও হাতিয়ে নেন অভিযুক্ত যুবক।
অবশেষে বুধবার (১৮ মার্চ) দিবাগত রাতে গোবিন্দগঞ্জ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন এবং পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করেন ভুক্তভোগী। মামলা হওয়ার পরপরই অভিযানে নামে পুলিশ।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই প্রদীপ কুমার বর্মন জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার ভোররাতে বাগদা বাজারের দোকান থেকে অভিযুক্ত নাইমকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাম্মেল হক বলেন, গ্রেপ্তার আসামিকে বৃহস্পতিবার সকালে গোবিন্দগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয়। আদালত শুনানি শেষে তাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ মার্চ ২০২৬
মোবাইল ফোনের মাধ্যমে পরিচয়, তারপর ধর্ষণ। সেই ধর্ষণের ভিডিও ধারণ করে ব্ল্যাকমেইল করে লাখ লাখ টাকা আদায়ের অভিযোগে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ভুক্তভোগী ওমানপ্রবাসীর স্ত্রী।
গ্রেপ্তার নাইম হোসেন (৩৩) গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার কাটাবাড়ী ইউনিয়নের লালপুকুর মোল্লাপাড়া গ্রামের আমিনুল ইসলামের ছেলে। তিনি বাগদা বাজারের একজন পান ব্যবসায়ী।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, প্রায় এক বছর আগে মোবাইল ফোনে ওই গৃহবধূর সঙ্গে নাইমের পরিচয় হয়। পরিচয়ের সূত্র ধরে তিনি নারীটিকে বিভিন্ন সময়ে প্রলোভন ও কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন। গত বছরের ৪ এপ্রিল মধ্যরাতে কৌশলে ওই গৃহবধূকে ধর্ষণ করেন নাইম। শুধু তাই নয়, গোপনে সেই ধর্ষণের দৃশ্য মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করেন তিনি।
এরপর ওই ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করেন ভুক্তভোগীকে। বিভিন্ন সময়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে প্রায় পাঁচ লাখ টাকাও হাতিয়ে নেন অভিযুক্ত যুবক।
অবশেষে বুধবার (১৮ মার্চ) দিবাগত রাতে গোবিন্দগঞ্জ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন এবং পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করেন ভুক্তভোগী। মামলা হওয়ার পরপরই অভিযানে নামে পুলিশ।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই প্রদীপ কুমার বর্মন জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার ভোররাতে বাগদা বাজারের দোকান থেকে অভিযুক্ত নাইমকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাম্মেল হক বলেন, গ্রেপ্তার আসামিকে বৃহস্পতিবার সকালে গোবিন্দগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয়। আদালত শুনানি শেষে তাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

আপনার মতামত লিখুন