সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

আ.লীগের কার্যক্রম বন্ধ থাকবে: মির্জা ফখরুল


সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক
প্রকাশ : ১৯ মার্চ ২০২৬

আ.লীগের কার্যক্রম বন্ধ থাকবে: মির্জা ফখরুল
বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যক্রমের ওপর নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে বলে জানিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ আছে; বন্ধ আছে, বন্ধ থাকবে।’

বুধবার (১৮ মার্চ) রাতে রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ কথা বলেন। 

আওয়ামী লীগের কার্যক্রম সম্পর্কে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘এরা হঠাৎ হঠাৎ করে বেরিয়ে আসে। এগুলোকে খুব বেশি গুরুত্ব দেওয়ার কিছু আছে বলে আমি মনে করি না।’

গত বছরের ১২ মে অন্তর্বর্তী সরকারের গেজেট প্রকাশের মাধ্যমে দেশের পুরোনো এই রাজনৈতিক দলটির সব ধরনের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়। ২০২৪ সালের আগস্টে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দলটির বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের অধীনে দলটির কার্যক্রমের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়।

রাজনৈতিক দলের কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘পলিটিকসটাকে চলতে দিন। লেট পলিটিকস মুভ ইন ইটস ওন ওয়ে। লেট ডেমোক্রেসি মুভ ইন ইটস ওন ওয়ে। বিচ্ছিন্নভাবে কোনো কিছুকে দেখে রাজনীতিকে বন্ধ করে গণতন্ত্রকে আটকে দিয়ে, পথ বন্ধ করে দিয়ে... লেট ইট মুভ, কাজ করুক না।’ 

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আওয়ামী লীগ তো চেষ্টা করবেই কিছু কিছু কাজ করতে। করছে। লাভ তো হচ্ছে না। পিপল (জনগণ) তাদের রিজেক্ট করেছে। পিপল রিজেক্ট করে দিয়েছে একদম, তাই না?’

কেন নিষিদ্ধ আ.লীগ

গেজেটে উল্লেখ করা হয়, ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত দীর্ঘ ১৫ বছর শাসনামলে আওয়ামী লীগ ও তার অঙ্গসংগঠনগুলো সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিল। ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে দমন-পীড়নের ঘটনায় দেড় হাজারের বেশি মানুষ নিহত হওয়ার ঘটনায় দলটিকে দায়ী করা হয় ।

জাতিসংঘের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ওই আন্দোলনে দমন-পীড়নে অন্তত ১ হাজার ৪০০ মানুষ প্রাণ হারান। এসব হত্যাকাণ্ডের বিচারের জন্য আওয়ামী লীগ ও তার নেতাদের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচারের আওতায় আনা হয়। এই বিচারকাজ সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত দলটির কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকবে বলে গেজেটে উল্লেখ করা হয়।

নিষেধাজ্ঞার আওতায় দলটির সব ধরনের প্রকাশনা, গণমাধ্যম ও সামাজিক মাধ্যমে ক্যাম্পেইন, মিছিল, সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। আওয়ামী লীগের সব অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের কার্যক্রমও বন্ধ ঘোষণা করা হয়। এর আগে ২০২৪ সালের অক্টোবরে আওয়ামী লীগের ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬


আ.লীগের কার্যক্রম বন্ধ থাকবে: মির্জা ফখরুল

প্রকাশের তারিখ : ১৯ মার্চ ২০২৬

featured Image

আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যক্রমের ওপর নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে বলে জানিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ আছে; বন্ধ আছে, বন্ধ থাকবে।’

বুধবার (১৮ মার্চ) রাতে রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ কথা বলেন। 

আওয়ামী লীগের কার্যক্রম সম্পর্কে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘এরা হঠাৎ হঠাৎ করে বেরিয়ে আসে। এগুলোকে খুব বেশি গুরুত্ব দেওয়ার কিছু আছে বলে আমি মনে করি না।’

গত বছরের ১২ মে অন্তর্বর্তী সরকারের গেজেট প্রকাশের মাধ্যমে দেশের পুরোনো এই রাজনৈতিক দলটির সব ধরনের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়। ২০২৪ সালের আগস্টে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দলটির বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের অধীনে দলটির কার্যক্রমের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়।

রাজনৈতিক দলের কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘পলিটিকসটাকে চলতে দিন। লেট পলিটিকস মুভ ইন ইটস ওন ওয়ে। লেট ডেমোক্রেসি মুভ ইন ইটস ওন ওয়ে। বিচ্ছিন্নভাবে কোনো কিছুকে দেখে রাজনীতিকে বন্ধ করে গণতন্ত্রকে আটকে দিয়ে, পথ বন্ধ করে দিয়ে... লেট ইট মুভ, কাজ করুক না।’ 

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আওয়ামী লীগ তো চেষ্টা করবেই কিছু কিছু কাজ করতে। করছে। লাভ তো হচ্ছে না। পিপল (জনগণ) তাদের রিজেক্ট করেছে। পিপল রিজেক্ট করে দিয়েছে একদম, তাই না?’

কেন নিষিদ্ধ আ.লীগ

গেজেটে উল্লেখ করা হয়, ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত দীর্ঘ ১৫ বছর শাসনামলে আওয়ামী লীগ ও তার অঙ্গসংগঠনগুলো সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিল। ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে দমন-পীড়নের ঘটনায় দেড় হাজারের বেশি মানুষ নিহত হওয়ার ঘটনায় দলটিকে দায়ী করা হয় ।

জাতিসংঘের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ওই আন্দোলনে দমন-পীড়নে অন্তত ১ হাজার ৪০০ মানুষ প্রাণ হারান। এসব হত্যাকাণ্ডের বিচারের জন্য আওয়ামী লীগ ও তার নেতাদের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচারের আওতায় আনা হয়। এই বিচারকাজ সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত দলটির কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকবে বলে গেজেটে উল্লেখ করা হয়।

নিষেধাজ্ঞার আওতায় দলটির সব ধরনের প্রকাশনা, গণমাধ্যম ও সামাজিক মাধ্যমে ক্যাম্পেইন, মিছিল, সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। আওয়ামী লীগের সব অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের কার্যক্রমও বন্ধ ঘোষণা করা হয়। এর আগে ২০২৪ সালের অক্টোবরে আওয়ামী লীগের ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়।


সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত