ইরানে যুদ্ধে এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র হারিয়েছে ১৬ এয়ারক্রাফট। এমনটাই জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ব্লুমাবার্গ।
স্থানীয় সময় গতকাল বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) এক প্রতিবেদনে সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, হারানো এয়ারক্রাফটগুলোর মধ্যে ১০টি হলো অত্যন্ত দামি এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন। আর বাকি ছয়টি বিমান। যারমধ্যে যুদ্ধবিমান ছাড়াও রিফুয়েলিং বিমান আছে।
ব্লুমবার্গ বলেছে, সবচেয়ে বড় ক্ষতিটি হয়েছে কুয়েতে। সেখানে একসঙ্গে তাদের তিনটি এফ-১৫ যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হয়। যেগুলো ভুলক্রমে মাটিতে নামিয়ে আনে কুয়েতি সেনারাই।
এর কয়েকদিন পর ইরাকের আকাশসীমায় বিধ্বস্ত হয় কেসি-১৩৫ রিফুয়েলিং বিমান। এতে ওই বিমানে থাকা ছয় মার্কিন সেনাই নিহত হন।
এছাড়া সৌদি আরবের একটি ঘাঁটিতে হামলা চালিয়ে ইরান একসঙ্গে পাঁচটি রিফুয়েলিং বিমান ধ্বংস করে দেয়।
মার্কিন সেনা কর্মকর্তাদের বরাতে ব্লুমাবার্গ জানিয়েছেন, পুরো ইরানে তাদের বিমানবাহিনী কর্তৃত্ব স্থাপন করতে পারেনি। এখন পর্যন্ত তেহরানের স্থানীয় কিছু জায়গায় তারা কর্তৃত্ব স্থাপন করেছে। যেখানে গিয়ে তারা হামলা চালাতে পারে।

শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ মার্চ ২০২৬
ইরানে যুদ্ধে এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র হারিয়েছে ১৬ এয়ারক্রাফট। এমনটাই জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ব্লুমাবার্গ।
স্থানীয় সময় গতকাল বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) এক প্রতিবেদনে সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, হারানো এয়ারক্রাফটগুলোর মধ্যে ১০টি হলো অত্যন্ত দামি এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন। আর বাকি ছয়টি বিমান। যারমধ্যে যুদ্ধবিমান ছাড়াও রিফুয়েলিং বিমান আছে।
ব্লুমবার্গ বলেছে, সবচেয়ে বড় ক্ষতিটি হয়েছে কুয়েতে। সেখানে একসঙ্গে তাদের তিনটি এফ-১৫ যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হয়। যেগুলো ভুলক্রমে মাটিতে নামিয়ে আনে কুয়েতি সেনারাই।
এর কয়েকদিন পর ইরাকের আকাশসীমায় বিধ্বস্ত হয় কেসি-১৩৫ রিফুয়েলিং বিমান। এতে ওই বিমানে থাকা ছয় মার্কিন সেনাই নিহত হন।
এছাড়া সৌদি আরবের একটি ঘাঁটিতে হামলা চালিয়ে ইরান একসঙ্গে পাঁচটি রিফুয়েলিং বিমান ধ্বংস করে দেয়।
মার্কিন সেনা কর্মকর্তাদের বরাতে ব্লুমাবার্গ জানিয়েছেন, পুরো ইরানে তাদের বিমানবাহিনী কর্তৃত্ব স্থাপন করতে পারেনি। এখন পর্যন্ত তেহরানের স্থানীয় কিছু জায়গায় তারা কর্তৃত্ব স্থাপন করেছে। যেখানে গিয়ে তারা হামলা চালাতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন