সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে কুড়িগ্রামের পাঁচটি উপজেলার ছয়টি গ্রামের প্রায় এক হাজার মুসল্লি শুক্রবার (১৯ মার্চ) সকালে ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করেছেন। দেশের বাকি অংশের তুলনায় একদিন আগেই এই ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হলো।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার সকাল ৯টায় ভূরুঙ্গামারী উপজেলার পাইকডাঙা ও ছিট পাইকেরছড়া, ফুলবাড়ী উপজেলার জেলে পাড়া জামে মসজিদ, চিলমারী উপজেলার ডাটিয়ারচর, রৌমারী উপজেলার গয়টাপাড়া এবং চর রাজিবপুর উপজেলার করাতি পাড়ায় এই জামাতগুলো অনুষ্ঠিত হয়।
মুসল্লি আমিনুল ইসলাম, আব্দুল আউয়াল ও আব্দুল মজিদ জানান, তারা সৌদি আরবের সাথে মিল রেখেই রোজা পালন শেষে আজ ঈদের নামাজ আদায় করেছেন। তারা এতে খুব আনন্দিত বলে জানান।
ফুলবাড়ী উপজেলার জেলে পাড়া জামে মসজিদের ইমাম আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে আমরা ইমাম আবু হানিফার (রহ.) মতাদর্শ অনুসরণ করে সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে ৩০টি রোজা শেষে ঈদের নামাজ আদায় করে আসছি।’
তিনি আরও জানান, ফুলবাড়ী সদর ইউনিয়নের কুটির চন্দ্রখানা এলাকায় অবস্থিত জেলে পাড়া আহলে হাদিস জামে মসজিদের প্রাঙ্গণে এ জামাতে ওই গ্রামের লোকজনের সঙ্গে পার্শ্ববর্তী কবির মামুদ, হাজীর বাজার ও ভিতরকুটি গ্রামের আরও ৬০ জন মুসল্লি অংশগ্রহণ করেন।
ভূরুঙ্গামারীর পাইকেরছড়া গ্রামের কিশোর আবু বকর উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে বলে, সবার সঙ্গে একসঙ্গে ঈদের নামাজ আদায় করে তার খুব ভালো লাগছে।
চিলমারী উপজেলার অষ্টমির চর ইউনিয়নের ডাটিয়ার চর এলাকার নামাজি জানে আলম জানান, তারা প্রতিবছরই সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে উভয় ঈদের নামাজ পালন করে থাকেন।
ফুলবাড়ীর জেলে পাড়া আহলে হাদিস জামে মসজিদের ইমাম মো. আব্দুল মালেক জানান, পৃথিবীর কোথাও চাঁদ দেখা গেলে ইমাম আবু হানিফার (রহ.) নির্দেশনা অনুযায়ী সারা বিশ্বের সঙ্গে একই দিনে ঈদ ও সিয়াম পালন করা উচিত। তিনি জানান, আজকের জামাতে প্রায় ৬০ জন মুসল্লি অংশ নিয়েছেন।

শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ মার্চ ২০২৬
সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে কুড়িগ্রামের পাঁচটি উপজেলার ছয়টি গ্রামের প্রায় এক হাজার মুসল্লি শুক্রবার (১৯ মার্চ) সকালে ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করেছেন। দেশের বাকি অংশের তুলনায় একদিন আগেই এই ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হলো।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার সকাল ৯টায় ভূরুঙ্গামারী উপজেলার পাইকডাঙা ও ছিট পাইকেরছড়া, ফুলবাড়ী উপজেলার জেলে পাড়া জামে মসজিদ, চিলমারী উপজেলার ডাটিয়ারচর, রৌমারী উপজেলার গয়টাপাড়া এবং চর রাজিবপুর উপজেলার করাতি পাড়ায় এই জামাতগুলো অনুষ্ঠিত হয়।
মুসল্লি আমিনুল ইসলাম, আব্দুল আউয়াল ও আব্দুল মজিদ জানান, তারা সৌদি আরবের সাথে মিল রেখেই রোজা পালন শেষে আজ ঈদের নামাজ আদায় করেছেন। তারা এতে খুব আনন্দিত বলে জানান।
ফুলবাড়ী উপজেলার জেলে পাড়া জামে মসজিদের ইমাম আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে আমরা ইমাম আবু হানিফার (রহ.) মতাদর্শ অনুসরণ করে সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে ৩০টি রোজা শেষে ঈদের নামাজ আদায় করে আসছি।’
তিনি আরও জানান, ফুলবাড়ী সদর ইউনিয়নের কুটির চন্দ্রখানা এলাকায় অবস্থিত জেলে পাড়া আহলে হাদিস জামে মসজিদের প্রাঙ্গণে এ জামাতে ওই গ্রামের লোকজনের সঙ্গে পার্শ্ববর্তী কবির মামুদ, হাজীর বাজার ও ভিতরকুটি গ্রামের আরও ৬০ জন মুসল্লি অংশগ্রহণ করেন।
ভূরুঙ্গামারীর পাইকেরছড়া গ্রামের কিশোর আবু বকর উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে বলে, সবার সঙ্গে একসঙ্গে ঈদের নামাজ আদায় করে তার খুব ভালো লাগছে।
চিলমারী উপজেলার অষ্টমির চর ইউনিয়নের ডাটিয়ার চর এলাকার নামাজি জানে আলম জানান, তারা প্রতিবছরই সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে উভয় ঈদের নামাজ পালন করে থাকেন।
ফুলবাড়ীর জেলে পাড়া আহলে হাদিস জামে মসজিদের ইমাম মো. আব্দুল মালেক জানান, পৃথিবীর কোথাও চাঁদ দেখা গেলে ইমাম আবু হানিফার (রহ.) নির্দেশনা অনুযায়ী সারা বিশ্বের সঙ্গে একই দিনে ঈদ ও সিয়াম পালন করা উচিত। তিনি জানান, আজকের জামাতে প্রায় ৬০ জন মুসল্লি অংশ নিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন